,



ফুলবাড়ীতে ২০০ এক জমির বোরো চাষ অনিশ্চিত

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ দিনাজপুর পল্লী বিদুৎ সমিতি-২ এর বাধায় বন্ধ হয়ে গেছে তিনটি গভীর নলকূপের বিদ্যুৎ সংযোগ। এতে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ফুলবাড়ী উপজেলার আলদিপুর ইউনিয়নের ইসমাইলপুর, গকুল ও জয়ন্তি মৌজার ২০০ একর জমির বোরো চাষ।

ভুক্তভোগী গভীর নলকূপের মালিক আলাদিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোজাফফল রহমান জানান, উপজেলা সেচ কমিটির অনুমোদন নিয়ে সেচ পাম্প স্থাপন করার পর দিনাজপুর পল্লী বিদুৎ সমিতি-২ এর নিকট বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন করেন। কিন্তু দুই বছরেও দিনাজপুর পল্লী বিদুৎ সমিতি বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ায়, তিনি নর্দান ইলেট্রিক সাপ্লাই কোং নেকোর নিকট বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদন করেন। নেসকো সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গেলে সেখানে বাধা দেয় পল্লী বিদুৎ সমিতি। এতে বিদ্যুৎ সংযোগ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

একই কথা বলেন গকুল মৌজার গভীর নলকূপের মালিক মনসুর আলী ও জয়ন্তি মৌজার গভীর নলকূপের মালিক আবু সাইদ।

ইসমাইলপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেচের অভাবে পড়ে রয়েছে শতাধিক একর আবাদি জমি। কৃষকরা সেচের অভাবে বোরো রোপন করতে পারছেনা। কৃষকেরা জানায় এক সপ্তাহের মধ্যে সেচ দেয়া না হলে তারা বোরো রোপন করতে পারবেনা।

নেসকো’র ফুলবাড়ী আবাসিক প্রকৌশলী উজ্জল আলী বলেন, কৃষদের চাহিদা ও স্থানীয় সংসদ সদস্যর সুপারিশে নেসকো গভীর নলকূপে বিদ্যুৎ সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু দিনাজপুর পল্লী বিদুৎ সমিতি-২ কর্তৃপক্ষের বাধায় সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া যাচ্ছেনা।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে দিনাজপুর পল্লী বিদুৎ সমিতি-২ এর ভারপ্রাপ্ত মহা-ব্যবস্থাপক সোহেল রানা জানান, নলকূপগুলো পল্লী বিদ্যুতের এলাকায় হওয়ায়, সেখানে নেসকো বিদুৎ সংযোগ দিতে পারেনা। এই জন্য তিনি আপত্তি জানিয়েছেন। কিন্তু পল্লী বিদ্যুৎ কেন বিদ্যুৎ সংযোগ দিচ্ছেনা, এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ এর নীতিমালা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হবে, তবে এই মুর্হুতে পল্লী বিদুতের সংযোগ দেয়া সম্ভব নয়।

এই বিষয়ে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম চৌধুরীর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, কৃষকের বিষয়টি সামনে রেখে সরকারি বিধি মালায় বিষয়টি নিস্পত্তি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর