ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ছাত্রের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, আজীবন নিষিদ্ধ শিক্ষিকা

স্কুলছাত্রের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করায় আজীবন নিষিদ্ধ হয়েছেন যুক্তরাজ্যের এক শিক্ষিকা। ১৫ বছর বয়সী ওই ছাত্রকে প্রলুব্ধ করে মাঠে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন ক্যানডিস বারবার নামের ওই শিক্ষিকা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রিন্সেস রিসবার্গ স্কুলে শিক্ষকতা করার সময় ২০১৯ সালে ১৫ বছর বয়সী ছাত্রের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন ওই শিক্ষিকা। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ২০২১ সালে তাকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এবার তাকে শিক্ষকতায় আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির টিচার কাউন্সিল।

ব্যক্তিগত জীবনে তিন সন্তানের মা ক্যানডিস। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।

ওই ছাত্রকে নিজের নগ্ন ছবি ও ভিডিও পাঠানোর প্রমাণ মিলেছে ক্যানডিসের বিরুদ্ধে। তদন্তে জানা গেছে, তিনি ছাত্রকে হুমকি দিয়েছিলেন, যেন এসব কথা সে বড় কাউকে না জানায়।

এরপর বেশ কিছু দিন ছাত্রের সঙ্গে এভাবে সম্পর্ক চালিয়ে গেছেন শিক্ষিকা। ক্লাস চলাকালীনও আপত্তিকর মেসেজ পাঠাতেন তিনি। ছেলেটিকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যেন তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ না তোলে সে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে একটি ছবি কোনোভাবে পৌঁছে যায়। এরপর ঘটনাটি আলোচনায় আসে। ঘটনার শিকার ওই ছাত্র জানায়, এই ঘটনায় তার পড়াশোনার ক্ষতি হয়েছে। পরীক্ষা খারাপ হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

ছাত্রের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, আজীবন নিষিদ্ধ শিক্ষিকা

আপডেট টাইম : ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৪

স্কুলছাত্রের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করায় আজীবন নিষিদ্ধ হয়েছেন যুক্তরাজ্যের এক শিক্ষিকা। ১৫ বছর বয়সী ওই ছাত্রকে প্রলুব্ধ করে মাঠে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন ক্যানডিস বারবার নামের ওই শিক্ষিকা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রিন্সেস রিসবার্গ স্কুলে শিক্ষকতা করার সময় ২০১৯ সালে ১৫ বছর বয়সী ছাত্রের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন ওই শিক্ষিকা। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ২০২১ সালে তাকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এবার তাকে শিক্ষকতায় আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির টিচার কাউন্সিল।

ব্যক্তিগত জীবনে তিন সন্তানের মা ক্যানডিস। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।

ওই ছাত্রকে নিজের নগ্ন ছবি ও ভিডিও পাঠানোর প্রমাণ মিলেছে ক্যানডিসের বিরুদ্ধে। তদন্তে জানা গেছে, তিনি ছাত্রকে হুমকি দিয়েছিলেন, যেন এসব কথা সে বড় কাউকে না জানায়।

এরপর বেশ কিছু দিন ছাত্রের সঙ্গে এভাবে সম্পর্ক চালিয়ে গেছেন শিক্ষিকা। ক্লাস চলাকালীনও আপত্তিকর মেসেজ পাঠাতেন তিনি। ছেলেটিকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যেন তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ না তোলে সে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে একটি ছবি কোনোভাবে পৌঁছে যায়। এরপর ঘটনাটি আলোচনায় আসে। ঘটনার শিকার ওই ছাত্র জানায়, এই ঘটনায় তার পড়াশোনার ক্ষতি হয়েছে। পরীক্ষা খারাপ হয়েছে।