,



ওয়েব সিরিজ নিয়ে আপাতত ভাবছি না

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ অন্য যেকোনো সময় হলে বিনোদন অঙ্গনের তারকাদের ব্যস্ততার অন্ত থাকত না। কিন্তু সময়টা এখন অন্য রকম। নভেল করোনাভাইরাসের কারণে বর্তমানে সব ধরনের শুটিং বন্ধ। কাজেই শোবিজ তারকাদের অনেকেই এখন ঘরে সময় কাটাচ্ছেন। বলা যায় অনেকটা গৃহবন্দি হয়ে আছেন। হালের নতুন মুখ জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। মিশন এক্সট্রিমের এ অভিনেত্রীর ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম কিছু ঘটেনি। এ সময় তিনি কীভাবে কাটাচ্ছেন, তার চলচ্চিত্রের কাজকর্মসহ নানা খুঁটিনাটি বিষয়ে টকিজের সঙ্গে কথা হয় ঐশীর। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন হাসান জামি এখন সময় কীভাবে কাটাচ্ছেন? এখন ঢাকায় আছি। পরিবারকে সময় দিচ্ছি এবং আমরা সবাই সুস্থ আছি। সব ধরনের শুটিং বন্ধের আগে আপনি আদম ছবির কাজ করছিলেন… ময়মনসিংহে এ ছবির কাজ করছিলাম। ছবির শুটিং প্রায় শেষ দিকে। ১৯ মার্চের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য নির্দেশনা আসে। আমরা ১৮ মার্চেই সবকিছু গুটিয়ে পুরো ইউনিট ঢাকায় চলে আসি। সম্প্রতি মিশন এক্সট্রিম ছবির ট্রেইলার প্রকাশ পেয়েছে। এ ছবিতে আপনার কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানতে চাই। এ ছবি নিয়ে আমার মিশ্র অভিজ্ঞতা। একই সঙ্গে আনন্দ ও ভয় দুটোই কাজ করেছে। এটি আমার প্রথম ছবি। এর আগে আমি ছোট পর্দায় কিংবা মঞ্চে কোথাও অভিনয় করিনি। প্রথম অভিনয়ের জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলাম। স্বাভাবিকভাবেই একটু ভয় কাজ করেছে। তবে এ ছবির সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। সবাই অনেক সহযোগিতা করেছেন। আমি সবার বেশ আদরের ছিলাম। ছবির কাজ করতে গিয়ে অনেক মজার ঘটনা ঘটে। মিশন এক্সট্রিমের কাজ চলাকালীন সে রকম কোনো ঘটনা পাঠকদের সঙ্গে শেয়ার করবেন কি? সত্যি বলতে ছবির জন্য আমাকে ডায়েট কন্ট্রোল করতে হয়নি। বরং আমার একটু বেশিই খাওয়া প্রয়োজন। এ ছবির কাজ করতে গিয়ে ফয়সাল ভাই বারবার বলছিলেন, ‘ঐশী প্লিজ একটু ওয়েট বাড়াও।’ শুভ ভাইও বার বার বলছিলেন, ‘পুট অন সাম ওয়েট’… তখন সবাই বলছিল, ‘ওজন বাড়াও।’ শুভ ভাই একপর্যায় দুষ্টামি করে বলছিলেন, ‘তুমি বাংলাদেশের প্রথম অভিনয় শিল্পী, যাকে বলা হচ্ছে ওজন বাড়াও।’ তাই অনেকটা বাধ্যতামূলক এ ছুটিতে নিজেকে ফিট রাখার দিকে নজর দিচ্ছি। আপনার অভিনীত রাত জাগা ফুল ছবিটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাই। এ ছবির শুটিং শেষ। দেশের বিভিন্ন জায়গায় শুটিং হয়েছে। এখন পোস্ট প্রডাকশনের কাজ চলছে। নতুন কোনো চলচ্চিত্রের কাজ হাতে আছে কি? না। ময়মনসিংহ থেকে ফেরার পর অনেক কাজ নিয়ে সবার সঙ্গে বসার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে মিটিংগুলো স্থগিত করা হচ্ছে। একটি ওয়েব সিরিজে আপনার কাজের কথা শোনা যাচ্ছিল… ঠিকই শুনেছেন। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের একটি ওয়েব সিরিজে কাজের কথা চলছিল। কিন্তু আমি খুব বেশি আগ্রহী হইনি। আপাতত ওয়েব সিরিজ নিয়ে খুব বেশি ভাবছি না। অভিনয় শুরুর পর দর্শকের কেমন সাড়া পাচ্ছেন? মিস ওয়ার্ল্ডের সময় থেকে দর্শকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমি চাইব, তারা যেন সবসময় আমার জন্য প্রার্থনা করেন। করোনাভাইরাস নিয়ে দর্শকের উদ্দেশে আপনার বার্তা… বিস্তারিত..

করোনার কারফিউ নিয়ে আয়ুষ্মানের কবিতা

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ করোনাভাইরাস মোকাবেলায় রোববার ভারতজুড়ে পালিত হয়েছে ‘জনতা কারফিউ’। সেদিন বিকাল ৫টায় করোনা মোকাবেলায় সক্রিয়ভাবে যারা কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের সম্মান জানাতে সবাইকে নিজ ঘরে বসে হাততালি দিতে বা ঘণ্টা-থালা বাজানোর অনুরোধ করা হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে।  জনতা কারফিউ ও ঘণ্টা বাজানোতে উৎসাহ নিয়ে অংশ নিয়েছেন বলিউডের তারকারা। করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যে জনতা কারফিউ পালন এবং ঘণ্টা বাজানোর ঘটনা আয়ুষ্মান খুরানাকে বাকরুদ্ধ করে দিয়েছে। এ অভিজ্ঞতা তাকে দিয়ে একটি কবিতাও লিখিয়ে নিয়েছে। ‘আজ মেরে পাস কোই শব্দ নেহি হ্যায় (আজ আমার কাছে কোনো শব্দ নেই)’ বাক্যটি দিয়ে শুরু হয়েছে আয়ুষ্মানের কবিতা। নিজের বাসার ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে কবিতাটি আবৃত্তি করে নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন তিনি। ভিডিওর শুরুতে আয়ুষ্মান বলেন, ‘ভদ্রমহোদয় ও ভদ্রমহোদয়ারা আজ বিকাল ৫টায় আমি যা দেখলাম, তা এক ঐতিহাসিক ঘটনা। আমি মনে করি এটা মানবিক বন্ধন, মানবিক উদ্দীপনার অসাধারণ এক উদাহরণ।’ এ বলে তিনি তার কবিতা আবৃত্তি শুরু করেন। কবিতার কয়েক লাইনের বাংলা অনুবাদ এমন— আজ আমার কাছে কোনো শব্দ নেই আজ আমার কাছে কোনো কবিতা নেই আজ শহরের দূষণ একিউআইয়ের হিসাবে পঞ্চাশ পশু-পাখিরা তাই আজ বেশ খোশমেজাজ সব চিকিৎসককে জানাই প্রণাম… আজ আমার কাছে কোনো শব্দ নেই। বিস্তারিত..