,



প্রাথমিকে হচ্ছে তালিকা ডিসেম্বরের মধ্যে সমাধান

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিদায়ী মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেছেন, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত ভবনের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যেখানে যে ধরনের সংস্কার প্রয়োজন, সেখানে তা করা হবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আর কোনো জরাজীর্ণ ভবন থাকবে না।

সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

মো. ফসিউল্লাহ বলেন, ‘একটি মাস্টার প্ল্যানের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনগুলো তৈরি হয়ে থাকে। কিছু ঠিকাদার অতি মুনাফার লোভে অনেক ক্ষেত্রে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে ভবন নির্মাণ করে। সেসব ভবন বেশিদিন ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা এলজিইডি-কে চিঠি দিয়ে থাকি, একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

জানা যায়, সারাদেশে সাড়ে ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের মধ্যে প্রায় ১২ হাজার ভবন ঝুঁকিপূর্ণ। এসব ভবনের অধিকাংশই ২০০৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত সময়ে নির্মিত। নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে নির্মাণকাজ করায় কয়েক বছর পর ভবনগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এসব জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত ভবনেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে লাখো শিশু।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একটি ভবন নির্মাণে বরাদ্দ যথাযথভাবে ব্যয় হলে কিছুতেই তা ৫০ বছরের আগে সংস্কারের দরকার পড়ে না। ভবন ভেঙে পড়ার মূল কারণ হচ্ছে, রড ছাড়া কাঠ-বাঁশের ব্যবহার এবং যথাযথ পরিমাণ বালু ও সিমেন্ট ব্যবহার না করা। সারাদেশে এমন ১১ হাজার ৮৬৯টি বিদ্যালয় জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। নতুনভাবে সেখানে ভবন তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের সরকারি অর্থ অপচয় হচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর