,



নিষ্ঠুর নৃশংসতা

ড. মাহফুজা খানম

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাবা-মায়ের হাতে সন্তান, সন্তানের হাতে বাবা-মা, স্বামীর হাতে স্ত্রী, স্ত্রীর হাতে স্বামী, ভাই-বোনের হাতে অন্যান্য ভাই-বোন, বন্ধু-বান্ধবের কাছে বন্ধু-বান্ধব, শিক্ষকের হাতে ছাত্র, ছাত্রের হাতে শিক্ষক এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ঘরে-বাইরে কোথাও নিরাপদ নয় মানুষ। সময়ের সাথে নিষ্ঠুরতা ও বর্বরতা এখন স্বাভাবিক ঘটনায় রূপ নিচ্ছে।

গত ৬ অক্টোবর আবরার হত্যাকা-ের রেশ না কাটতেই কয়েক দিনে নড়াইলের লোহাগড়ায় বাবার হাতে ছেলে, লক্ষ্মীপুরে মায়ের হাতে ছেলে এবং সুনামগঞ্জে বাবা ও আপন চাচাদের হাতে এক শিশুকে পৈচাশিকভাবে হত্যার ঘটনা দেশবাসীর মনে দাগ কেটেছে।

লোহগড়া প্রতিনিধি বলেন, গত বুধবার বিকালে নড়াইলের লোহাগড়া পৌর এলাকার সিঙ্গা গ্রামে রমজান (৬) নামে এক শিশুকে হত্যায় জড়িত সন্দেহে শিশুটির বাবা ইলু শেখ ও মামা ইউছুফ শেখকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ ও স্বজন সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৭ বছর আগে শিশুটির মা মারিয়া বেগমের সঙ্গে একই গ্রামের বিবাহিত ইলু শেখের অবৈধ সম্পর্কে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে মারিয়া। পরে সামাজিক চাপে মারিয়াকে বিয়ে করতে বাধ্য হলেও কিছুদিন পরে তাকে তালাক দেয় ইলু শেখ। এ ঘটনায় নিজের ও সন্তান রমজানের ভরণপোষণের দাবিতে আদালতে মামলা করলে আদালত ভরণপোষণ বাবদ টাকা দিতে নির্দেশ দেন। স্বজনরা আরো বলেন, গত তিন বছর আগে মারিয়া মারা গেলে ভরণপোষণ দিতে গড়িমসি করে ইলু শেখ। এতে কয়েক মাসের ভরণপোষণের টাকা বাকি থাকায় গ্রেফতারি পরোয়ানায় তাকে কারাগারেও যেতে হয়। রমজানের খালা লাকি বেগম বলেন, ভরণপোষণের বাকি টাকার জন্য ইলু শেখকে মাঝে মধ্যে চাপ দেয়া হতো। এই টাকা এবং সম্পত্তি থেকে রমজানকে বঞ্চিত করতে ইলু শেখ ও তার প্রথম স্ত্রী তহমিনা বেগম রমজানকে হত্যা করে বাড়ির পাশে বাগানের গর্তে ফেলে রাখে। খালা আরো বলেন, শিশুটি সিঙ্গা-মশাঘুনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে পড়ত। গত বুধবার সকালে স্কুলে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তার লাশ পাওয়া যায়।

লোহাগড়া থানার ওসি মো. মোকাররম হোসেন বলেন, শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শিশুটির বাবা ইলু শেখ ও মামা ইউছুফ শেখকে আটক করা হয়েছে। তবে পলাতক থাকায় সৎ মা তহমিনাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

সুনামগঞ্জের পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, জন্মদাতা পিতা বাছির ঘুমিয়ে থাকা সন্তানটিকে কোলে নিয়ে বাইরে গিয়ে তুলে দেন তার ভাই (শিশুটির চাচা) নাসিরের কাছে। বাবার সহায়তায় চাচা শিশুটিকে নৃশংস কায়দায় হত্যা করেন। দু’টি কান ও পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন। আর হত্যাকা-ে ব্যবহৃত দুটি ছুরির বাঁটে প্রতিপক্ষের সালাতুল ও সোলেমানের নাম লিখে পেটে বিদ্ধ করে লাশ গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন। এ ঘটনায় পরদিন তুহিনের মা মনিরা বেগম অজ্ঞাত ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে দিরাই থানায় হত্যা মামলা করেন। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয় তুহিনের বাবা, চার চাচা, চাচাতো ভাই, এক চাচী ও এক চাচাতো বোনকে। বুধবার বিকালে সুনামগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শ্যামকান্ত সিনহা শিশু তুহিনকে নৃশংসভাবে হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তার বাবা আবদুল বাছির, চাচা আবদুল মছব্বির ও প্রতিবেশী চাচা জমশেদ আলীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত সোমবার লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় মা স্বপ্না বেগমের কাছে ছেলে কাউছার ১০ টাকা চেয়ে বায়না ধরলে তাকে তা দিতে অপারগতা দেখিয়ে ধমকে থামাতে চায় মা। তাতেও শিশুটিকে থামাতে না পেরে একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে স্বপ্না মারধর করে গলা টিপে হত্যা করেন নিজের ছেলেকে। পরে নিজের ওড়না কেটে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা করেছে বলে অপপ্রচার চালায় এই পাষ- মা। এর কিছুক্ষণ পর সন্তান মারা গেছে বলে চিৎকার দিয়ে কান্নাকাটি শুরু করেন। তবে অভিনয় করেও পার পাননি এই মা। শিশু হত্যার ঘটনায় স্বপ্না বেগমসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। কাউছার একই এলাকার পিকআপ ভ্যানচালক মো. রাসেলের পুত্র। শিশুটি স্থানীয় লোকমানিয়া হাফিজিয়া মাদরাসায় প্রথম শ্রেণিতে পড়ত।

লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি মো. আজিজুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বপ্নার স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে ও অর্থনৈতিক সঙ্কট নিয়ে তাদের সংসারে ঝগড়া-বিবাদ চলছিল। রাতে শিশু কাউছার তার মায়ের কাছে ১০ টাকা চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় জাহিন নামের আড়াই বছরের এক শিশুকে চারতলার ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার মা রোকসানা আক্তারের বিরুদ্ধে।

সমাজ সংশ্লিষ্টদের মতে, গত কয়েক বছরের নৃশংসতার মধ্যে পুরান ঢাকার বিশ্বজিৎ, সিলেটের খাদিজা, ফেনীর নুসরাত, বরগুনার রিফাত, নরসিংদীর ফুলন রানী, বুয়েটের আবরার, সুনামগঞ্জের পাঁচ বছরের শিশু তুহিন মিয়া হত্যাকা- মানুষের মনে সবচেয়ে বেশি দাগ কেটেছে। অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব নৃশংসতার পেছনে বড় কারণ পরকীয়া, জমিসংক্রান্ত বিরোধ ও মাদকের অর্থ জোগাড়। এছাড়া ইন্টারনেটের অপব্যবহার, অসহিষ্ণুতা, অতিমাত্রার ক্ষোভ, রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক বৈষম্য, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণেও মানুষের মাঝে নিষ্ঠুরতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। তবে নৃশংস বেশির ভাগ খুনের ঘটনা অপেশাদার মানুষের মাধ্যমে ঘটেছে বলে তারা মত ব্যক্ত করেন।

হত্যাকা-ের ঘটনা পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ৬ অক্টোবর বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে তারই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগপন্থী শিক্ষার্থীরা। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকা-ের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে অনেকে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গত ৩ অক্টোবর অপহৃত হয় পাপ্পু নামে এক কিশোর। যাত্রাবাড়ীর পূর্ব দোলাইরপাড়ে গলা টিপে পাপ্পুকে হত্যার পর লাশ বস্তায় ভরে পদ্মা নদীতে ডুবিয়ে দেয়া হয়। ১ অক্টোবর গাজীপুরে একটি বাড়িতে ঢুকে আবদুর রউফ (৬০) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা করে স্বর্ণালঙ্কার লুট হয়। ২৯ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জ সদরে নানী জয়নব বিবিকে (৭০) ছুরিকাঘাতে হত্যা করে কিশোর নাতী (১৪)। ১৭ জুলাই রাতে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় স্মৃতি আক্তার রিমা (১৪) নামে এক কিশোরীকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ঘটে। হত্যার পর লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা। এর আগেও চলতি বছরের ২৬ জুন বরগুনায় খুনের শিকার হন শাহনেওয়াজ ওরফে রিফাত শরিফ (২৬)। প্রকাশ্যে দিবালোকে ফিল্মিস্টাইলে রামদা দিয়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করে খুনিরা। এ ঘটনার পর দিন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে শিশু সন্তানের সামনে রাসেল ভূঁইয়া (৩২) নামে একজনকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে সন্ত্রাসীরা। ৬ এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল রাতে মারা যান নুসরাত। ২১ এপ্রিল রাজধানীতে গৃহবধূ জান্নাতি আক্তারের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর কেরানীগঞ্জের বেউতা এলাকায় মালয়েশিয়া প্রবাসী আল-আমিনের বাড়িতে সাভারের ভাকুর্তা এলাকার কবিরাজ মফিজুর রহমানকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে ৮ থেকে ১০ টুকরা করে প্রতিবেশীর মাগুর মাছের খামারসহ বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়। একই বছরের ২ নভেম্বর ঢাকার বাড্ডার হোসেন মার্কেট এলাকার ময়নারটেকের একটি বাসায় স্বামী জামিল শেখ ও মেয়ে নুসরাতকে খুন করেন আরজিনা বেগম ও তার কথিত প্রেমিক শাহীন মল্লিক। আগের রাত ১ নভেম্বর কাকরাইলে পারিবারিক কলহের কারণে খুন হন মা শামসুন্নাহার ও ছেলে সাজ্জাদুল করিম শাওন।

