ঢাকা , রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের নির্দেশে ওসমান হাদির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দিলেন ব্যবসায়ী ফাহিম আমাদের ইসলাম ও মওদুদীর ইসলাম এক নয় নির্বাচনে অংশ নিলেও জামায়াত একটি আসনও পাবে না: আল্লামা শাহ মহিবুল্লাহ বাবুনগরী সুদানের আবেইতে ইউএন ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত তারেক রহমানের সময়োপযোগী ও সাহসী সিদ্ধান্ত দেশের ৯৬ ভাগ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এআই ব্যবহার করেন সপ্তাহজুড়ে শৈত্যপ্রবাহে কাঁপবে ৪ থেকে ৫ জেলা হাদিকে নিয়ে মানববন্ধন থেকে ফেরার পথে ২ জনকে কুপিয়ে জখম হলুদ সরিষা ফুলে ভরে উঠেছে মাঠ, কৃষকের বাড়তি লাভের আশা দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ হাদির উপর গুলি, নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়ে আশঙ্কা: বদিউল আলম মজুমদার

ইউরোপ যুদ্ধ চাইলে আমরা এখনই প্রস্তুত : পুতিন

ইউক্রেন শান্তি চুক্তি নিয়ে মার্কিন দূতদের সঙ্গে আলোচনার প্রাক্কালে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউরোপের প্রতি চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ইউরোপ যদি ‘যুদ্ধ চায় এবং শুরু করে, আমরা এখনই প্রস্তুত।’

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) মস্কোয় মার্কিন দূতদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে পুতিন এই মন্তব্য করেন। খবর বিবিসির।

এ সময় পুতিন আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত খসড়া শান্তি চুক্তিতে কিয়েভ ও ইউরোপের পক্ষ থেকে যে পরিবর্তনগুলো প্রস্তাব করা হয়েছে, তা রাশিয়ার কাছে অগ্রহণযোগ্য।

এই সাক্ষাৎ শেষে রুশ প্রেসিডেন্ট ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ দূতদের মধ্যে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক চলে। তবে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় বড় কোনো সাফল্য আসেনি।

ক্রেমলিনের একজন মুখপাত্র বৈঠকটিকে ‘গঠনমূলক’ বলে উল্লেখ করেন। তবে তিনি জানান, শান্তি পরিকল্পনার কিছু বিষয় রাশিয়ার কাছে এখনও অগ্রহণযোগ্য। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার এই আলোচনায় অংশ নেন। মস্কো ছাড়ার পর মার্কিন দলটি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। অন্যদিকে রুশ প্রেসিডেন্টের পক্ষে ছিলেন তার দুই সহযোগী কিরিল দিমিত্রিয়েভ ও ইউরি উশাকভ।

পুতিনের জ্যেষ্ঠ সহযোগী ইউরি উশাকভ পরে নিশ্চিত করেন, তারা চুক্তির কিছু বিষয়ে একমত হলেও কিছু বিষয়ের সমালোচনা করেছেন। তবে এখনো কোনো আপসজনক সংস্করণে পৌঁছানো যায়নি। ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চল ছেড়ে দেওয়া ও ইউরোপের পক্ষ থেকে দেওয়া নিরাপত্তা গ্যারান্টি—এই দুটি বিষয় নিয়ে মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে প্রধান মতপার্থক্য বজায় রয়েছে।

বৈঠকের আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছিলেন, এই যুদ্ধ শেষ করার সুযোগ এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। তবে চুক্তিতে স্পষ্ট নিরাপত্তা গ্যারান্টি ও ন্যাটোর সদস্যপদ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে—যেটি রাশিয়া বরাবরই বিরোধিতা করে আসছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের নির্দেশে ওসমান হাদির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দিলেন ব্যবসায়ী ফাহিম

ইউরোপ যুদ্ধ চাইলে আমরা এখনই প্রস্তুত : পুতিন

আপডেট টাইম : ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ইউক্রেন শান্তি চুক্তি নিয়ে মার্কিন দূতদের সঙ্গে আলোচনার প্রাক্কালে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউরোপের প্রতি চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ইউরোপ যদি ‘যুদ্ধ চায় এবং শুরু করে, আমরা এখনই প্রস্তুত।’

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) মস্কোয় মার্কিন দূতদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে পুতিন এই মন্তব্য করেন। খবর বিবিসির।

এ সময় পুতিন আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত খসড়া শান্তি চুক্তিতে কিয়েভ ও ইউরোপের পক্ষ থেকে যে পরিবর্তনগুলো প্রস্তাব করা হয়েছে, তা রাশিয়ার কাছে অগ্রহণযোগ্য।

এই সাক্ষাৎ শেষে রুশ প্রেসিডেন্ট ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ দূতদের মধ্যে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক চলে। তবে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় বড় কোনো সাফল্য আসেনি।

ক্রেমলিনের একজন মুখপাত্র বৈঠকটিকে ‘গঠনমূলক’ বলে উল্লেখ করেন। তবে তিনি জানান, শান্তি পরিকল্পনার কিছু বিষয় রাশিয়ার কাছে এখনও অগ্রহণযোগ্য। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার এই আলোচনায় অংশ নেন। মস্কো ছাড়ার পর মার্কিন দলটি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। অন্যদিকে রুশ প্রেসিডেন্টের পক্ষে ছিলেন তার দুই সহযোগী কিরিল দিমিত্রিয়েভ ও ইউরি উশাকভ।

পুতিনের জ্যেষ্ঠ সহযোগী ইউরি উশাকভ পরে নিশ্চিত করেন, তারা চুক্তির কিছু বিষয়ে একমত হলেও কিছু বিষয়ের সমালোচনা করেছেন। তবে এখনো কোনো আপসজনক সংস্করণে পৌঁছানো যায়নি। ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চল ছেড়ে দেওয়া ও ইউরোপের পক্ষ থেকে দেওয়া নিরাপত্তা গ্যারান্টি—এই দুটি বিষয় নিয়ে মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে প্রধান মতপার্থক্য বজায় রয়েছে।

বৈঠকের আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছিলেন, এই যুদ্ধ শেষ করার সুযোগ এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। তবে চুক্তিতে স্পষ্ট নিরাপত্তা গ্যারান্টি ও ন্যাটোর সদস্যপদ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে—যেটি রাশিয়া বরাবরই বিরোধিতা করে আসছে।