,



পুরো মাথায় ২১৮৮ সুঁই, শুধু কপালেই ৮০০!

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ কথায় বলে, শখের তোলা আশি টাকা! আসলেও আমরা বুঝি তাই। সাধারণ মানুষদের স্বপ্ন আর শখ সবই হয়ে থাকে সাধারণ। আর অসাধারণ মানুষদের শখগুলোও যেন তাদের মতো। ঠিক যেমন- চীনের একজন ব্যক্তি নিজের মাথায় দুই হাজার ১৮৮টি সুঁই গেঁথেছে। আর এ কারণে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন।

নিজের মাথায় এবং মুখে দুই হাজার ১৮৮টি সুঁই বসিয়েছে

নিজের মাথায় এবং মুখে দুই হাজার ১৮৮টি সুঁই বসিয়েছে

একটি স্থানীয় সংবাদপত্র থেকে জানা যায়, দক্ষিণ-পশ্চিমে  গুয়াংজি ঝুয়াং স্বায়ত্তশাসিতের বাসিন্দা তিনি। ৬০ বছর বয়সী এই ব্যক্তির নাম ওয়ে শেনচু। তাকে ভালোবেসে অনেকে আবার সুঁই দাদাও ডাকে। তিনি শখের বসে প্রথমে দুই একটা সুঁই মাথায় বসানো শুরু করে। তবে এখন তার মাথায় ও মুখে মোট দুই হাজার ১৮৮ টির ও বেশি সুঁই বসিয়েছেন। ওয়ে শেনচুরের শুধু কপালেই আছে ৮০০ সুঁই বসানো। এছাড়াও সুঁইয়ে মাথায় ছোট ছোট পতাকা এবং কপালে বড় একটি হলুদ কাপড় বেঁধে সব জায়গায় যায়। যা অন্য কোনো মানুষের পক্ষে বেশ কঠিন।

সুঁইয়ে মাথায় ছোট ছোট পতাকা এবং কপালে বড় একটি হলুদ কাপড় বেঁধে গুরে বেড়ান তিনি

সুঁইয়ে মাথায় ছোট ছোট পতাকা এবং কপালে বড় একটি হলুদ কাপড় বেঁধে গুরে বেড়ান তিনি

তিনি একদিন বিকেলে চংকিং সিটিতে উপস্থিত যান। সেখানে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার চারপাশে মানুষের ভিড় জমায়। তার মুখের এই অদ্ভুত অবস্থা দেখে অনেকে ভয় পাচ্ছিল। কেউ কেউ আবার ভয়ে চিৎকারও করে ওঠে। ৬০ বছর বয়সী এক নারী বলেন, আমি যখন তাকে দেখি তখন ভয়ে কাঁপছিলাম। আমার তাকে দেখে মনে হয়েছে তিনি নিজেকে নিশ্চয়ই শেষ করে দিচ্ছেন। আবার কিছু লোক ভেবেছিল সুঁইগুলো শরীরের ক্ষতি করতে পারে। অনেকে ভাবছে এটা কখনো সত্যি হতে পারে না। এটা জাদু।

এভাবে শরীরে সুঁই বসিয়ে কোনো ক্ষতি হয় কিনা পরীক্ষা করাচ্ছে

এভাবে শরীরে সুঁই বসিয়ে কোনো ক্ষতি হয় কিনা পরীক্ষা করাচ্ছে

তিনি এ কথা শুনে দর্শকদের সামনে নিজের শরীরে সুঁইগুলো বসান শুরু করে। তখন দর্শকরা প্রশ্ন করে এতে তার কোনো সমস্যা হয় কিনা? তখন তিনি বলেন না, আমার কোনো সমস্যা হয় না। আমি সুঁইগুলো বসানোর পর পরীক্ষা করিয়েছি। কোনো সমস্যা নেই। আমি সুস্থ আছি।এটি তিনি শখ করে করেছেন। তার স্বপ্ন একদিন এটা করে তিনি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে গড়বেন। আর তার জন্য তিনি এটা করছেন। অবশেষে তার স্বপ্ন পূর্ণ হয়েছে। তিনি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে করেছেন।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর