শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, “আগের নগর বিধিমালার কিছু আইনের কারণে আবাসন বা ফ্ল্যাটের কাজ এগোচ্ছে না। বিশেষ করে ‘ফার’ (ফ্লোর এরিয়া রেশিও) নিয়মের জটিলতার কারণে ল্যান্ড ডেভেলপাররা হাউজিং করতে পারছেন না।
শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, ‘রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্ল্যান বা নকশা অনুমোদনের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মেয়াদ ও বাজেট বাড়ানোর যে প্রবণতা রয়েছে, সেটি আর করতে দেওয়া হবে না।’
তিনি বলেন, ‘ভোগান্তি কমাতে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন সচিব মহোদয়। মন্ত্রী ও রাজউক চেয়ারম্যান এতে সম্মতি জানিয়েছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘বিগত দিনে মানুষের যে ভোগান্তি হয়েছে, এই সরকার তা হতে দেবে না।
জবাবদিহি নিশ্চিতে কঠোর কমিটি
প্রকল্পের কাজ নিয়ে গাফিলতি ও ঠিকাদারদের বাজেট ও মেয়াদ বাড়ানোর পাঁয়তারা প্রসঙ্গে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই সংসদীয় স্থায়ী কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রতিটি প্রকল্প পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করে এর যৌক্তিকতা যাচাই করব। কোনো ধরনের অস্বচ্ছতা বা দুর্নীতি পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আর কোনোভাবেই অযথা মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ পাবে না।’
শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যেভাবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে কাজ করতে চান, আমরা কর্মকর্তাদের সেভাবেই নির্দেশনা দিয়েছি।’
অপরিকল্পিত নগরায়ন রোধ
অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা ভবনগুলোর বিষয়ে শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, ‘অপরিকল্পিত নগরায়ন বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে যারা নিয়ম মেনে ভবন নির্মাণ করেছেন কিন্তু প্ল্যান পাস করেননি, তাদের রাজউকের বিধিমোতাবেক নির্দিষ্ট জরিমানা বা সাজা দিয়ে বৈধ করে দেওয়ার বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে।’

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 
























