ঢাকা , বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫, ১১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মাইলস্টোন হাইস্কুলে দিনব্যাপী পিঠা উৎসব

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় মাইলস্টোন হাইস্কুলে দিনব্যাপী পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা সদরে অবস্থিত স্কুল প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান ছনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বদলগাছী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফজলে হুদা বাবুল, তার সহধর্মিণী মনিরা সুলতানা, বিদ্যালয়ের পরিচালক আলহাজ্ব লুৎফর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান আব্দুর রহিম বাবলু ও প্রধান শিক্ষক আবু জর গিফারী সহ অন্যরা।

মেলায় ৮টি স্টলে বিভিন্ন পিঠা-পুলি দিয়ে পসরা সাজিয়ে বসে শিক্ষার্থীরা। যেখানে গোলাপ, রুল, ভিজানো, চিতই পিটা, পাকান, পাটি সাপটা, কুশলি, নকশি, দুধ খেজুর ও সাত খুপিসহ অন্তত ২০-২৫ ধরনের পিঠা দিয়ে স্টল সাজানো হয়েছে। প্রকারভেদে ২০ টাকা থেকে ৫০ টাকা পিস বিক্রি হয়। সকাল থেকেই পিঠা মেলা প্রাঙ্গণ ছিল শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকমণ্ডলী ও জনসাধারণের পদচারণায় মুখরিত। এ ধরনের ভিন্নধর্মী একটা আয়োজন উপভোগ করতে পেরে শিক্ষার্থীরা ভীষণ খুশি।

আয়োজকরা জানান- কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গ্রাম বাংলার বাহারি পিঠা। সেগুলোকে টিকিয়ে রাখতে ও সবাইকে পিঠার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এ মেলার আয়োজন।

প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান ছনি মেলার স্টলগুলো ঘুরে দেখেন। তিনি বলেন, পিঠা আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতির ঐতিহ্য। এই সংস্কৃতির সাথে আমরা পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি শিকড়ের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত হবে। নতুন প্রজন্মরা পিঠাগুলো চিনতে পারবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইলস্টোন হাইস্কুলে দিনব্যাপী পিঠা উৎসব

আপডেট টাইম : ০১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় মাইলস্টোন হাইস্কুলে দিনব্যাপী পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা সদরে অবস্থিত স্কুল প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান ছনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বদলগাছী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফজলে হুদা বাবুল, তার সহধর্মিণী মনিরা সুলতানা, বিদ্যালয়ের পরিচালক আলহাজ্ব লুৎফর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান আব্দুর রহিম বাবলু ও প্রধান শিক্ষক আবু জর গিফারী সহ অন্যরা।

মেলায় ৮টি স্টলে বিভিন্ন পিঠা-পুলি দিয়ে পসরা সাজিয়ে বসে শিক্ষার্থীরা। যেখানে গোলাপ, রুল, ভিজানো, চিতই পিটা, পাকান, পাটি সাপটা, কুশলি, নকশি, দুধ খেজুর ও সাত খুপিসহ অন্তত ২০-২৫ ধরনের পিঠা দিয়ে স্টল সাজানো হয়েছে। প্রকারভেদে ২০ টাকা থেকে ৫০ টাকা পিস বিক্রি হয়। সকাল থেকেই পিঠা মেলা প্রাঙ্গণ ছিল শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকমণ্ডলী ও জনসাধারণের পদচারণায় মুখরিত। এ ধরনের ভিন্নধর্মী একটা আয়োজন উপভোগ করতে পেরে শিক্ষার্থীরা ভীষণ খুশি।

আয়োজকরা জানান- কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গ্রাম বাংলার বাহারি পিঠা। সেগুলোকে টিকিয়ে রাখতে ও সবাইকে পিঠার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এ মেলার আয়োজন।

প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান ছনি মেলার স্টলগুলো ঘুরে দেখেন। তিনি বলেন, পিঠা আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতির ঐতিহ্য। এই সংস্কৃতির সাথে আমরা পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি শিকড়ের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত হবে। নতুন প্রজন্মরা পিঠাগুলো চিনতে পারবে।