,



করোনাকালে ছাত্রলীগ নেতা ফয়সালের মানবিক কর্মকাণ্ড

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর যখনই লকডাউন ঘোষণা হয় তখন রাজনীতি ছেড়ে মানবিক কর্মকাণ্ডে সরব হন তিনি। কখনো চাল, ডাল, তেলের বস্তা কাঁধে, কখনো রান্না করা খাবার হাতে। গুরুতর অসুস্থ অসহায় রোগীদের হাসপাতালে পৌঁছাতে দিয়ে যাচ্ছেন বিনামূল্যের অ্যাম্বুলেন্স সেবা। আবার মাস্ক, স্যানিটাইজার হাতে ছুটেছেন নগরের এ প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।

বলছিলাম সুলতান মাহমুদ ফয়সালের কথা। চট্টগ্রাম নগরে তিনি সুপরিচিত এমইএস কলেজের ‘ফয়সাল’ নামে। তবে তার রাজনৈতিক পরিচয় তিনি বায়েজিদ বোস্তামী থানা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক। এই পরিচয়ের চেয়েও ফয়সালের বড় পরিচয় তিনি স্বেচ্ছাসেবক। নগরজুড়ে যেকোনো মানবিক প্রয়োজনে পাশে দাঁড়িয়ে যাওয়ার অন্যন্য বৈশিষ্ট্য তার।

নগর আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী এই ছাত্রনেতা বর্তমানে রাজনীতি করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরীর নির্দেশনায়।

সাম্প্রতিক সময়ে লকডাউন শুরু হলে ‘হ্যালো ছাত্রলীগ’ নামে নগরজুড়ে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করে আলোচিত হন সুলতান মাহমুদ ফয়সাল। তিনটি অ্যাম্বুলেন্স সার্বক্ষণিক এই সেবা দিয়ে আসছে। তন্মধ্যে একটি অ্যাম্বুলেন্স নিয়োজিত আছে মরদেহ পরিবহনে।

এছাড়াও খেটে খাওয়া দিনমজুরদের ফয়সালের উদ্যোগে কয়েকটি রিকশা প্রদান করা হয়। শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নিজেই এসব রিকশা প্রদানের সময় উপস্থিত থেকে উৎসাহ যোগান।

এছাড়া বিভিন্ন সময় নগরজুড়ে শিক্ষা উপমন্ত্রীর উদ্যোগে মধ্য ও নিম্নবিত্তের ঘরে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছানোর আয়োজনেও ফয়সালের ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। নিজ উদ্যোগেও বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন তিনি। পাশাপাশি মাস্ক, স্যানিটাইজার, পিপিই সরবরাহ করেও ফয়সাল সক্রিয় থাকে করোনাকালে।

জানতে চাইলে সুলতান মাহমুদ ফয়সাল জাগো নিউজকে বলেন, ‘ছাত্র রাজনীতির মূলমন্ত্রই হল মানবিক মানুষ হওয়া। মানুষের সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসা। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহোদয়ের অনুপ্রেরণা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতির প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে আমরা নগরজুড়ে হ্যালো ছাত্রলীগ নামে অ্যাম্বুলেন্স সেবার মতো একটি কর্মসূচি চালু করেছি। এটি লকডাউনে সবসময় অব্যাহত থাকে। পাশাপাশি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, রান্না করা খাবার বিতরণসহ প্রয়োজনীয় সকল কার্যক্রম আমরা হাতে নিয়েছি। বিশেষভাবে বেকার খেটে-খাওয়া মানুষের আমরা বিভিন্ন সময় রিকশা প্রদান করে থাকি।’

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর