,



ভারতের পর পাকিস্তানের মাটিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ইতিহাস

আগের দিন ভারতের মাটিতে প্রথমবারের মতো জয় ধরা দিয়েছিল। দিল্লিতে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে টাইগাররা হারায় স্বাগতিকদের। একদিনের ব্যবধানে পাকিস্তানের মাটিতেও এল স্মরণীয় জয়।

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল হারাল পাকিস্তান নারীদের। পুরুষ ও নারী দল মিলে যা পাকিস্তানের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম জয়।

লাহোরে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে রুমানা আহমেদের দল ১ উইকেটের নাটকীয় জয় পেয়েছে। গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের মেয়েরা আগে ব্যাট করে ৪৮.৪ ওভারে গুটিয়ে যায় ২১০ রানে। জবাবে দিতে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ১ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

ফলে ১-১ এ সিরিজ ড্র হলো। পাকিস্তানের মাটিতে একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো কোনো সিরিজ ড্র’র নজিরও এটি।

এর আগে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয় বাংলাদেশের মেয়েরা। শেষ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে অন্তত কিছু নিয়ে ফেরা হচ্ছে তাদের।

এদিন বাংলাদেশের জয়ে উজ্জ্বল ফারজানা হক। ৬৭ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। দলীয় ২৯ রানের শারমিন সুলতানা ও নিগার সুলতানা ফিরলেও মুরশিদা খাতুনকে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ান ফারজানা। গড়েন ৮২ রানের জুটি।

মুরশিদা ৪৪ রানের ফেরেন। এরপর অধিনায়ক রুমানা আহমেদকে নিয়ে ৫৭ রানের জুটি গড়েন ফারজানা। দলীয় ১৬৮ রানে পাকিস্তানের বোলারদের চতুর্থ শিকার হয়ে ফেরেন রুমানা। ৪৩ বলে ২ চারে ৩১ রান করেন রুমানা।

দলীয় ১৮৭ রানে ফেরেন ফারজানা হক। ৯৭ বলে ৬ চারে ৬৭ রানের ইনিংস সাজান তিনি।

ফারজানার বিদায়ের পর বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। ১৮ রান যোগ করতে আরো ৪ উইকেট হারিয়ে কঠিন করে ফেলে ম্যাচ। শেষ পর্যন্ত জাহানারার অপরাজিত ৭ ও নাহিদা আক্তারের অপরাজিত ৪ রানে জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।

এর আগে পাকিস্তান বড় পুঁজি পায় নাহিদা খানের ব্যাটে। ৭৯ বলে ৮ চারে ৬৩ রান করেন তিনি। অধিনায়ক বিসমাহ মারুফ ৩৪ ও আলিয়া রিয়াজ ৩৬ রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে সফল বোলার রুমানা আহমেদ। সর্বাধিক ৩ উইকেট নেন তিনি। ২ উইকেট নিয়েছেন সালমা খাতুন।

ম্যাচসেরা হয়েছে ফারজানা হক। পাকিস্তানের নাহিদা খানের সঙ্গে যৌথভাবে সিরিজ সেরাও হয়েছেন তিনি।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর