,



ফুটবল খেলায় পুরস্কার ষাঁড়-খাসি, হাজারো দর্শক

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ ফুটবল খেলা এমনিতেই বেশ জনপ্রিয়। এ জনপ্রিয়তা আরো একধাপ বাড়িয়ে দিয়েছে ভিন্ন রকমের পুরস্কার-এ। খেলায় পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়েছে ষাঁড় ও খাসি। এতে ফুটবলপ্রেমীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে উদ্দীপনা বেড়ে গেছে কয়েকগুণ।

এমন খবরে দূর-দূরান্ত থেকে ফুটবলপ্রেমীরা ছুঁটে এসেছেন খেলা উপভোগ করতে। পুরস্কারের ষাঁড়-খাসি দেখতে।

ব্যতিক্রমী এমন পুরস্কারের আয়োজন করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার বুরুদিয়া ইউনিয়নের কাগারচর গ্রামের এক ফুটবল খেলায়।

বুধবার (২৩ জুন) বিকালে বুরুদিয়ার মালীবাড়ি সংলগ্ন মাঠে এ ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। দক্ষিণ খামা যুব সমাজ এ খেলার আয়োজন করা হয়।

কাগারচর ফুটবল একাদশ বনাম খামা ফুটবল একাদশের মধ্যে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

উত্তেজনাপূর্ণ এ খেলায় ৪-২ গোলে খামা ফুটবল একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় কাগারচর ফুটবল একাদশ। চ্যাম্পিয়ন দলকে পুরস্কার হিসেবে একটি ষাঁড় গরু এবং রানার্স আপ দলকে একটি খাসি দেওয়া হয়।

এর আগে এ খেলাকে ঘিরে মাঠের চারপাশে হাজারো দর্শক উপস্থিত হয়। গ্রামাঞ্চলে এ খেলা উপভোগ করতে শিশু-কিশোর-বৃদ্ধ সবাই ভীড় জমায়।

ষাঁড়-খাসির পুরস্কারে এর মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। মানুষের মুখে মুখে রটতে থাকে খেলায় পুরস্কার ষাঁড়-খাসি। তাই কে জিতে সেটা দেখতে খেলার মাঠে উপস্থিত হন উৎসুক জনতা।

বিকাল সাড়ে ৪টায় খেলা অনুষ্ঠিত হয়। পৌনে ৬টায় শেষ হয়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে হাজারো ফুটবলপ্রেমী খেলা উপভোগ করেন।

খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

বুরুদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বুরুদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও দন্ত চিকিৎসক ডা. দেলোয়ার জাহান সুমন।

এর আগে খেলার উদ্বোধন করেন বুরুদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা কামাল আকন্দ।

খেলা দেখতে আসা বোরহান উদ্দিন বলেন, ফুটবল খেলা বেশ উপভোগ করি। যেখানে এ খেলা হয় সেখানেই যাওয়ার চেষ্টা করি। ফুটবল খেলায় পুরস্কার হিসেবে ষাঁড় ও খাসি দেওয়া হবে, এমন খবর জানতে পেরে খেলা দেখার আগ্রহ আরো বেড়ে যায়। খেলা উপভোগ করেছি। পুরস্কার বিতরণের সময়ও আনন্দ পেয়েছি।

প্রধান অতিথি ডা. দেলোয়ার জাহান সুমন বলেন, ‘ফুটবল একটি জনপ্রিয় খেলা। গ্রামীণ এ খেলায় দর্শক উপস্থিতি আরো বাড়াতে এবং খেলাকে প্রাণবন্ত করার উদ্দেশ্যেই হয়তো আয়োজক কমিটি এমন ভিন্ন রকমের পুরস্কারের ব্যবস্থা করেছে।

হাজার হাজার মানুষ প্রাণভরে খেলা উপভোগ করেছে। খেলাধূলার মাধ্যমেই তরুণ সমাজকে সঠিক পথে রাখা সম্ভব।

তাই বেশি বেশি করে গ্রামীণ খেলাধূলা আয়োজন করার জন্য তরুণদের প্রতি অনুরোধ করছি।’

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর