,



শেখ হাসিনার দক্ষতায় দেশের চারটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ নির্বাচনের বছর হলেও সরকারের চলমান কার্যক্রম উন্নয়মুখী। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকার অনেক সফল। বর্তমান সরকারের সামনে ছিল দেশের চারটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা। এসব পদে পূরণ করা চ্যালেঞ্জের হলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে তা সফলতার সঙ্গে শেষ করা সম্ভব হয়েছে। এজন্য দলীয় গণ্ডি পেরিয়েও প্রশংসা কুড়িয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী।

বর্তমান সরকারের সামনে প্রথম চ্যালেঞ্জের ছিল প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) নিয়োগ সম্পন্ন করা। সেটি সফলতার সঙ্গে শেষ করেছে সরকার। গত ৪ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য আবদুল হামিদ ঢাবির ভারপ্রাপ্ত ভিসি হিসেবে অধ্যাপক মোঃ আখতারুজ্জামানকে নিয়োগ দেন। গত ২৩ মে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এবং সিনেট-মনোনীত উপাচার্য প্যানেল আদালতে স্থগিত হওয়ায় আখতারুজ্জামানকে সাময়িকভাবে উপাচার্যের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

এরপর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ ছিল পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক-আইজিপি পদে। গত ২৫ জানুয়ারি প্রশাসনের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীকে নিয়োগ দেয় সরকার। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে তাকে নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হকের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

সরকারের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ কার্যক্রম ছিল প্রধান বিচারপতির পদে। সফলতার সঙ্গে বিচারবিভাগের এই শীর্ষ পদেও নিয়োগ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছে শেখ হাসিনা সরকার। দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান আপিল বিভাগের বিচারক সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। গত শুক্রবার তার প্রধান বিচারপতি নিয়োগের আদেশে সই করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। পরের দিন গত শনিবার সন্ধ্যায় শপথ নিয়েছেন তিনি।

এদিন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞা। আড়াই মাস আগে বিচারপতি এস কে সিনহার পদত্যাগের পর আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম বিচারক হিসেবে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন বিচারপতি ওয়াহহাব মিঞা। যদিও তিনি প্রধান বিচারপতি নিয়োগের পরপরই পদত্যাগ করেছেন।

বর্তমান সরকারের চতুর্থ শেষ গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করা। দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদকেই মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। গত বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে আব্দুল হামিদের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের কথা নিশ্চিত হওয়া যায়। বর্তমানে জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সাংসদ আওয়ামী লীগের। তাই আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আব্দুল হামিদই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন তা নিশ্চিত।

তৃতীয় বিশ্বের বা উন্নয়নশীল দেশ একজন নেতা কীভাবে দ্রুত দেশ ও দেশের জনগণকে এগিয়ে নিতে পারেন তা শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব না দেখলে কেউ বিশ্বাস করবে না। তাই বিশ্বরাজনীতির বিস্ময় আজ শেখ হাসিনা।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর