,



কোথায় যাচ্ছেন শামীম ওসমান

শামীম ওসমানের রাজনৈতিক অনুসারী-অনুগামীরা ধরে নিয়েছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হতে যাচ্ছেন তিনি। রবিবার জেলার আংশিক কমিটি চূড়ান্তের পর প্রশ্ন, কোথায় যাচ্ছেন শামীম ওসমান? তিনি জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে সদস্য হচ্ছেন? নাকি কেন্দ্রীয় কমিটিতে আসছেন?

নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী ওসমান পরিবারের উত্তরসূরি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ছিলেন শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকও। ১৯৯৬ সালে নৌকা প্রতীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০১ সালে বিএনপি জোট ক্ষমতায় আসার পর দেশ ছাড়তে হয়েছিল তাকে।

আগামী ২২-২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে শামীম ওসমানকে ঘিরে প্রত্যাশাও বাড়ছে। তার ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তি ঢাকাটাইমসকে বলেন, নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের শামীম ওসমান দাপুটে একজন রাজনীতিকের নাম। জেলার গুরুত্বপূর্ণ পদে না থাকলেও রাজনীতিতে তার সক্রিয় প্রভাব থাকবে আগের মতোই। তবে তারা আশাবাদী কেন্দ্রে পদ পাবেন এই নেতা।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ৯৬ থেকে ২০০১ মেয়াদে নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে শামীম ওসমান অনেকটা রাতারাতি পলিটিক্যাল হিরো বনে যান। এর পটভূমি ছিল যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকে নারায়ণগঞ্জের মাটিতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা। এর পরপরই তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার লংমার্চ নারায়ণগঞ্জে আটকে দেয়ার মতো বড় রাজনৈতিক ক্ষমতার শো-ডাউন দেখান শামীম ওসমান। খালেদা জিয়ার লংমার্চ থামিয়ে দিতে শত শত ক্যাডার নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন নিজেই। প্রায় দুই দশক ধরে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে এক অপ্রতিরোধ্য দাপুটে রাজনীতিক হিসেবে পরিচিতি পান শামীম ওসমান, যা এখনো বহাল আছে।

গত ৯ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের আংশিক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। এতে সভাপতি হয়েছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক আবদুল হাই এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদল। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভীকে এই কমিটির সহসভাপতি করা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর