ঢাকা , শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চলনবিলে নদী-নালা ও বিলে চলছে অবাধে পাখি শিকার

পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলে নানা উপায়ে চলছে পাখি শিকার। এ অঞ্চলের বিভিন্ন নদী -নালা, বিল আর কৃষি জমিতে একশ্রেণীর অসাধু ব্যক্তি নানাভাবে ফাঁদ পেতে কিংবা এয়ারগান দিয়ে দেশি-বিদেশি প্রজাতির পাখি শিকার করছে।

ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত জালসহ বিভিন্ন রকম ফাঁদ তৈরি করে কতিপয় পাখি শিকারী পাখি শিকার করে বিক্রি করছে।

চাটমোহর উপজেলার ছাইকোলার একটি বিলে দুইজন পাখি শিকারী ফাঁদ পেতে বক পাখি শিকার করছিল। এ সময় এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া করলে তারা দ্রুত পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ শীত মৌসুমে শীতপ্রধান বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নানা প্রজাতির পাখি আসে চলনবিল অঞ্চলে।

বিলপাড়ের বিভিন্ন বাগানে, ঝোপঝাড়ে পাখি আশ্রয় নেয়। ঠিক এসময়েই তৎপর হয়ে ওঠে পাখি শিকারীরা। এ মৌসুমেও একই অবস্থা। শত শত সাদা বক, কানাবক, পানকৌড়ি, সারস, ডাহুক বিলে এসেছে। নানাভাবে পাখি করা হলেও প্রশাসন কোনো প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না।

এ ব্যাপারে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুসা নাছের চৌধুরী জানান, পাখি শিকার একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কোনো ব্যক্তি পাখি শিকার করলে তার এক বছরের জেল ও এক লক্ষ টাকা জরিমানা হতে পারে। তাই কোন ব্যাক্তি দেশি-বিদেশি প্রজাতির কোন পাখি শিকার করতে পারবে না। একই সাথে আটক রাখতে পারবে না। যদি এরকম কোন শিকারি কোন ব্যক্তির চোখে পড়ে তাহলে তাকে আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে জানালে শিকারিকে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চলনবিলে নদী-নালা ও বিলে চলছে অবাধে পাখি শিকার

আপডেট টাইম : ১২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলে নানা উপায়ে চলছে পাখি শিকার। এ অঞ্চলের বিভিন্ন নদী -নালা, বিল আর কৃষি জমিতে একশ্রেণীর অসাধু ব্যক্তি নানাভাবে ফাঁদ পেতে কিংবা এয়ারগান দিয়ে দেশি-বিদেশি প্রজাতির পাখি শিকার করছে।

ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত জালসহ বিভিন্ন রকম ফাঁদ তৈরি করে কতিপয় পাখি শিকারী পাখি শিকার করে বিক্রি করছে।

চাটমোহর উপজেলার ছাইকোলার একটি বিলে দুইজন পাখি শিকারী ফাঁদ পেতে বক পাখি শিকার করছিল। এ সময় এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া করলে তারা দ্রুত পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ শীত মৌসুমে শীতপ্রধান বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নানা প্রজাতির পাখি আসে চলনবিল অঞ্চলে।

বিলপাড়ের বিভিন্ন বাগানে, ঝোপঝাড়ে পাখি আশ্রয় নেয়। ঠিক এসময়েই তৎপর হয়ে ওঠে পাখি শিকারীরা। এ মৌসুমেও একই অবস্থা। শত শত সাদা বক, কানাবক, পানকৌড়ি, সারস, ডাহুক বিলে এসেছে। নানাভাবে পাখি করা হলেও প্রশাসন কোনো প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না।

এ ব্যাপারে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুসা নাছের চৌধুরী জানান, পাখি শিকার একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কোনো ব্যক্তি পাখি শিকার করলে তার এক বছরের জেল ও এক লক্ষ টাকা জরিমানা হতে পারে। তাই কোন ব্যাক্তি দেশি-বিদেশি প্রজাতির কোন পাখি শিকার করতে পারবে না। একই সাথে আটক রাখতে পারবে না। যদি এরকম কোন শিকারি কোন ব্যক্তির চোখে পড়ে তাহলে তাকে আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে জানালে শিকারিকে শাস্তির আওতায় আনা হবে।