,



যে নারীর মাথা থেকে পা পর্যন্ত লাল

বাঙালী কন্ঠ ডেস্কঃ লাল রঙা জীবন ক’জনেই বা পায়! লাল রং নিয়েই পুরো জীবন কাটিয়ে দিচ্ছেন এক নারী। তার আশেপাশের সবকিছুই লাল। এমনকি তিনিও লাল! অবাক হচ্ছেন?

সম্পর্কিত ছবি

তার ভুবন শুধুই লাল

গায়ের রং তো লালচে ফর্সা, সঙ্গে তিনি মিলিয়ে চুলের রংও করেছেন লাল। পোশাকও পড়েন লাল। পুরোপুরি লালের মধ্যে বসবাস বসনিয়ার জোরিকা রেবার্নিকের। মৃত্যুর পরও তিনি ঠিক এভাবেই থাকতে চান।

সম্পর্কিত ছবি

লাল রংই যেন তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে

চার দশক ধরে মাথা থেকে পা পর্যন্ত লাল রঙা পোশাক পরছেন জোরিকা। স্বামী জোরানের সঙ্গে বিয়েটাও হয়েছিল লাল রঙের গাউন পরেই। ৬৭ বছর বয়সী বসনিয়ার এই অধিবাসী ভারত থেকে বিশেষ এক ধরণের লাল গ্রানাইট পাথর আমদানি করেছেন। নিজের এবং স্বামীর সমাধিস্তম্ভ তৈরি করতেই এই পাথর আনা হয়েছে।

ঘরের সবকিছুই লালে লাল

ঘরের সবকিছুই লালে লাল

অবসরপ্রাপ্ত এই স্কুলশিক্ষক একটি লাল বাড়িতে থাকেন। তিনি ও জোরান লাল রঙের প্লেটে খাবার খান। লাল গ্লাসে পান করেন। লাল বিছানায় ঘুমান। রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জোরিকা বলেন, আমার বয়স তখন ১৮ কি ১৯, হঠাৎ করেই লাল পোশাক পরার ঝোঁক মাথায় আসে। আমার বাড়ির সাজসজ্জা বা জামাকাপড়ে অবশ্যই অন্য কোনো রঙের একটি বিন্দুও থাকতে পারবে না।

ড্রয়িং রুমেও লালের উপস্থিতি

ড্রয়িং রুমেও লালের উপস্থিতি

টকটকে সিঁদুর রঙা লালের ছোপ তার আত্মবিশ্বাস ও ক্ষমতাকে জাগিয়ে তোলে বলে জানান তিনি। লাল রং নিয়ে জোরিকার এই আচ্ছন্নতা তাকে উত্তর বসনিয়ার নিজ শহর ব্রিজে বেশ পরিচিত করে তুলেছে।

বাড়িতে ঢুকতেও লাল গালিচা

বাড়িতে ঢুকতেও লাল গালিচা

তিনি বলেন, সবাই আমাকে চেনে। লোকজন আমাকে দেখলেই লাল রঙের বিভিন্ন জিনিস দেখায়। যত মূল্যবানই হোক না কেন, কোনো উপহার লাল না হলে তিনি তা নেন না। এমনকি শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানেও ঐতিহ্যবাহী কালো রঙের পোশাক না পরে লাল রঙের পোশাক পরেন তিনি।

সম্পর্কিত ছবি

স্বামীর সঙ্গে জোরিকা ও অতীতের কয়েকটি ছবি

এক্ষেত্রে একমাত্র সমস্যা হলো, জোরিকা নতুন কিছু পরলে তার স্বামী তা টের পান না। জোরান বলেন, আমার চোখে কোনো পার্থক্য ধরা পড়ে না। সবকিছু এক রকমই মনে হয়। কারণ তিনি কালার ব্লাইন্ড, অর্থ্যাৎ সব রংই তিনি ধূসর দেখেন।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর