ঢাকা , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান দলীয় নেতাকর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন আইনমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে : নাহিদ ইসলাম তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে সরকার : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ দেশে ফিরে সংবর্ধনা পেল মিশর ফুটবল দল ‘তাফহীমুল কোরআন’ পোড়ানোর দায়ে গ্রেফতার মেহেদী কারাগারে আল-আকসার গ্র্যান্ড মুফতিকে আটক করল ইসরায়েল কিশোরীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড়, দায় স্বীকার মায়ের

দেশে আবাদি জমি কমেছে চার লাখ একর

দেশে আবাদি জমি কমছে আশঙ্কাজনকভাবে। ২০০৮ সালে আবাদি জমির পরিমাণ ছিল এক কোটি ৯০ লাখ ৯৭ হাজার একর। এর ঠিক ১১ বছর আগে ২০১৯ সালে দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার একর। গত ১১ বছরে আবাদি জমির পরিমাণ কমেছে চার লাখ ১৬ হাজার একর।

মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মিলনায়তনে ‘কৃষি শুমারি-২০১৯’ জরিপ প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. মতিয়ার রহমান।

জরিপের প্রকল্প পরিচালক আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, দেশে মোট আবাদি জমির পরিমাণ এক কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার একর। যার মধ্যে অস্থায়ী ফসলের জমির পরিমাণ এক কোটি ৬৪ লাখ ২৩ হাজার একর। স্থায়ী ফসলের জমির পরিমাণ ১৯ লাখ ৭০ হাজার একর। এ সময়ে কৃষি জমিতে ফসলের নিবিড়তা বেড়েছে। নিবিড়তা বৃদ্ধির ফলে ক্রমবর্ধমান খাদ্য জোগান বাড়ছে। অপরদিকে ২০০৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালের শুমারিতে আউশ ফসলের চাষের অধীন জমি কিছুটা কমেছে। একইভাবে আমন, বোরো, আলু, গম, ভুট্টা, পাট চাষেও জমির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

এদিকে, মাছ চাষের জমির পরিমাণ বেড়েছে। এরই মধ্যে ১২ লাখ ১২ হাজার ১০৭ একরে গেছে। তবে পুকুরে মাছ চাষের জমির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮১ হাজার একর।

২০১৮ সালের ১৪ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত এ জরিপ চালানো হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

দেশে আবাদি জমি কমেছে চার লাখ একর

আপডেট টাইম : ০৭:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২২

দেশে আবাদি জমি কমছে আশঙ্কাজনকভাবে। ২০০৮ সালে আবাদি জমির পরিমাণ ছিল এক কোটি ৯০ লাখ ৯৭ হাজার একর। এর ঠিক ১১ বছর আগে ২০১৯ সালে দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার একর। গত ১১ বছরে আবাদি জমির পরিমাণ কমেছে চার লাখ ১৬ হাজার একর।

মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মিলনায়তনে ‘কৃষি শুমারি-২০১৯’ জরিপ প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. মতিয়ার রহমান।

জরিপের প্রকল্প পরিচালক আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, দেশে মোট আবাদি জমির পরিমাণ এক কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার একর। যার মধ্যে অস্থায়ী ফসলের জমির পরিমাণ এক কোটি ৬৪ লাখ ২৩ হাজার একর। স্থায়ী ফসলের জমির পরিমাণ ১৯ লাখ ৭০ হাজার একর। এ সময়ে কৃষি জমিতে ফসলের নিবিড়তা বেড়েছে। নিবিড়তা বৃদ্ধির ফলে ক্রমবর্ধমান খাদ্য জোগান বাড়ছে। অপরদিকে ২০০৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালের শুমারিতে আউশ ফসলের চাষের অধীন জমি কিছুটা কমেছে। একইভাবে আমন, বোরো, আলু, গম, ভুট্টা, পাট চাষেও জমির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

এদিকে, মাছ চাষের জমির পরিমাণ বেড়েছে। এরই মধ্যে ১২ লাখ ১২ হাজার ১০৭ একরে গেছে। তবে পুকুরে মাছ চাষের জমির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮১ হাজার একর।

২০১৮ সালের ১৪ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত এ জরিপ চালানো হয়।