,



মেহগনি বাগানে ৪০টি গোখরা সাপের বাচ্চা অবমুক্ত করলো বনবিভাগ

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ ঝিনাইদহের শৈলকুপায় উদ্ধারকৃত ৪০টি বিষধর গোখরা সাপের বাচ্চা স্থানীয় একটি মেহগনি বাগানে অবমুক্ত করেছে বনবিভাগ। এতে ওই এলাকার মানুষ আতঙ্কে আছেন।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২জুলাই) শৈলকুপার ৬নং সারুটিয়া ইউনিয়নের মৌকুড়ী গ্রামে একটি খালের ধার থেকে কেসমত শেখ নামের এক ব্যক্তি মাটি খুঁড়ে একটি বড় বিষধর গোখরাসহ ৭০টি সাপের বাচ্চা উদ্ধার করেন। পরে তিনি সাপগুলো নিজের কাছেই রাখেন। কিন্তু এর মধ্যে মারা যায় ৩০টি বাচ্চা।

সোমবার (৬ জুলাই) স্থানীয়দের মাধ্যমে বনবিভাগ এ খবর পেয়ে বনবিভাগের শৈলকুপা শাখার এমএলএসএস আয়ুব হোসেন কেসমত শেখের কাছ থেকে সাপগুলো উদ্ধার করে ওই এলাকার একটি মেহগনি বাগানে ছেড়ে দিয়ে আসেন। এতে আতঙ্কে আছেন ওই এলাকার মানুষ। তাদের মধ্যে ক্ষোভও বিরাজ করছে।

রাজিয়া খাতুন জানান, গ্রামের মাঠের একটি মেহগনি বাগানে ৪০টি বিষধর সাপের বাচ্চা ছেড়ে দেয়ার পর থেকে তার কোনো সন্তান ভয়ে বের হচ্ছে না। তিনি তার সন্তান দের নিয়ে আতঙ্কে আছেন।

Jhenaidah-Snake
উপজেলার ৬নং সারুটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মামুন জানান, তার ইউনিয়নে বিষধর সাপ অবমুক্ত করার মতো কোনো যায়গা নেই। এলাকাবাসীর সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে ৪০টি বিষধর সাপ ছেড়ে দেয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ ধরনের কাজ করার আগে অন্ততপক্ষে তার সঙ্গে আলোচনার দরকার ছিল বলেও জানান তিনি।

শৈলকুপা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম জানান, তাদের কর্মচারী আয়ুব হোসেন সোমবার সকালে শৈলকুপার মৌকুড়ী গ্রামের মাঠের একটি মেহগনি বাগানে ৪০টি গোখরা সাপের বাচ্চা অবমুক্ত করেছেন।

বন বিভাগের নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া বিষধর সাপ অবমুক্ত করার কোনো নিয়ম আছে কিনা এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাঠে, জলাশয়ের পাশে ও খালের ধারে সাপ অবমুক্ত করার নিয়ম রয়েছে তাদের।

শৈলকুপা বন বিভাগের এমএলএসএস আয়ুব হোসেন জানান, ‘তার স্যার তাকে উদ্ধার হওয়া ওই ৪০টি গোখরা সাপের বাচ্চা অবমুক্তের নির্দেশ দেয়ায় তিনি তা পালন করেছেন।’

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর