ঢাকা , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা লং মার্চ বন্ধ করে সংলাপে বসার আহ্বান শাহবাজ শরীফের শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার : এলজিআরডি মন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এক বছরের মধ্যে লক্ষ্য ৫ হাজার মেগাওয়াট ফ্যামিলি কার্ডের সঠিক ব্যবহারে দারিদ্র্যমুক্ত হতে পারে সাড়ে ২৮ লাখ মানুষ: বিশ্বব্যাংক শিক্ষার্থীরাই যার সন্তান, কল্যাণী তাদের স্বপ্নসারথি ভিকির পুলসিরাতে মেহজাবীন এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনতে বুধবার চুক্তি সই শিগগির ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি, আলোচনায় যারা ৩০ ব্যাংকের কার্ড-এটিএমসহ বিভিন্ন সেবা বন্ধ, কিউ-ক্যাশ কর্তৃপক্ষকে তলব

আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই: ডেপুটি স্পিকার

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। তিনি বলেছেন, দলটির নেতাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ আলাদা বিষয় হলেও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে জনগণের ওপর সহিংসতা চালানোর সঙ্গে জড়িতদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর সমাপনী দিনের একটি অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

কায়সার কামাল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও অঙ্গসংগঠন ব্যবহার করে জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালিয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। এই বিচার শুধু শাস্তি দেওয়ার জন্য নয়, ভবিষ্যতে যাতে কেউ বাংলাদেশে আবার কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সাহস না পায়, সেই দৃষ্টান্ত তৈরির জন্যও প্রয়োজন।’

বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাদের প্রসঙ্গে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘তাদের অনেকে এখনো কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করছেন না। তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে। রাজনৈতিক পুনর্মিলনের নামে তাদের দায়মুক্তি দেওয়ার সুযোগ থাকা উচিত নয়।’

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের গত দেড় দশকে বিচারব্যবস্থা কর্তৃত্ববাদী সরকারের প্রভাবের মধ্যে ছিল। বর্তমানে জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকায় বিচারব্যবস্থা ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে দেশে একটি ন্যায়সংগত ও স্বাধীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে টেকসই করতে শক্তিশালী ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন কায়সার কামাল। ‘সরকারের বৈধতা ও জনগণের আস্থা নির্ভর করে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসনের ওপর।’

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন ডেপুটি স্পিকার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা

আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই: ডেপুটি স্পিকার

আপডেট টাইম : ০৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। তিনি বলেছেন, দলটির নেতাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ আলাদা বিষয় হলেও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে জনগণের ওপর সহিংসতা চালানোর সঙ্গে জড়িতদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর সমাপনী দিনের একটি অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

কায়সার কামাল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও অঙ্গসংগঠন ব্যবহার করে জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালিয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। এই বিচার শুধু শাস্তি দেওয়ার জন্য নয়, ভবিষ্যতে যাতে কেউ বাংলাদেশে আবার কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সাহস না পায়, সেই দৃষ্টান্ত তৈরির জন্যও প্রয়োজন।’

বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাদের প্রসঙ্গে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘তাদের অনেকে এখনো কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করছেন না। তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে। রাজনৈতিক পুনর্মিলনের নামে তাদের দায়মুক্তি দেওয়ার সুযোগ থাকা উচিত নয়।’

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের গত দেড় দশকে বিচারব্যবস্থা কর্তৃত্ববাদী সরকারের প্রভাবের মধ্যে ছিল। বর্তমানে জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকায় বিচারব্যবস্থা ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে দেশে একটি ন্যায়সংগত ও স্বাধীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে টেকসই করতে শক্তিশালী ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন কায়সার কামাল। ‘সরকারের বৈধতা ও জনগণের আস্থা নির্ভর করে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসনের ওপর।’

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন ডেপুটি স্পিকার।