ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তায়েফের বুকে যে মসজিদ মুসলিমদের জন্য এক টুকরো সান্ত্বনা পে স্কেলে বদলাচ্ছে ইনক্রিমেন্ট নীতি, কোন গ্রেডে কত শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগ অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে জোবায়েদকে হত্যা, তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বাংলাদেশি সমর্থকদের স্কালোনির ধন্যবাদ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান ‘মত পার্থক্য থাকতে পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়’ শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষিতে ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে আইফার্মারের সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

ছুটিতে ঘুরে আসুন তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকত

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ভোলা সদর থেকে ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণে প্রায় দেড়শ বছর আগে বঙ্গোপোসাগরের মোহনায় জেগে উঠেছে ঢাল চর। ঢাল চরের পাশে তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকতটি অবস্থিত।

তাড়ুয়া সৈকতে যেতে হয় ঢাল চর থেকে ট্রলারে চড়ে। ঢাল চর থেকে ট্রলারে তাড়ুয়া সৈকতে পৌঁছাতে সময় লাগে দেড় ঘন্টা। তাড়ুয়ার চারপাশে রয়েছে বিচ্ছিন্ন ম্যানগ্রোভ বন। এছাড়া এখানে রয়েছে শত শত কেওড়ার বাগান।

এই সৈকত থেকে উপভোগ করতে পারবেন সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত। দেখতে পাবেন লাল কাঁকড়ার বিচরণ।

তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকতের পাশে রয়েছে তাড়ুয়া বন। বনের ভেতর রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির সারি সারি গাছ। রয়েছে খোলা মাঠ। এখানে রয়েছে শিয়াল, হরিণ, সাপ, গুইসাপ, বন বিড়াল ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। এখানে থাকার কোন ব্যভস্থা নেই। সকালে গিয়ে সূর্যাস্তের সাথেই সাথেই চলে আসতে হবে ঢাল চরে। ঢাল চরে থাকার ভালো ব্যবস্থা না হলেও ব্যাক্তি উদ্যোগে ছোট পরিসরে কিছু কিছু হোটেল গড়ে উঠেছে। এখানে আগে থেকে বুকিং দিলে কম খরচে আপনি থাকতে পারবেন।  এছাড়া কম খরছে সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছের স্বাদ নিতে পারবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ছুটিতে ঘুরে আসুন তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকত

আপডেট টাইম : ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ভোলা সদর থেকে ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণে প্রায় দেড়শ বছর আগে বঙ্গোপোসাগরের মোহনায় জেগে উঠেছে ঢাল চর। ঢাল চরের পাশে তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকতটি অবস্থিত।

তাড়ুয়া সৈকতে যেতে হয় ঢাল চর থেকে ট্রলারে চড়ে। ঢাল চর থেকে ট্রলারে তাড়ুয়া সৈকতে পৌঁছাতে সময় লাগে দেড় ঘন্টা। তাড়ুয়ার চারপাশে রয়েছে বিচ্ছিন্ন ম্যানগ্রোভ বন। এছাড়া এখানে রয়েছে শত শত কেওড়ার বাগান।

এই সৈকত থেকে উপভোগ করতে পারবেন সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত। দেখতে পাবেন লাল কাঁকড়ার বিচরণ।

তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকতের পাশে রয়েছে তাড়ুয়া বন। বনের ভেতর রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির সারি সারি গাছ। রয়েছে খোলা মাঠ। এখানে রয়েছে শিয়াল, হরিণ, সাপ, গুইসাপ, বন বিড়াল ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। এখানে থাকার কোন ব্যভস্থা নেই। সকালে গিয়ে সূর্যাস্তের সাথেই সাথেই চলে আসতে হবে ঢাল চরে। ঢাল চরে থাকার ভালো ব্যবস্থা না হলেও ব্যাক্তি উদ্যোগে ছোট পরিসরে কিছু কিছু হোটেল গড়ে উঠেছে। এখানে আগে থেকে বুকিং দিলে কম খরচে আপনি থাকতে পারবেন।  এছাড়া কম খরছে সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছের স্বাদ নিতে পারবেন।