,



বোট ক্লাবে পরীমনির সেই ভিডিও খতিয়ে দেখবে পুলিশ

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ ঢাকা বোট ক্লাবে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা করা হয়েছে-এমন অভিযোগে মামলা হয়েছে। ওই রাতের আরও একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

ওই ভিডিওতে কয়েকজনের সঙ্গে মদ্যপ অবস্থায় পরীমনিকে দেখা গেছে। এ সময় পরীমনি ও ব্যবসায়ী নাসিরের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।

৯ জুন রাতের ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে গেছে। ভিডিওটি পর্যবেক্ষণ করে দেখবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার বলেন, ভিডিওটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে এসেছে। মূল মামলাটির তদন্ত ডিএমপি করছে না। ডিএমপি শুধু মাদক মামলার তদন্ত করছে। ভিডিওটির বিষয়ে তদন্ত করবে ঢাকা জেলার সাভার থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে সাভার থানার ওসি মাইনুল ইসলাম জানান, মামলার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

মঙ্গলবার রাতে ঢাকা বোট ক্লাবের ১০ সেকেন্ডের ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ভিডিওতে এটি স্পষ্ট যে, পরীমনি ক্লাবের ভেতরে সবার সঙ্গে স্বেচ্ছায় মদ্যপান করছেন। সঙ্গে ছিলেন অমি ও জিমি।

ভিডিওতে আরও দেখা গেছে, উত্তেজিত পরীমনিকে শান্ত করার চেষ্টা করেন ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদ। তার জবাবে নাসির মাহমুদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন ঢালিউড নায়িকা। উল্টো নাসিরকে বেরিয়ে যেতে বলেন তিনি।

আরও দেখা গেছে, পরীমনিকে উদ্দেশ করে নাসির উদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘হোয়াট ইজ দিস! প্লিজ স্টপ ইট, ডোন্ট ডু দিস, ইটস ঠু মাচ।’

নাসিরের কথার জবাবে পরীমনি বলেন, ‘অ্যাই যা…যা! বেরিয়ে যা!’

নতুন ওই ভিডিওটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যবেক্ষণ করছে।

এদিকে পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টায় গ্রেফতার আসামিরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

বৃহস্পতিবার রিমান্ডের প্রথম দিন তারা সাভার থানার পুলিশের কাছে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন। তারা পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টায় জড়িত নন বলে দাবি করেন। এ তথ্য জানিয়েছেন মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল কাফী বৃহস্পতিবার রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, পরীমনির করা মামলার খুঁটিনাটি বিষয়ে বৃহস্পতিবার আসামি নাসির উদ্দিন ও অমিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। পুলিশের কাজ হলো— সেদিন কী ঘটেছিল, তা তদন্ত করে বের করা। সেভাবেই তদন্ত চলছে।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর