,



গাজীপুরের এসপি হারুনসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

জোরপূর্বক জমি রেজিস্ট্রি করিয়ে নেয়ার অভিযোগ তুলে ও সৃজিত আমমোক্তারনামা দলিল বাতিল চেয়ে গাজীপুর বিজ্ঞ ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দেওয়ানী মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলায় ঢাকার কারওয়ান বাজাজ সমিতির দায়িম খান ও গাজীপুর থেকে প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ ও গাজীপুরের তিন পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদী ভুমি মন্ত্রনালয়ের সাবেক সরকারি কর্মকর্তা গাজীপুর মহানগরের জয়দেবপুর থানাধীন  ভোগড়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত সোনা মিয়ার ছেলে এম দেলোয়ার হোসেন।
মামলার আসামিরা হলেন— ঢাকার তেজগাঁওয়ের কাওরান বাজার সমিতির ব্যবসায়ী হাজী দাইম খান, হাজী আবুল বাশার ভুইয়া, পুলিশ সুপার  মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, জয়দেবপুর থানার ওসি খন্দকার খন্দকার রেজাউল হাসান রেজা, জয়দেবপুর থানার এস আই আক্রাম  হোসেন ও গাজীপুর ডিবি’র এস আই মিঠু শেখ।
বাদীর পক্ষের একজন আইনজীবী জানান, মামলায় এক নম্বর আসামি থেকে ১৪ নম্বর পর্যন্ত সবার প্রতি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও কারণ দর্শানোর নোটিশ এবং পুলিশ সুপারসহ বাকি মোকাবেলা আসামিদের প্রতি সমন জারীর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার বাদী মঙ্গলবার জানান, মামলার ১৮জন বিবাদী পরস্পর যোগসাাযশে বাদীকে জিম্মি করে গাজীপুর মহানগরের ভোগড়া মৌজার ঢাকা-বাইপাস সড়কের পাশের এলাকার এক শত কোটি টাকা দামের সাড়ে আট বিঘা জমির পাওয়ার নামা রেজিস্ট্রি করেন।
অত:পর বিবাদীরা বাদীকে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা দিয়ে বিদায় করে দেয়। এই ঘটনায় বাদী মামলা করার চেষ্টা করলে আসামিরা নানা ভাবে হুমকি দেয়।
উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ও এক ইউপি সদস্য প্রার্থী খুনের কারণে গাজীপুরের তৎকালিন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ ও দুই ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়। পরবর্তি সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় পুলিশ সুপার হারন অর রশিদকে পুনরায় গাজীপুর জেলায় যোগদানের নির্দেশ দেয়। অতঃপর ৮ মে পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ যোগদান করার কথা থাকলেও নির্বাচন কমিশনের আইনি জটিলতায় তিনি যোগদান করতে পারেননি।
জানা গেছে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সরকারকে নির্বাচনী তফসিল চলমান থাকা অবস্থায় প্রত্যাহরকৃত পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদকে পুনর্বহাল করা বিধি সম্মত হয়নি এমন চিঠি দেয়া হয়। ফলে ৪জুন ষষ্ঠ দফার নির্বাচন সমাপ্ত হওয়া এবং নির্বাচনের পর ১৯ জুন গেজেট প্রকাশের আগ পর্যন্ত পুলিশ সুপার হিসাবে হারুন অর রশিদের গাজীপুরে যোগদানের বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে যায়।

মানবকণ্ঠ

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর