,



বৃষ্টি আর উজানের ঢলে টাঙ্গাইলের সব কটি নদীর পানি বৃদ্ধি , অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ বৃষ্টি আর উজানের ঢলে টাঙ্গাইলের সব কটি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে যমুনা, ঝিনাই ও ধলেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৯টায় যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার, ধলেশ্বরী নদীর পানি ৪৩ সেন্টিমিটার এবং ঝিনাই নদীর পানি ২১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

টাঙ্গাইলে সব নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সদর, ভূঞাপুর, কালিহাতী, গোপালপুর ও নাগরপুর উপজেলার নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া, হুগড়া, কাতুলী, মামুদনগর, ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা, অর্জুনা, গোবিন্দাসী, নিকরাইল, কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর, গোহালিয়াবাড়ি, সল্লা, দশকিয়া, গোপালপুর উপজেলার হেমনগর, নগদাশিমলা, ঝাউয়াইল ও নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ, ভাড়রা, মোকনা, পাকুটিয়া ইউনিয়নের অর্ধশত গ্রাম সম্পূর্ণ ও শতাধিক গ্রাম আংশিক প্লাবিত হয়েছে। বন্যা কবলিত ও চরাঞ্চলের মানুষ তাদের বাড়িঘর নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ৩০ হাজার পরিবার ইতোমধ্যে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

Flood

একাধিক ইউপি চেয়ারম্যান জানান, নদীতে পানি বেড়ে নিম্ন ও চরাঞ্চলের মানুষ বন্যা কবলিত হয়ে পড়লেও সরকারি কোনো ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। নিজেরা ব্যক্তি উদ্যোগে অতি দরিদ্রদেরকে যতটা পারছেন সহযোগিতা করছেন।

যাইমেন কোনটে, সউগটে পানি আর পানি'

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ক্রমাগত বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে টাঙ্গাইলের যমুনা, পুংলী, ঝিনাই, বংশাই ও ধলেশ্বরী নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে যমুনা, ধলেশ্বরী ও ঝিনাই নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমলে তীব্র ভাঙন দেখা দিতে পারে। নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙন কবলিত এলাকাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভাঙন রোধে পাউবো কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর