,



খোলা হলো পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক, চলছে বিপুল পরিমাণ টাকা গণনা

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক এবার তিন মাস ১৯ দিন পর খোলা হয়েছে। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদের ৮টি দান সিন্দুক খোলা হয়। সিন্দুক থেকে টাকা বস্তায় ভরা হয়। পরে শুরু হয় টাকা গণনার কাজ।

এর আগে সর্বশেষ গত ২৬ অক্টোবর দান সিন্দুক খোলা হয়েছিল। তখন রেকর্ড সর্বোচ্চ এক কোটি ৫০ লাখ ৮৪ হাজার ৫৯৮ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। বিপুল পরিমাণ দানের এই নগদ টাকা ছাড়াও বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রা ও দান হিসেবে বেশ কিছু স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া যায়।

এবারও দান সিন্দুকে কোটি টাকা বা তারও বেশি পরিমাণ দান পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া স্বর্ণালঙ্কার ও বিদেশী মুদ্রা রয়েছে।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় দান সিন্দুক খোলার পর টাকা প্রথমে বস্তায় ভরা হয়। পরে শুরু হয় টাকা গণনার কাজ। টাকা গণনা করার পর জানা যাবে, এবার কত টাকা সিন্দুকগুলোতে দান হিসেবে পাওয়া গেল।

টাকা গণনা কাজ তদারকি করছেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা মাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ও পাগলা মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ পারভেজ, সদস্য সাইফুল হক মোল্লা দুলু, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফজলে রাব্বি, মাহামুদুল হাসান, মো. উবায়দুর রহমান সাহেল ও শফিকুল ইসলাম, পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শওকত উদ্দিন ভূঞা প্রমুখ।

কমিটি সূত্র জানায়, ঐতিহাসিক কিশোরগঞ্জ পাগলা মসজিদের দানবাক্সের সিন্দুক খোলা হয়েছে। পাগলা মসজিদের টাকা গণনা চলছে। এবারও দান সিন্দুকে কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে পাগলা মসজিদে টাকা গণনার এই এলাহী কাণ্ড নিজ চোখে অবলোকন করতে শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ অনেকেই মসজিদে ছুটে যাচ্ছেন।

প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ মসজিদটির দানসিন্দুকগুলোতে নগদ টাকা-পয়সা ছাড়াও স্বর্ণালঙ্কার, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগীসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দান করেন। সাধারণত তিন মাস বা তার চেয়ে বেশি সময় পর দানসিন্দুক খোলা হয়।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর