,



বেশকিছু নাটক এবং নাট্যকারের নির্মাণশৈলীতে অশ্লীলতার স্পর্ধা দেখে লজ্জিত হই

বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী মিঠা মামুন এরই মাঝে অসংখ্য মানুষের কাছে প্রিয় নাম হয়ে উঠেছেন। সম্প্রতি ব্লিটজ-এর সিনিয়ার রিপোর্টার বিজয়া লক্ষ্মী ত্রিপুরা তাঁর সাথে আড্ডায় মাতেন। উঠে আসে নানা প্রসঙ্গ। এসব নিয়েই ব্লিটজ-এর নানা প্রশ্নের উত্তরে মিঠা মামুন।

ব্লিটজঃ কবে, কেনো, কোন কারণে মিডিয়ার সাথে গাঁটছড়া বাধলেন?

মিঠা মামুনঃ সৃজনশীল কাজের প্রতি আমার সেই ছোট্টবেলা থেকে ভীষণ আগ্রহ ছিল। আমি বিশ্বাস করি ভেতরে  নান্দনিকতা থাকলে কোন না কোন সময় তা অগ্নিস্ফুলিঙ্গের মত প্রকাশ পায়। ভেতরে সৌন্দর্য থাকলে চারপাশের  জঞ্জালও তা মুছে দিতে পারে না। তাই হয়তো শত বাধা পেরিয়েও  এখন পর্যন্ত সৃষ্টিশীলতায় থাকতে পারছি।

তবে মিডিয়ায় আমার গাঁটছড়া বাধাটাও বেশ অভিনব ছিল।

২০০৮ সাল থেকে  শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের সান্নিধ্য পাওয়া এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আবৃত্তি সংঘের ৩য় আবর্তন করা ছিল আমার মৌনসত্তার  প্রতিচ্ছবি প্রকাশের প্রথম প্রয়াস। এরপর নানা সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে  সস্পৃক্ততা এবং  চর্চা আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করে। অল্প ক’দিনের মধ্যেই চলচ্চিত্রে গীতিকার ও সুরকার হিসেবে পদার্পন  করি।

এবং সেই সাথে প্রধান সহকারি পরিচালক হিসেবে তিনটা চলচ্চিত্রে কাজ করেছি।চলচ্চিত্রের পাশাপাশি বেশকিছু নাটক, শর্ট ফিল্ম, মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করি। আমার অভিনীত দুইটি  শর্ট ফিল্ম  ইতোমধ্যে দেশ ও দেশের বাইরে নানা সম্মানে ভূষিত হয়েছে।

এভাবেই ধীরে ধীরে নিজের ভেতর  মিডিয়াকর্মী ও সংস্কৃতিকর্মী হিসেবে নিজেকে খুঁজে পাই।

ব্লিটজঃ মিডিয়ায় আপনার বহুমাত্রিক পদচারনা। আপনি একজন কবি,কথা সাহিত্যিক, অভিনেতা,গীতিকার, সুরকার এবং কন্ঠশিল্পী। এক্ষেত্রে আপনার সবচাইতে পছন্দের ক্ষেত্র কোনটা?

মিঠা মামুনঃ অবশ্যই লেখালিখি। সুস্পষ্ট করে যদি বলতে চাই তবে বলবো – কবি সত্তা।

এই পর্যন্ত আমার ছয়টি গ্রন্থ বিগত  বইমেলাগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে দুটি কাব্যগ্রন্থ, দুটি উপন্যাস এবং  দেশবরেণ্য কিছু ব্যক্তিত্বদের সাথে আরও দুটি যৌথকাব্যগ্রন্থ।

নাটক, সিনেমা, গান ও লেখকসত্তার ভেতরে গান ও কবিতা যেন আমাকে বেশি আকর্ষন করে।

তবে  আমার নন্দনতত্ব চর্চার ক্ষেত্রে মানুষের অগাধ ভালোবাসাকে আজীবন সম্মান দিতে চাই ।কারণ আমার সৃষ্টিকর্মগুলোকে ঘিরে মানুষের এত এত ভালোবাসা ও আগ্রহ আমাকে দারুণ উজ্জীবিত ও উৎসাহিত করেছে।

ব্লিটজঃ মাঝেমাঝেই আপনি লোকবাংলার ঐতিহ্যবাহী কিছু গান নিজের কন্ঠে গেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন। আপনার শ্রোতারা গানগুলো শুনে আপনার প্রশংসা করেন। গান গাওয়ার সময় আপনার মাঝে এক ধরনের খাঁটি বাউল মনোভাব জেগে ওঠে। কারনটা বলবেন?

মিঠা মামুনঃ আমি  গান লিখি এবং সুরও করি।

তবে  আমার গায়কী এত দ্রুত প্রকাশ্যে আনার ইচ্ছা খুব একটা ছিল না।

তবে প্রচন্ড উৎসাহ ও ভালোবাসায় বিগত বছর থেকে আমরা ক’জন বন্ধু মিলে একটা গানের দল তৈরি করতে চেষ্টা করছি। অচিরেই সেই ব্যান্ডের মাধ্যমে আমরা কিছু একটা করতে চাচ্ছি।তাই আমরা যখন  নিজেদের  এবং কাভার গানগুলো প্র‍্যাক্টিস করতে বসি তখন তা আনন্দচিত্তে কখনো কখনো ভিডিও ধারণ করে পোস্ট করি।

আর তাতে আপনিও আমার গায়কীতে খাঁটি বাউল মনোভাব খুঁজে  পেয়েছেন জেনে  নিজেকে ধন্য মনে করছি। আপনার প্রশ্ন দেখে অনেক অনুপ্রাণিত হলাম। ধন্যবাদ।

ব্লিটজঃ আপনি কিশোরগঞ্জের ছেলে। তারমানে হাওর, বিস্তীর্ণ ফসলী মাঠ, এবং প্রকৃতির এক আঁকর ঘ্রান মেশানো পরিবেশেই আপনার জন্ম। আপনার কি মনে হয়, ওই পরিবেশে জন্মেছেন বলেই আপনি খানিকটা ভাবুক প্রকৃতির?

মিঠা মামুনঃ হাওরে জন্মেছি বলে হাওরের অবাধ বিচরনে হেসে খেলে বড় হয়েছি।প্রকৃতির ঘ্রাণে বিমুগ্ধ হয়ে হাওরের বৃষ্টিতে ভিজে আর জোসনার আলোয় স্নান করতে করতে মনকে রাঙিয়েছি।তাই মনের আকুতি কেউ  ধুলাবালির মত  অতটা সহজে মুছতে পারবে বলে মনে হয় না। তবে হাওরের মায়া প্রকৃতির স্নিগ্ধতা এবং যোগ্যতার ভারে অযোগ্য হবার করাল গ্রাস স্বচক্ষে দেখতে পাওয়ার অভিজ্ঞতাও  আমাকে ভাবুক এবং সৃষ্টিশীল হতে  আরও সাহায্য করেছে।

ব্লিটজঃ সব মানুষের জীবনেই প্রেম আসে। এক কিংবা অনেকবার। আপনার জীবনের প্রথম প্রেমের গল্পটা বলবেন কি?

মিঠা মামুনঃ প্রেমান্ধ  মানুষের জন্য এই উত্তর দেয়া কঠিন  বটে।

ভালোবাসার ক্ষেত্রে প্রথম প্রেম ও শেষ প্রেম বলে কিছু আছে বলে আমি মনে করিনা।

আপনি যখনিই প্রেমে পড়বেন সেটাই আপনার প্রথম প্রেম। এই অনুভূতির যত্নেই প্রেমানুভূতি লালন করা উচিৎ।

তবে আমি বলবো প্রকৃত সৃজনশীল মানুষের আপন বলতে কেউ থাকে না। হাজার মানুষের ভিড়ে থেকেও তারা বড্ড একাকিত্ব অনুভব করে।কারণ তাদের চোখ কেউ এড়িয়ে যেতে পারে না।সব মুখোশ স্পষ্টত ধরা পড়ে যায়।

তাইতো আমার  প্রেমের কথা কেউ জানতে চেয়ে জিজ্ঞাসা করলে আমি হাসতে হাসতে বলি-

“সবাই ভাবে আছে

তাই কেউ ভিড়ে না কাছে”

ব্লিটজঃ একজন মিঠা মামুন পৃথিবীর মানুষের জন্যে কী রেখে যেতে চান, যা আপনাকে বারবার মনে করাবে?

মিঠা মামুনঃ আমার সৃষ্টিকর্ম আর আমার ভজন-সাধন।

মানুষের মঙ্গলের জন্য ভালো কিছু করে যেতে চাই।সৃষ্টিশীল কাজ দিয়ে মানুষের মনে আজীবন বেঁচে থাকতে চাই।সেটা আমার লেখালেখি, গান সবকিছুই হতে পারে।

ব্লিটজঃ গানের ক্ষেত্রে আপনার প্রিয় কবি কে? রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি লালন সাঁই?

মিঠা মামুনঃ লালন সাঁই।

তাঁর মধ্যে আধ্যাত্মিক একটা ব্যাপার আছে যা আমাকে ঝাপটে জড়িয়ে ধরে ।

ব্লিটজঃ বাড়ীর কাছে আরশিনগর। এ গানটার ব্যাখ্যা আপনার মতো করে দেবেন কি?

মিঠা মামুনঃ বাউলতত্ব মন ও মননে যারা লালন করেন তারা জানেন -বিশ্বব্রহ্মান্ডের সৃষ্টিকর্তা বাস করেন মানবদেহে। মানবদেহে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব সবাই টের পায় না। যারা পায় তারা সৃষ্টিকর্তার ধ্যানে ও কর্মে মগ্ন হয়ে থাকে। হন্যে হয়ে স্রষ্টার অস্তিত্ব খুঁজে বেড়ায়।

“বাড়ির কাছে” বলতে দেহের ভেতর আর  ‘আরশিনগর”  বলতে দেহের  ভেতর সৃষ্টিকর্তা যেখানে বাস করে সে জায়গাস্থলকে বুঝায়।

পড়শি অর্থাৎ স্রষ্টাকে খোঁজ করতে করতে না পেয়ে হতাশা ব্যক্ত করেন। এভাবে স্রষ্টার খোঁজ করতে করতেই তিনি অনেক কিছু জেনে যান এবং  নিজের ভেতর নিজেকে খুঁজতে থাকেন।তাইতো বলে গেছেন –

“মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি।”

ব্লিটজঃ “সবাই বলে লালন ফকির হিন্দু কি যবন”, আপনার পরিচয়টা তাহলে কি?

মিঠা মামুনঃ লালনের মতে হিন্দু কিংবা যবন কোন জাতের ভেদাভেদ নেই। তিনি মনে করেন প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠাই মূল কথা আর মানবতা-ই আসল ধর্ম।

আমিও তাই  ধর্মকে যার যার তার তার স্বস্থানে রেখেই নিজেকে একজন শুদ্ধ মনের মানুষ হিসেবে গড়ার প্রচেষ্টায় আছি।তাই নিজেকে কেবল ‘মানুষ ‘ পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।

ব্লিটজঃ সবাই বলে মানুষ মরে। আপনি কি বলবেন?

মিঠা মামুনঃ যার জন্ম আছে তার মৃত্যুও সুনিশ্চিত।

তবে প্রকৃত অর্থে মানুষ মরে না,শুধু তার দেহাবসান হয়।সে তার কাজের মাধ্যমে সবার অন্তরে বেঁচে থাকে ।

ব্লিটজঃ ব্লিটজ, ২০০৩ সাল থেকে ক্রমশ বিশ্বের লাখলাখ পাঠকের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই বলেন, আমরা “অত্যন্ত প্রভাবশালী কাগজ”।

এবার ব্লিটজ-এর আয়োজনে বাংলা সংযোজিত হলো, বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের কথা ভেবে। এটা আপনি কিভাবে দেখছেন?

মিঠা মামুনঃ এটা নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য খুব ভালো সংবাদ। ব্লিটজ ইতোমধ্যেই  সারাবিশ্বে প্রচন্ড সুনাম অর্জন করেছে। আর এই নব প্রচেষ্টা আরও একটা মাইলফলক অর্জনে সক্ষম হতে যাচ্ছে। বিশ্বের মানুষের কাছে বাংলা ভাষাভাষী মানুষদের তুলে ধরার জন্য এটি একটি চমৎকার উদ্যোগ।

ব্লিটজঃ আমাদের সম্পাদক সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরী। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি গানও লিখেন, সুরও বাঁধেন। অনেকেই বলেন, শোয়েব চৌধুরী’র সুরে একধরনের মোহিনী যাদুর স্পর্শ থাকে। আপনি যদি ওনার লিখা ও সুর করা গান শুনে থাকেন, তাহলে বলবেন কি, ওনার গানের কথা এবং সুরে আলাদা ব্যাপারটা কি?

মিঠা মামুনঃ সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরীকে কোন নির্দিষ্ট পেশায় আবদ্ধ করা হয়তো ঠিক হবে না।

উনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তিনি আপাদমস্তক শিল্পমনা মানুষ। উনার শিকড় থেকে শিখর পর্যন্ত শৈল্পিক চর্চার বিচরন লক্ষ্যণীয়।

উনার কথা ও সুরে বেশ কিছু গান শুনেছি ৷উনার গান সম্পর্কে আপ্লুত বাক্য প্রয়োগ করে  বলার মত যোগ্যতা হয়তো আমার নেই। তবে এইটুকু বলতে পারি উনার গান  শুনার পর মনে হয়েছে উনাকে গীতিকার এবং সুরকার না বলে উনাকে সংগীত সাধক বলাই শ্রেয় এবং সম্মানের হবে। উনার গানগুলো এই সময়ের অন্যসব গানের মত নয়। উনার গানের সুর তাল লয়ে  হৃদয় চিড়ে এক অভিনব অনুভূতি খেলা করে যা মন ও মননশীলতাকে জাগিয়ে তুলতে সক্ষম। উনার গানের উপজীব্য যেন আত্মতত্ব ও দেহতত্বের মিশ্রণে গড়ে ওঠে।

ব্লিটজঃ বাংলাদেশের নাটক কিংবা সিনেমার জগতে বেশ কিছুকাল থেকেই এক ধরনের মন্দা চলছে। এথেকে পরিত্রানের উপায় কি?

মিঠা মামুনঃ নাটক সিনেমার জগতে অনেকদিন ধরে মন্দা চলার প্রধান কারণ হচ্ছে অপসংস্কৃতির উত্থান, বাজেট কম এবং  শিল্পসত্তার অভাব।

এই মন্দা থেকে পরিত্রানের জন্য প্রকৃত শিল্পবোধসম্পন্ন ব্যক্তিবর্গের প্রাপ্য সম্মান অটুট রাখতে হবে। মিডিয়ায় আজকাল শিল্পচর্চার চেয়ে রাজনৈতিক চর্চা ও মিডিয়া বানিজ্যের বাজার খুব রমরমা। এই চর্চাটাকে বন্ধ করা উচিৎ।

নাটক সিনেমার নামে স্বার্থান্বেষী লোভ লালসার চর্চাটা দমন করার জন্য প্রকৃত নান্দনিক ও শৈল্পিক  মানুষদের এগিয়ে আসাটা দায়িত্ব এবং জরুরি হয়ে পড়েছে। নাটক সিনেমা ঘিরে অপসংস্কৃতি চর্চা দমন করার জন্য রিভিউ বোর্ডগুলোর উন্নতি ঘটানো উচিৎ। বর্তমানে বেশকিছু নাটক এবং নাট্যকারের নির্মাণশৈলীতে অশ্লীলতার স্পর্ধা দেখে  একজন মিডিয়াকর্মী হিসেবে লজ্জিত হই।

আমাদের  নাটক সিনেমায় একটা গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে।  মিডিয়ার নাম বেচে অমানুষিক  আত্মতুষ্টি এবং অর্থের লোভে নিজের সত্তাকে বিকিয়ে না দিয়ে নিজেদের হারানো দিনগুলিকে ফিরে পেতে নিবিড়  শিল্পচর্চায়  মনোনিবেশ করা উচিৎ বলে আমি মনে করি।

ব্লিটজঃ পৃথিবীর সব সৃষ্টিশীল মানুষগুলোই খানিকটা উন্নাসিক কিংবা অগোছালো হয় কেনো?

মিঠা মামুনঃ সৃষ্টিশীল মানুষগুলো সবসময় কিছু না কিছু সৃষ্টি করতে চায়,সে তার কাজের মাঝেই বাঁচতে চায়। গতানুগতিক জীবনের ধারা তাদের তেমন টানেনা। তারা তাদের কাজের মধ্যেই ডুবে থাকে।

সংসার, সম্পর্ক এসব নিয়ে ভাবার অবকাশ তাদের খুব একটা থাকেনা বলেই তারা একটু অগোছালো বা উন্নাসিক হয়। সৃষ্টিশীল মানুষেরা হুজুগে গা ভাসায় না। স্রোতের উল্টোপিঠে যারা চলে তাদের মধ্যে কখনোই গড়পড়তা মানুষের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যাবে না।

ব্লিটজঃ সবশেষে আপনার মা এবং বাবার কথা বলুন।

মিঠা মামুনঃ আমার বাবা একজন শিক্ষক এবং মা একজন পুরোদস্তুর গৃহিণী। বাবা-ই আমার জীবনের আদর্শ আর মা আমার আশ্রয়স্থল।আমার জীবনে তাঁদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাঁদের ভালোবাসা আর অনুপ্রেরণা না থাকলে হয়তো আমি আজকের আমি হয়েই উঠতে পারতাম না।আমি এমন কিছু করে যেতে চাই যাতে আমার মা বাবার  নামগুলো আরও উজ্জ্বলতার প্রতিক হয়ে থাকে।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর