ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জিয়া শিশু একাডেমির আয়োজনে ‎‘শাপলাকুঁড়ি’র প্রাথমিক বাছাই শুরু প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য সরকারের : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ক্যানসার চিকিৎসায় ৩৬ কোটি অনুদান মেসির চুক্তিতে সেতু বিভাগের সচিব হলেন আবদুর রউফ নিউইয়র্কের পথে ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না, সিদ্ধান্ত স্পিকার ও ইসির : শিশির মনির ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ হতে পারে জাতিসংঘ সম্মেলনের সাইডলাইনে পাকিস্তান-চীনের নতুন সীমান্ত চুক্তিতে ভারত কেন ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর পৃথিবীর ইতিহাসে বিশেষ মুহূর্ত: মাহদী আমিন দুই মাসে এডিপি বাস্তবায়ন ২ শতাংশেরও নিচে

ভবিষ্যতে রাজনীতি করবেন না বলে আওয়ামী লীগের পদ ছাড়লেন ইউপি চেয়ারম্যান

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজি ছাবের আহমদ দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি নিয়ে ভবিষ্যতে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত না থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি হলফনামা দিয়েছেন।

হলফনামায় ছাবের আহমদ উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করছিলেন, যা জেলা নেতারা তাকে দিয়েছিলেন। তবে তিনি কখনো সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন না বলে দাবি করেন।

তিনি বলেন, শারীরিক অসুস্থতা ও মানসিক ক্লান্তির কারণে দলীয় দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এ বিষয়ে একাধিকবার জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের অবহিত করলেও কোনো সাড়া পাননি। এ অবস্থায় তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

হলফনামায় তিনি ঘোষণা দেন, ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ বা এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রম, সভা-সমাবেশ কিংবা সাংগঠনিক পদে তিনি যুক্ত থাকবেন না। এই সিদ্ধান্ত তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে এবং কোনো ধরনের চাপ ছাড়াই নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।

গত ২৫ মার্চ চট্টগ্রাম আদালত ভবনের নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে হলফনামাটি সম্পাদন করা হয় (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ২-৩৮-২০২৬)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম জজ কোর্টের আইনজীবী এস এম আনোয়ার চৌধুরী।

হলফনামায় সাক্ষী হিসেবে ছিলেন চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের আব্দুর রহমান ও আমির হোসেন আমু।

ছাবের আহমদ বলেন, আমি কখনো সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না, এমনকি মিছিল-মিটিংয়েও অংশ নেইনি। অতীতে কিছু নেতার অনুরোধে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি।

নৌকা প্রতীক ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে একাধিকবার বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। কমিটি ভেঙে দেওয়ার বিষয়টি বারবার জানালেও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করেছি। এখন থেকে আমি কোনো দলের সঙ্গে জড়িত নই।

এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিয়েছে। অনেক আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এই সিদ্ধান্তকে সুবিধাবাদী হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জিয়া শিশু একাডেমির আয়োজনে ‎‘শাপলাকুঁড়ি’র প্রাথমিক বাছাই শুরু

ভবিষ্যতে রাজনীতি করবেন না বলে আওয়ামী লীগের পদ ছাড়লেন ইউপি চেয়ারম্যান

আপডেট টাইম : ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজি ছাবের আহমদ দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি নিয়ে ভবিষ্যতে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত না থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি হলফনামা দিয়েছেন।

হলফনামায় ছাবের আহমদ উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করছিলেন, যা জেলা নেতারা তাকে দিয়েছিলেন। তবে তিনি কখনো সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন না বলে দাবি করেন।

তিনি বলেন, শারীরিক অসুস্থতা ও মানসিক ক্লান্তির কারণে দলীয় দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এ বিষয়ে একাধিকবার জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের অবহিত করলেও কোনো সাড়া পাননি। এ অবস্থায় তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

হলফনামায় তিনি ঘোষণা দেন, ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ বা এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রম, সভা-সমাবেশ কিংবা সাংগঠনিক পদে তিনি যুক্ত থাকবেন না। এই সিদ্ধান্ত তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে এবং কোনো ধরনের চাপ ছাড়াই নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।

গত ২৫ মার্চ চট্টগ্রাম আদালত ভবনের নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে হলফনামাটি সম্পাদন করা হয় (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ২-৩৮-২০২৬)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম জজ কোর্টের আইনজীবী এস এম আনোয়ার চৌধুরী।

হলফনামায় সাক্ষী হিসেবে ছিলেন চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের আব্দুর রহমান ও আমির হোসেন আমু।

ছাবের আহমদ বলেন, আমি কখনো সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না, এমনকি মিছিল-মিটিংয়েও অংশ নেইনি। অতীতে কিছু নেতার অনুরোধে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি।

নৌকা প্রতীক ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে একাধিকবার বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। কমিটি ভেঙে দেওয়ার বিষয়টি বারবার জানালেও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করেছি। এখন থেকে আমি কোনো দলের সঙ্গে জড়িত নই।

এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিয়েছে। অনেক আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এই সিদ্ধান্তকে সুবিধাবাদী হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।