পুলিশ সদর দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে সারা দেশে খুন হয়েছে ১৭ হাজারের বেশি মানুষ। একই সময়ে রাজধানীতে খুন হয়েছে ১ হাজারের বেশি। পুলিশের তথ্যানুযায়ী, গত পাঁচ বছরে সার াদেশে খুনের ঘটনা ঘটেছে ১৬ হাজার ৯৭৪টি। এর মধ্যে ২০১৭ সালে খুন হয়েছে ৩ হাজার ৫৪৯, ২০১৬ সালে ৮৭৯, ২০১৫ সালে ৪ হাজার ৩৫, ২০১৪ সালে ৪ হাজার ৫২৩ আর ২০১৩ সালে ৩ হাজার ৯৮৮ জন। ২০১৮ সালের প্রথম তিন মাসে খুন হয়েছে ৮৭৪ জন। এ ছাড়া শুধু রাজধানীতেই খুন হয়েছে ১ হাজার ১২ জন। এর মধ্যে ২০১৭ সালে ২১৮, ২০১৬ সালে ৪৮, ২০১৫ সালে ২৩৯, ২০১৪ সালে ২৬২ আর ২০১৩ সালে ২৪৫ জন।

সংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যানে দেখা যায়, নৃশংসতার শিকার হওয়াদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যা অনেক বেশি। চাইল্ড রাইটস অ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ নামের একটি সংগঠনের গত সেপ্টেম্বরের এক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত তিন হাজার ৬৫৩টি শিশু বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি মাসে গড়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৪৫৭টি শিশু। আগের বছরে প্রতি মাসে শিশু নির্যাতনের সংখ্যা ছিল ৩৮১টি। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৬৯৭টি শিশু। ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে ১০৪ জনকে। ১৬১ জনকে যৌন হয়রানি ও ২৮৫ জনকে হত্যা করা হয়েছে। আত্মহত্যা করেছে ১৩৩ জন। অপহরণ করা হয়েছে ১৪৫ শিশুকে। নিখোঁজ হয়েছে ১০৪ জন।

বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের তথ্য মতে, চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ২৯ শিশুকে। অপহরণের পর হত্যার শিকার ২৩ শিশু। এ ছাড়া প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোসহ বিভিন্ন কারণে খোদ জন্মদাতা ও জন্মদাত্রীর হাতেই নিষ্ঠুর-নির্মম হত্যার শিকার হয়েছে ২৮ শিশু।

এদিকে, আইন ও সালিস কেন্দ্রের পাঁচ বছরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ধর্ষণের শিকার ৯০ শতাংশই শিশু ও কিশোরী। আর সাত থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশুরাই বেশি নির্যাতনের শিকার। এর বিপরীতে দেখা যায়, ঢাকা জেলার পাঁচটি নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ১৫ বছরে (২০০২-১৬) ধর্ষণসংক্রান্ত পাঁচ হাজার মামলার বিচারে সাজা হয়েছে মাত্র ৩ শতাংশের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাহফুজা খানম বলেন, যারা নিজের সন্তানকে কিংবা নিষ্পাপ শিশুদের নৃশংসভাবে মেরে ফেলার মতো ঘটনা ঘটায় তাদের ভেতরে বিবেকসম্পন্ন মনুষ্যত্ব তৈরি হয়নি; তাদের মানুষ বলা যায় না। এর জন্য পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র সবারই দায় আছে। সামাজিক নানা অবক্ষয়ের প্রভাবেও অনেক ক্ষেত্রে কিছু মানুষের মনোবৃত্তির অবক্ষয় ঘটে।

শিশু অধিকার ফোরামের চেয়ারপারসন মো. মাহবুব উল আলম বলেন, বিচার হয় না বলেই শিশুদের ওপর নৃশংসতা ঘটছে। অপরাধীদের দ্রুত বিচার হলে এ ধরনের ঘটনা হ্রাস পেত। তিনি বলেন, শিশুরা শারীরিকভাবে দুর্বল থাকায় ক্ষোভের প্রকাশে তাদের ওপর নৃশংসতা বেশি ঘটছে।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর