তাপের দহন, বন্যার বিস্তার আর সমুদ্রের ক্রমাগত আগ্রাসন— জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমুখী অভিঘাতে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে এশিয়া। আর ভৌগোলিক অবস্থান, নিচু বদ্বীপভূমি, দীর্ঘ উপকূল ও বিপুল জনসংখ্যার কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ। তাপপ্রবাহ, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের পাশাপাশি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, কৃষির ক্ষতি, খাদ্য ও পানির নিরাপত্তাহীনতা এবং মানুষের বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে।
এই বাস্তবতার মধ্যেই বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকির কথা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি মোকাবিলা বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে তিনি বক্তব্য দেবেন। একই দিনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কেও বাংলাদেশের হয়ে প্রথমবারের মতো ভাষণ দেবেন তিনি।
জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত বাংলাদেশের জন্য কতটা গভীর হতে পারে, তারই বাস্তব চিত্র উঠে আসছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গবেষণা ও মূল্যায়নে। তাপপ্রবাহ, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, উপকূলীয় লবণাক্ততা, কৃষির ক্ষতি, পানি সংকট এবং জলবায়ুজনিত অভ্যন্তরীণ অভিবাসন— সবগুলো ঝুঁকি একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দেশের ওপর বড় ধরনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।
কেন এত ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
বাংলাদেশের জন্য জলবায়ু সংকট কোনো একক দুর্যোগের বিষয় নয়। নদীমাতৃক ভূপ্রকৃতি, নিচু বদ্বীপভূমি, উপকূলীয় বিস্তীর্ণ এলাকা এবং ঘনবসতি— সব মিলিয়ে একই সময়ে একাধিক জলবায়ু অভিঘাত মোকাবিলা করতে হতে পারে দেশটিকে।
এই ঝুঁকির মাত্রা বোঝা যায় দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক পরিস্থিতি থেকেও। বিশ্বব্যাংকের ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ৪৬ শতাংশ মানুষ অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শে রয়েছে। বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে এ অঞ্চলের প্রায় ৮৯ শতাংশ মানুষ— প্রায় ১৮০ কোটি— অতিরিক্ত তাপের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।
একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ৪০ কোটি ২০ লাখ মানুষ বন্যার সংস্পর্শে রয়েছেন। ২০৩০ সালের মধ্যে গড়ে ১৫ সেন্টিমিটারের বেশি গভীরতার বন্যার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন প্রায় ৪৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ।
বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে এর প্রভাব আরও ব্যাপক হতে পারে। অতিরিক্ত তাপ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ানোর পাশাপাশি বাইরে কাজ করা শ্রমিকদের কর্মক্ষমতা কমাতে পারে। বাড়তে পারে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ও বিদ্যুতের চাহিদাও।
বন্যায় অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা
আইপিসিসির ষষ্ঠ মূল্যায়ন প্রতিবেদনের এশিয়া অধ্যায়ে বলা হয়েছে, উষ্ণতা বৃদ্ধির সঙ্গে এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহের ঝুঁকি বাড়ছে। দক্ষিণ এশিয়ায় ভবিষ্যতে চরম বৃষ্টিপাত ও বন্যার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে অতিবৃষ্টি ও চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশের জন্য এ ঝুঁকি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নদী, বৃষ্টিপাত ও মৌসুমি বন্যার সঙ্গে দেশের কৃষি ও অর্থনীতি নিবিড়ভাবে যুক্ত।
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের জলবায়ু ও উন্নয়নবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি ভয়াবহ বন্যার ঘটনায় দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। অর্থাৎ জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত শুধু পরিবেশের ক্ষতি করবে না, সরাসরি আঘাত করতে পারে জাতীয় অর্থনীতিতেও।
সমুদ্রের আগ্রাসনে বিপন্ন উপকূল
বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সবচেয়ে বড় ঝুঁকিগুলোর একটি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি। আইপিসিসির ষষ্ঠ মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এশিয়ার উপকূলগুলোতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। এর ফলে নিচু উপকূলীয় এলাকায় উপকূলীয় বন্যার ঝুঁকি বাড়বে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও ভূমির নিম্নগমন একসঙ্গে কাজ করে এশিয়ার বদ্বীপ অঞ্চলে বন্যার ঝুঁকি আরও বাড়াতে পারে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এর সঙ্গে যুক্ত হবে লবণাক্ততা। উপকূলীয় প্লাবন বাড়লে কৃষি উৎপাদন, মিঠাপানির সরবরাহ ও উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্রের ওপর চাপ বাড়তে পারে।
কৃষিতে বড় ধাক্কা
জলবায়ু পরিবর্তনের বড় অর্থনৈতিক অভিঘাত পড়তে পারে কৃষিতে। অতিরিক্ত তাপ, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, বন্যা, খরা ও লবণাক্ততা ফসল উৎপাদনে চাপ তৈরি করবে। বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের জলবায়ু ও উন্নয়নবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন ও চরম আবহাওয়ার কারণে বাংলাদেশের কৃষি খাতের জিডিপির এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। কৃষির এই ক্ষতি শুধু কৃষকের আয় কমাবে না। এর প্রভাব পড়বে খাদ্যের দাম, গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে।
পানি নিয়েও বাড়বে চাপ
জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে বাংলাদেশের পানি নিরাপত্তার প্রশ্নটিও আরও জটিল হতে পারে। উপকূলে লবণাক্ততা বাড়লে মিঠাপানির উৎসের ওপর চাপ তৈরি হবে। আবার অতিবৃষ্টি ও দীর্ঘ শুষ্ক সময়— দুই ধরনের চরম পরিস্থিতিই পানি ব্যবস্থাপনায় সমস্যা তৈরি করতে পারে।
আইপিসিসির এশিয়া অধ্যায়ে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পানির প্রাপ্যতা, পানি নিরাপত্তা ও পানিনির্ভর জীবিকার ওপর ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ভবিষ্যতে বন্যা ও খরার ঝুঁকি একই সঙ্গে বাড়তে পারে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নদী, ভূগর্ভস্থ পানি, কৃষি ও উপকূলীয় মিঠাপানির সংকটকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই।
২০৫০ সালে ১ কোটি ৩৩ লাখ জলবায়ু অভিবাসী
জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় সামাজিক অভিঘাত হতে পারে মানুষের স্থানান্তর। বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের জলবায়ু ও উন্নয়নবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আগামী ৩০ বছরে বাংলাদেশে ‘১ কোটি ৩৩ লাখ মানুষ’ অভ্যন্তরীণ জলবায়ু অভিবাসী হতে পারেন। কৃষি ও জীবিকার ক্ষতি, পানির সংকট এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এর অর্থ, জলবায়ু সংকটের চাপ শুধু উপকূল বা গ্রামাঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে না। জীবিকা হারানো মানুষ কাজ ও নিরাপদ বসতির সন্ধানে শহরের দিকে গেলে ঢাকা ও অন্যান্য নগরের আবাসন, পানি, পয়োনিষ্কাশন, স্বাস্থ্য, পরিবহন ও কর্মসংস্থানের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়ে বছরে ১০০ কোটি ডলারের ক্ষতি
বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকিতে রয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়লে ঘূর্ণিঝড়ের জলোচ্ছ্বাসের ক্ষতির মাত্রাও বাড়তে পারে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, বাংলাদেশে গড়ে প্রতিবছর ঘূর্ণিঝড়ের কারণে প্রায় ‘১০০ কোটি ডলার’ অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে উপকূলীয় বন্যার ঝুঁকি বাড়ার কথা বলেছে আইপিসিসিও। বাংলাদেশসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশের বিপুলসংখ্যক উপকূলীয় মানুষ এ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
দরিদ্ররাই পড়বেন সবচেয়ে বেশি বিপদে
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি সবার জন্য সমান নয়। যাদের আয় কম, সম্পদ কম এবং দুর্যোগের পর নতুন করে জীবন শুরু করার সক্ষমতা কম— তারাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু অভিঘাত মোকাবিলায় পরিবার ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বাড়তে থাকা চাপের কথাও বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
তাই জলবায়ু অভিযোজনকে শুধু বাঁধ, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র বা অবকাঠামো নির্মাণের বিষয় হিসেবে দেখলে চলবে না। এর সঙ্গে সামাজিক সুরক্ষা, কর্মসংস্থান, কৃষি ও নগর পরিকল্পনাকেও যুক্ত করতে হবে।
নিউইয়র্কে বাংলাদেশের জলবায়ু বার্তা
নিউইয়র্কে ২৩ সেপ্টেম্বর জলবায়ু কার্যক্রম ও ন্যায্য রূপান্তর নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক এবং ২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির অস্তিত্বগত হুমকি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের জন্য এসব আলোচনার গুরুত্ব বিশেষ। কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় দেশের প্রয়োজন শুধু নিজস্ব অভিযোজন সক্ষমতা বাড়ানো নয়; প্রয়োজন আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তি সহায়তা, ক্ষয়ক্ষতির ন্যায্য স্বীকৃতি এবং ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘের মঞ্চে জলবায়ু ঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরার তাৎপর্য এখানেই। তার ২৪ সেপ্টেম্বরের বক্তব্যে বাংলাদেশের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দাবিগুলো আন্তর্জাতিক আলোচনায় আরও দৃশ্যমান হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। তার সামগ্রিক জাতিসংঘ ভাষণেও জলবায়ু ঝুঁকি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুগুলোর একটি হিসাবে উঠে আসবে বলে সরকারি সূত্র জানিয়েছে।
খলিলুরের অগ্রাধিকারে জলবায়ু সহনশীলতা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের ঘোষিত ছয়টি অগ্রাধিকারের একটি হলো জলবায়ু সহনশীলতা ও পরিবেশগত স্থায়িত্ব। তার কার্যালয়ের ঘোষিত অগ্রাধিকারে জলবায়ু সহনশীলতাকে জাতিসংঘের বিভিন্ন আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া, প্যারিস চুক্তির অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সংলাপ এগিয়ে নেওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলার ব্যবস্থা কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।
ফলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যখন জলবায়ু ঝুঁকির কথা বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরবেন এবং একই সময়ে বাংলাদেশের একজন নাগরিক জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন, তখন বাংলাদেশের জলবায়ু বাস্তবতা আন্তর্জাতিক আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে।
জলবায়ু সংকট এখন আর শুধু পরিবেশের বিষয় নয়
বাংলাদেশের জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের অর্থ এখন আর শুধু বন্যা বা ঘূর্ণিঝড় নয়। এটি খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্ন, পানির প্রশ্ন, কৃষকের জীবিকার প্রশ্ন, শহরে মানুষের ঢল নামার প্রশ্ন এবং জাতীয় অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার প্রশ্ন। বিশ্বব্যাংক ও আইপিসিসির মূল্যায়ন থেকে যে চিত্র পাওয়া যাচ্ছে, তাতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব একটির সঙ্গে আরেকটি জড়িয়ে আরও বড় সংকট তৈরি করতে পারে— তাপ বাড়বে, বন্যার ঝুঁকি বাড়বে, উপকূলে সমুদ্রের চাপ বাড়বে, কৃষি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং মানুষ জীবিকার সন্ধানে স্থানান্তরিত হবে।
এই বাস্তবতার কথাই ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশের উপকূল থেকে শহরের প্রান্তিক মানুষের জীবন—জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত যে এখনই বাস্তব, সেই বার্তার সঙ্গে যুক্ত থাকবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও ন্যায়সংগত জলবায়ু ব্যবস্থার দাবি।
কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের ঘড়ি ভবিষ্যতের কোনো এক সময়ের জন্য অপেক্ষা করছে না। এর কাঁটা ইতোমধ্যেই ঘুরছে বাংলাদেশের উপকূল, নদীভাঙন প্রবণ এলাকা, কৃষিজমি এবং শহরের প্রান্তিক মানুষের জীবনে।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 
























