,



মেয়াদ শেষের আগে হতে পারে আ.লীগের জাতীয় সম্মেলন

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ মেয়াদ শেষ হওয়ার কয়েক মাস আগেই হতে পারে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের পরবর্তী জাতীয় সম্মেলন। আগামী বছরের প্রথম দিকে এটা হওয়ার সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

এটা পূরণ করতে দূত তৃণমূল পর্যায় থেকে সংগঠনকে ঢেলে সাজিয়ে আগামী জাতীয় সম্মেলনের জন্য প্রস্তুত করতে চাই। যদিও ২০২২-এর ডিসেম্বরে আমাদের জাতীয় সম্মেলনের নির্ধারিত সময় পার হচ্ছে। কিন্তু ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের লক্ষ্য সম্মেলনের মাধ্যমে দলকে ঢেলে সাজানো। সে কারণে আমাদের জাতীয় সম্মেলনটা ২০২২ সালের ডিসেম্বরের আগেই হয়ে যেতে পারে। আগামী বছরের প্রথম দিকেও এটা হতে পারে।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ২০-২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতি পদে নবমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচিত হন। তার সঙ্গে দ্বিতীয়বারের মতো সাধারণ সম্পাদক হন ওবায়দুল কাদের। তিন বছর মেয়াদি এই সম্মেলনের মেয়াদ শেষ হবে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে।

আলাপকালে আগামী দিনের আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রমের পরিকল্পনার বিষয়ে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, আমাদের একটা সাংগঠনিক কর্মপদ্ধতি আছে। সে অনুযায়ী বিগত জাতীয় সম্মেলনের পর থেকে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা সম্মেলনগুলো করা হয়। সংগঠনকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত ঢেলে সাজানো হয়। ধাপে ধাপে এই কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দলকে শক্তিশালী করে আবার পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, আমাদের সর্বশেষ জাতীয় সম্মেলন ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে হয়েছে। ২০২২ সালে আমাদের পরবর্তী জাতীয় সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে। যেহেতু ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে আমাদের বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হবে, তাই আমাদের লক্ষ্য সেই নির্বাচনকে সামনে রেখে সংগঠনকে ঢেলে সাজানো। যাতে নির্বাচনে আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত হয়।

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ২০২০ সালের শুরুর দিকে সারা বিশ্বে এবং আমাদের দেশেও করোনা মহামারি শুরু হয়। এতে আমাদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড কিছুটা হলেও বাধাগ্রস্ত হয়। কারণ করোনাকালীন আমাদের মূল লক্ষ্য মানুষের পাশে থেকে তাদের সহযোগিতা করা। পাশাপাশি আমাদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড সীমিত পরিসরে ছিল। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে আমরা করোনা দুর্যোগ অনেকটাই মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, জাতীয় সম্মেলনের আগেই তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত আমাদের সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে হবে। আমাদের লক্ষ্য নভেম্বরের মধ্যে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা সম্মেলন শেষ করতে চাই। ডিসেম্বরের মধ্যে আমাদের মেয়াদোত্তীর্ণ জেলাগুলোর সম্মেলন শেষ করতে চাই।

দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে হানিফ বলেন, যে জেলাগুলোয় নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বা ভুল বোঝাবুঝি ছিল তা দূর করতে আমরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলার নেতাদের নিয়ে বসেছি। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম মহানগর, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার নেতাদের নিয়ে বসেছি। আমরা কুমিল্লা উত্তরে বর্ধিত সভা করেছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নেতাদের নিয়ে বসেছিলাম। চাঁদপুরের সঙ্গে বসার কথা ছিল কিন্তু বসা হয়নি। দ্রুত সেখানকার নেতাদের নিয়ে বসব। নোয়াখালী জেলা কমিটি দীর্ঘদিন ধরে নেই। এটারও একটা সমাধান আমরা দ্রুত করে ফেলব। আমরা আশা করছি সেপ্টেম্বরের মধ্যে অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলো আমরা সমাধান করে ফেলতে পারব।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর