,



অনুদানের হলেও এটা দিয়েই কর্মাশিয়ালি ফাইট করবো

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ চা বাগানের শ্রমিকদের সার্বিক দিনযাপন নিয়ে নির্মিত হচ্ছে সিনেমা ‘ছায়াবৃক্ষ’। সরকারি অনুদানের এই সিনেমাতে প্রথমবারের মত জুটি বেঁধেছেন চিত্রনায়ক নিরব ও চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। অনুমপম কথাচিত্রের ব্যানারে নির্মিত ছবিটি পরিচালনা করছেন বন্ধন বিশ্বাস।

চলতি মাসের শুরুর থেকে ঢাকার অদূরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার কোদালা চা-বাগানে ছবিটির ক্যামেরা অন হয়। টানা ২০ দিনের মত শুটিং করার পরিকল্পনা থাকলেও মাঝপথেই শুটিং বন্ধ করে ঢাকায় ফেরেন ছবির পুরো টিম। ৬০ ভাগ কাজ শেষ হলেও গানসহ সেখানে বেশকিছু অংশের শুট বাকি রয়েছে বলেই জানা যায়।

শুটিং বন্ধ রাখার প্রসঙ্গে ছবিটির সহপ্রযোজক অনুপম কথাচিত্রের কর্ণধার অনুপ কুমার বড়ুয়া বলেন, আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে শুটিং স্থগিত করিনি। আমাদের শুটিংকালীন সময়ে হঠাৎ চা–বাগানে অডিট শুরু হয়। যারা চা বাগানের সম্পর্কে আইডিয়া রাখেন তারা জানেন যে, সেখানে অডিটের একটা বিষয় আছে। তাই বাধ্য হয়েই আমরা শুটিং স্থগিত করি। অডিট না হলে আর পাঁচ–সাত দিন টানা শুটিং করলেই ছবিটির কাজ শেষ হয়ে যেতো।’

চিত্রনায়ক নিরব জানান, হঠাৎ করে অডিট শুরু হওয়ায় পরিকল্পনামত কাজ শেষ হয়নি। যার কারণে কিছু অংশের কাজ বাকি রেখেই আমাদেরকে ফিরতে হয়েছে। এখন সেখানে ডিসেম্বরের আগে আর শুটিং করা সম্ভব না। তবে শিগগিরই সেটা শেষ করে ফেলার পরিকল্পনা করছি আমরা। আশা করছি দ্রুতই ছবিটি শেষ করতে পারবো।

চা বাগানে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে নিরব বলেন, এখানে শুটিং করাটা ভীষণ কষ্ট। একই দিনে দুইরকম আবহাওয়া অনুভূত হয়। দিনে ভয়ঙ্কর গরম আর রাতে প্রচণ্ড কুয়াশা ছিলো। টানা কাজ করতে গিয়ে টীমের প্রায় অনেকেই ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ে। একজন শিল্পী তো অজ্ঞান-ই হয়ে গিয়েছিলো। তাকে সুস্থ করে তুলতে হয়েছে, এরপর শুট করতে হয়েছে। এ যেন এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা! শুটিং করেছি এক জায়গায়, মেকাপ নিয়েছি আরেক জায়গায় এবং রাতে থেকেছি অন্য জায়গায়।

আর যেখানেই শুটিং করতে যাই সেখানেই শত শত মানুষ ঝেঁকে ধরতো। নিরাপত্তা কর্মী থাকলেও তারা ভিড় সামলাতে পারতো না। সবকিছু মিলিয়ে ভালোই লেগেছে। ভক্তদের সঙ্গে সময় কাটাতেও বেশ ভালো লেগেছে।

এই নায়ক আরও বলেন, ‘ছায়াবৃক্ষ’ ছবিতে দর্শক ভিন্নধারা ও বাণিজ্যিক ধারা দুটোরই কম্বিনেশন পাবে। কাজটা ভালোভাবে শেষ করার জন্য পরিশ্রমে ঘাটতি রাখিনি। এটুক বলতে পারি ‘ছায়াবৃক্ষ’ ছবি সরকারি অনুদানের হলেও এটা দিয়েই আমরা কর্মাশিয়ালি ফাইট করতে পারবো।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর