ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

উত্তেজনা কমেছে সীমান্তে, ‘দক্ষিণে এগোচ্ছে’ জান্তাবিরোধী গোষ্ঠী

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী গোষ্ঠী ক্রমান্বয়ে দক্ষিণে এগোচ্ছে। গৃহযুদ্ধও সরছে সে দিকেই। সীমান্তে কমেছে গুলির শব্দ, তবে এরই মধ্যে আশ্রয় কামনায় মিয়ানমারের আরও ৬৩ সীমান্তরক্ষী টেকনাফ দিয়ে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশে। তুমব্রু ও ঘুমধুম পরিদর্শন শেষে বিজিবি মহাপরিচালক জানিয়েছেন, দেশের সীমানায় আর কাউকেই প্রবেশ করতে দেবে না বর্ডার গার্ড।

গত কয়েকদিনের তুলনায় খানিক উত্তেজনা কমেছে সীমান্তে। তুমব্রু থেকে ঘুমধুম হয়ে থ্যাংখালী পর্যন্ত সীমান্তের ওপারে আপাতত বন্ধ রয়েছে গোলাগুলি। তবু সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থানে রয়েছে বিজিবি।

আজ বুধবার কিছু গুলির শব্দ শোনা গেছে হোয়াইক্যংয়ের ওপারে। ধারনা করা হচ্ছে, মিয়ানমারের জান্তারিরোধী গোষ্ঠী ক্রমান্বয়ে দক্ষিণের দিকে যাচ্ছে।

এদিকে, টেকনাফের কাঞ্জরপাড়া সীমান্ত দিয়ে নতুন করে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের ৬৩ সদস্য। তাদের হোয়াইক্যং সীমান্ত ফাঁড়িতে রেখে তালিকা করা হচ্ছে।

সার্বিক অবস্থা দেখতে সীমান্ত ঘুরে গেছেন বিজিবির নবনিযুক্ত মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। তুমব্রু ও ঘুমধুম সীমান্ত পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের জানান, আশ্রয় নেওয়া বিজিপি সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত রয়েছে মিয়ানমার।

বিজিবি মহাপরিচালক জানান, বাংলাদেশের সুস্পষ্ট প্রত্যাশা, ওপারের কোনো সংকটের প্রভাব যেন এপারে না আসে। দেশের সীমানায় ওপারের আর কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

সীমান্তের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বানও জানান বিজিবি মহাপরিচালক। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ ধৈর্য রেখেই সীমান্ত নিরাপদ রাখবে তার বাহিনী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

উত্তেজনা কমেছে সীমান্তে, ‘দক্ষিণে এগোচ্ছে’ জান্তাবিরোধী গোষ্ঠী

আপডেট টাইম : ০৬:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী গোষ্ঠী ক্রমান্বয়ে দক্ষিণে এগোচ্ছে। গৃহযুদ্ধও সরছে সে দিকেই। সীমান্তে কমেছে গুলির শব্দ, তবে এরই মধ্যে আশ্রয় কামনায় মিয়ানমারের আরও ৬৩ সীমান্তরক্ষী টেকনাফ দিয়ে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশে। তুমব্রু ও ঘুমধুম পরিদর্শন শেষে বিজিবি মহাপরিচালক জানিয়েছেন, দেশের সীমানায় আর কাউকেই প্রবেশ করতে দেবে না বর্ডার গার্ড।

গত কয়েকদিনের তুলনায় খানিক উত্তেজনা কমেছে সীমান্তে। তুমব্রু থেকে ঘুমধুম হয়ে থ্যাংখালী পর্যন্ত সীমান্তের ওপারে আপাতত বন্ধ রয়েছে গোলাগুলি। তবু সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থানে রয়েছে বিজিবি।

আজ বুধবার কিছু গুলির শব্দ শোনা গেছে হোয়াইক্যংয়ের ওপারে। ধারনা করা হচ্ছে, মিয়ানমারের জান্তারিরোধী গোষ্ঠী ক্রমান্বয়ে দক্ষিণের দিকে যাচ্ছে।

এদিকে, টেকনাফের কাঞ্জরপাড়া সীমান্ত দিয়ে নতুন করে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের ৬৩ সদস্য। তাদের হোয়াইক্যং সীমান্ত ফাঁড়িতে রেখে তালিকা করা হচ্ছে।

সার্বিক অবস্থা দেখতে সীমান্ত ঘুরে গেছেন বিজিবির নবনিযুক্ত মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। তুমব্রু ও ঘুমধুম সীমান্ত পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের জানান, আশ্রয় নেওয়া বিজিপি সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত রয়েছে মিয়ানমার।

বিজিবি মহাপরিচালক জানান, বাংলাদেশের সুস্পষ্ট প্রত্যাশা, ওপারের কোনো সংকটের প্রভাব যেন এপারে না আসে। দেশের সীমানায় ওপারের আর কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

সীমান্তের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বানও জানান বিজিবি মহাপরিচালক। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ ধৈর্য রেখেই সীমান্ত নিরাপদ রাখবে তার বাহিনী।