ঢাকা , শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা অবশ্যই নতুন বাংলাদেশের দিকে যেতে সক্ষম হব: আলী রীয়াজ ১ হাজার ৪শ’ হেক্টর জমিতে পান চাষ, পেশায় ৩৯ হাজার চাষি, জড়িত লক্ষাধিক মানুষ ঐতিহাসিক সেই জাতীয় পতাকা তারেক রহমানের হাতে তুলে দিলেন ছাত্রদল কর্মী মুত্তাকিন সম্মিলিত বৈশ্বিক পদক্ষেপের পক্ষে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বিএনপি প্রার্থী মুন্সির মনোনয়ন বাতিল, হাসনাতের বহাল প্রার্থিতা প্রত্যাহার লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী শ্রাবণীর কান্না আর আর্তনাদে ভারি চীন-মৈত্রী, কাঁদলেন তারেক রহমানও খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের প্রকৃত চর্চাকারী রাষ্ট্রনায়ক : ড. মঈন খান পে স্কেলের জন্য বরাদ্দ ২২ হাজার কোটি টাকা, বাস্তবায়ন হবে কবে শহীদ জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করলো বিএনপি

খালেদা জিয়াকে শিগগিরই দেশের বাইরে নেওয়ার পরিকল্পনা নেই মেডিকেল বোর্ডের: চিকিৎসক

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। নতুন করে অবস্থার অবনতি হচ্ছে না—এ মুহূর্তে এটিকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন চিকিৎসকেরা। উন্নত চিকিৎসায় কবে নাগাদ তাঁকে লন্ডনে নেওয়া হতে পারে, তা বলতে পারছেন না তাঁরা। কারণ, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি নির্ভর করছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার উন্নতির ওপর।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) উন্নতি হচ্ছে কিছুটা। তবে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে বলা যাবে না। বয়সজনিত কারণটা অনেক বড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ বয়সে সব চিকিৎসা একসঙ্গে করতে গেলেও উচ্চ ঝুঁকি থেকে যায়।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার নতুন করে শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে না। এটাই চিকিৎসকদের কাছে ইতিবাচক দিক। উন্নত চিকিৎসায় উনাকে শিগগিরই দেশের বাইরে নেওয়ার পরিকল্পনা নেই মেডিকেল বোর্ডের।’

এভারকেয়ার হাসপাতালে ‘পৃথিবীর সেরা চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে’ বলেও এ সময় মন্তব্য করেন এই চিকিৎসক।

দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসের পাশাপাশি কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হৃদ্‌যন্ত্র, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন ৮০ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে গত ২৩ নভেম্বর তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে ২৭ নভেম্বর তাঁকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়।

এর মধ্যে কাতারের সহযোগিতায় খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হলেও তাঁর শারীরিক অবস্থা বিদেশযাত্রার জন্য উপযোগী না হওয়ায় তা স্থগিত করা হয়।

হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি দুই ডজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড প্রতিদিন বৈঠক করে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় অগ্রগতি আনার চেষ্টা করছেন।

এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পাশে সার্বক্ষণিক আছেন তাঁর পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান ও সৈয়দা শামিলা রহমান, গৃহপরিচারিকা ফাতেমা এবং স্টাফ রূপা আক্তার। পাশে আছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার, তাঁর স্ত্রী কানিজ ফাতেমা। তাঁদের সঙ্গে মাঝেমধ্যে কথা বলার চেষ্টা করছেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

আমরা অবশ্যই নতুন বাংলাদেশের দিকে যেতে সক্ষম হব: আলী রীয়াজ

খালেদা জিয়াকে শিগগিরই দেশের বাইরে নেওয়ার পরিকল্পনা নেই মেডিকেল বোর্ডের: চিকিৎসক

আপডেট টাইম : ০৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। নতুন করে অবস্থার অবনতি হচ্ছে না—এ মুহূর্তে এটিকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন চিকিৎসকেরা। উন্নত চিকিৎসায় কবে নাগাদ তাঁকে লন্ডনে নেওয়া হতে পারে, তা বলতে পারছেন না তাঁরা। কারণ, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি নির্ভর করছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার উন্নতির ওপর।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) উন্নতি হচ্ছে কিছুটা। তবে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে বলা যাবে না। বয়সজনিত কারণটা অনেক বড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ বয়সে সব চিকিৎসা একসঙ্গে করতে গেলেও উচ্চ ঝুঁকি থেকে যায়।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার নতুন করে শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে না। এটাই চিকিৎসকদের কাছে ইতিবাচক দিক। উন্নত চিকিৎসায় উনাকে শিগগিরই দেশের বাইরে নেওয়ার পরিকল্পনা নেই মেডিকেল বোর্ডের।’

এভারকেয়ার হাসপাতালে ‘পৃথিবীর সেরা চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে’ বলেও এ সময় মন্তব্য করেন এই চিকিৎসক।

দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসের পাশাপাশি কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হৃদ্‌যন্ত্র, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন ৮০ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে গত ২৩ নভেম্বর তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে ২৭ নভেম্বর তাঁকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়।

এর মধ্যে কাতারের সহযোগিতায় খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হলেও তাঁর শারীরিক অবস্থা বিদেশযাত্রার জন্য উপযোগী না হওয়ায় তা স্থগিত করা হয়।

হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি দুই ডজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড প্রতিদিন বৈঠক করে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় অগ্রগতি আনার চেষ্টা করছেন।

এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পাশে সার্বক্ষণিক আছেন তাঁর পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান ও সৈয়দা শামিলা রহমান, গৃহপরিচারিকা ফাতেমা এবং স্টাফ রূপা আক্তার। পাশে আছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার, তাঁর স্ত্রী কানিজ ফাতেমা। তাঁদের সঙ্গে মাঝেমধ্যে কথা বলার চেষ্টা করছেন তিনি।