ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাড়ছে ইরানি হামলার তীব্রতা, অবিলম্বে নাগরিকদের ইসরায়েল ছাড়তে বললো চীন প্রধানমন্ত্রী দেশকে তাঁর পিতার মতোই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন : ভূমিমন্ত্রী ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় মেসি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে কিশোরকে কুপিয়ে হত্যা ঈদের ছুটি শেষে অফিস শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী এক-এগারোর সময়ের আলোচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার জাতীয় পতাকা বিধি যথাযথভাবে প্রতিপালনের নির্দেশনা জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক আজ বর্ণবাদ নির্মূলে বৈশ্বিক ঐক্যের আহ্বান জানালো বাংলাদেশ ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কুশল বিনিময়

রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর নির্যাতন, মানবাধিকার সংগঠনগুলো নিশ্চুপ কেন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করীম মিয়ানমারের বিপদগ্রস্ত রোহিঙ্গা জনগণের পাশে দাড়িয়ে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

তিনি প্রশ্ন রাখেন- রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর নির্যাতনের বিষয়ে জাতিসংঘ, ওআইসি, আরব লীগসহ মানবাধিকার সংগঠনগুলো নিশ্চুপ কেন? তিনি মুসলমানদের


স্বার্থ রক্ষায় মুসলিম জাতিসংঘ গঠনের পক্ষে মত দেন।

প্রতিবেশী দেশ হিসেবে এসব নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা করতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, আপনারা যদি শরণার্থীর চাপ সামলাতে ভয় পান, তাহলে এদেশের মানবতাবাদী মানুষের সহায়তায় এসব শরণার্থীর ভরণপোষণের ব্যবস্থা করতে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত।

আগামী ৫ ডিসেম্বর মিয়ানমার দূতাবাস অভিমুখে মিছিলে যোগ দিতে সকাল ১০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে উপস্থিত হতে সকলের প্রতি আহবান জানান তিনি। ঐতিহাসিক চরমোনাইর বার্ষিক মাহফিলের ২য় দিন রবিবার অনুষ্ঠিত ওলামা-মাশায়েখ সুধী সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে পীর সাহেব চরমোনাই এসব কথা বলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়ছে ইরানি হামলার তীব্রতা, অবিলম্বে নাগরিকদের ইসরায়েল ছাড়তে বললো চীন

রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর নির্যাতন, মানবাধিকার সংগঠনগুলো নিশ্চুপ কেন

আপডেট টাইম : ০৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৬

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করীম মিয়ানমারের বিপদগ্রস্ত রোহিঙ্গা জনগণের পাশে দাড়িয়ে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

তিনি প্রশ্ন রাখেন- রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর নির্যাতনের বিষয়ে জাতিসংঘ, ওআইসি, আরব লীগসহ মানবাধিকার সংগঠনগুলো নিশ্চুপ কেন? তিনি মুসলমানদের


স্বার্থ রক্ষায় মুসলিম জাতিসংঘ গঠনের পক্ষে মত দেন।

প্রতিবেশী দেশ হিসেবে এসব নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা করতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, আপনারা যদি শরণার্থীর চাপ সামলাতে ভয় পান, তাহলে এদেশের মানবতাবাদী মানুষের সহায়তায় এসব শরণার্থীর ভরণপোষণের ব্যবস্থা করতে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত।

আগামী ৫ ডিসেম্বর মিয়ানমার দূতাবাস অভিমুখে মিছিলে যোগ দিতে সকাল ১০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে উপস্থিত হতে সকলের প্রতি আহবান জানান তিনি। ঐতিহাসিক চরমোনাইর বার্ষিক মাহফিলের ২য় দিন রবিবার অনুষ্ঠিত ওলামা-মাশায়েখ সুধী সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে পীর সাহেব চরমোনাই এসব কথা বলেন।