,



বাড়ির সামনে স্লোগান না দিয়ে পুলিশ ছাড়া আসেন, দেখব কে কার চামড়া তুলে নেয়

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস বলেছেন, আমার বাড়ির সামনে গিয়ে ছাত্রলীগ-যুবলীগের দুই-চারজন গুণ্ডা স্লোগান দেয় মির্জা আব্বাসের চামড়া তুলে নেবো আমরা, তারেক রহমানের চামড়া, তুলে নেবো আমরা। আমি বলতে চাই এত সাহস থাকলে পুলিশ রেখে আসেন, দেখাব কে কার চামড়া তুলে নেয়।

শনিবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানী গোলাপবাগে বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় আফরোজা আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়া কোনো দুর্নীতিই করেননি। তিনি সরকারের রোষানল ও প্রতিহিংসার শিকার। সরকার তাকে রাজনৈতিক কারণে বন্দি রেখেছেন।

আফরোজা আব্বাস অভিযোগ করেন প্রতিদিন আওয়ামী লীগের ৫-১০ জন নেতা-কর্মী দুই-চারশ পুলিশ নিয়ে তার শাহজানপুরের বাড়ির সামনে ঘোরে। ছাত্রলীগ-যুবলীগের দুই-চারজন গুণ্ডা আমাদের বাড়ির সামনে গিয়ে মিছিল করে, ‘মির্জা আব্বাসের চামড়া তুলে নেবো আমরা, তারেক রহমানের চামড়া, তুলে নেবো আমরা।’

তিনি বলেছেন, আমি বলতে চাই এত সাহস যদি থাকে, পুলিশ রেখে আসেন দেখাবো কে কার চামড়া তুলে নেয়। প্রতিটি ঘরে ঘরে মির্জা আব্বাস, জিয়াউর রহমান, তারেক রহমান রয়েছে।

এদিন বেলা ১১টায় সমাবেশ শুরুর কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের কিছু আগে গোলাপবাগ মাঠে সমাবেশ শুরু করে বিএনপি। সমাবেশ ঘিরে গোটা রাজধানীতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। নিরাপত্তা বিধানে শুধু পুলিশের পক্ষ থেকে ৩৪ হাজার জনবল মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এ কে এম হাফিজ আক্তার।

এছাড়া সমাবেশ ঘিরে মাঠে সরব রয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও। সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, আজ আওয়ামী লীগের হাজার হাজার কর্মী পাহারাদার হিসেবে কাজ করছে। বিকেল পর্যন্ত দুষ্টু লোকদের সভা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকব।

উল্লেখ্য, এতদিন বিএনপির সভা সমাবেশগুলোতে দলটির মাঠের নেতা মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতেন। কিন্তু গেল বুধবারের বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর