,



দুদকে নতুন চেয়ারম্যান দুর্নীতি দমনে দেশবাসী আশাবাদী হতে চায়

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ গত মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান হিসাবে নিযুক্ত হয়েছেন মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ।

দুদকে যোগদানের পর দুর্নীতি ও এর প্রতিকার বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি। নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান বলেছেন, দুর্নীতি দমনের জন্য দেশে সুনির্দিষ্ট আইন রয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশে যত আইন আছে, তার প্রায় প্রতিটিতেই দুর্নীতি রোধের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, সব আইনের মাধ্যমে দুর্নীতি যাতে কম হয় বা নিশ্চিহ্ন করা যায়, সেটাই তার প্রত্যাশা থাকবে। দুদকের ওপর যে দায়িত্ব রয়েছে, আইন ও বিধি অনুযায়ী তিনি তা সঠিকভাবে পালনের চেষ্টা করবেন বলে অঙ্গীকার করেছেন। তবে শুধু আইন দিয়ে দুর্নীতি দমন করা দুরূহ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা সম্ভব কিনা সেটাও তার এক প্রশ্ন। সবাই সবার অবস্থান থেকে দুর্নীতি দমনে দুদককে সহযোগিতা করবে- এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি গণমাধ্যমকেও সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

দুদকের চেয়ারম্যান হিসাবে যোগদানের পর মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের সামনে যেসব কথা বলেছেন, তাতে দেশবাসীর মধ্যে আশাবাদ দেখা দিয়েছে যে, নতুন চেয়ারম্যানের আমলে দুদক হয়তো দুর্নীতি দমনে অনেকটাই সফল হবে। দুদকের মতো একটি স্বাধীন ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও দেশে দুর্নীতি কেন কমছে না, তা এক বড় প্রশ্ন বৈকি। দুদকের সাবেক এক চেয়ারম্যান এই প্রতিষ্ঠানটিকে নখদন্তহীন বাঘ বলেছিলেন।

এ অবস্থা থেকে দুদকের অনেকটাই উত্তরণ ঘটেছে। সাম্প্রতিককালে দুদককে দুর্নীতি দমনে বেশ তৎপর দেখা যাচ্ছে। তবে দুদক যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা দুর্নীতি দমনে কতটা সহায়ক তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। নতুন চেয়ারম্যান আইন ও পদ্ধতি মেনে কাজ করার যে অঙ্গীকার করেছেন, সেই অঙ্গীকার সঠিকভাবে পালিত হলে আশাব্যঞ্জক ফল দেখা দিতে পারে বলে ধরে নেওয়া যায়। দুদকে একজন নতুন কমিশনারও নিযুক্ত হয়েছেন।

সাংবাদিকদের সামনে তিনিও অনেক ইতিবাচক কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, দু-চার মাস গেলেই বোঝা যাবে এই কমিশন যথেষ্ট অ্যাকটিভ। এই কমিশনে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সবটা মিলিয়ে আমরা নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও কমিশনারের কথাগুলোর ওপর ভরসা রাখতে চাই। দুদকের পরবর্তী কর্মকাণ্ডগুলোর ওপর আমাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি থাকবে। আমরা যেন হতাশ না হই, সেই চেষ্টাই করবেন নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার- এটাই প্রত্যাশা।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর