ঢাকা , শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের প্রকৃত চর্চাকারী রাষ্ট্রনায়ক : ড. মঈন খান পে স্কেলের জন্য বরাদ্দ ২২ হাজার কোটি টাকা, বাস্তবায়ন হবে কবে শহীদ জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করলো বিএনপি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো গণমাধ্যম সম্মিলন জানুয়ারির প্রথম অর্ধেকেও সম্পন্ন হয়নি বিতরণ কেউ ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে দমাতে পারবে না: তারেক রহমান বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে অস্বস্তিতে মিত্ররা, সুখবর দিল বিএনপি ইরানকে ধন্যবাদ দিলেন ট্রাম্প গুম-খুন-নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর সঙ্গে মতবিনিময়ে তারেক রহমান পদ্মাপাড়ে ২ কিলোমিটার জুড়ে সরিষা চাষ, নয়নাভিরাম দৃশ্যে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

সেবার মুক্তিযোদ্ধা সেজেছিলাম

১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালে এই ডিসেম্বর মাসেই আমরা পেয়েছি লাল-সবুজের পতাকা। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি। তখন আমি জন্মগ্রহণ করিনি।

কিন্তু শহীদদের গল্প শুনেছি মা-বাবা ও স্কুলের স্যারদের কাছ থেকে। সে সময় দেশকে দখল করতে চেয়েছিল পাকিস্তানের খারাপ মানুষরা। এ দেশের অনেক সাহসী ও বীর মানুষ দেশের জন্য লড়াই করে তাদের হারিয়ে দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে। বিজয় দিবসে স্কুলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয়।
সেখানেও আমরা ইতিহাস জানতে পারি। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার পর থেকেই বিজয়ের এই দিনে লাল-সবুজের পতাকা ওড়াই, বিজয়ের আনন্দে মেতে উঠি। এবারও এই বিশেষ দিনে সব জায়গা সেজে উঠবে লাল-সবুজে। মা-বাবা আমাকে ছোটদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সহজে জানা ও বোঝার জন্য বই উপহার দেন।
বইয়ের পাতায় থাকে মুক্তিযুদ্ধের গল্প। প্রতিবছরের মতো লাল ও সবুজ রঙের পোশাক পরে নিজেকে রঙিন করব। বিজয় দিবসে স্কুলে গল্প, আঁকা ও ছড়া বলার প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়। সেখানে আমিও অংশগ্রহণ করি। দেশের পতাকা আঁকতে আমার ভালো লাগে।
আগেরবার মুক্তিযোদ্ধা সেজেছিলাম। পুরস্কার হিসেবে পেয়েছিলাম একটি মগ। ১৬ তারিখ সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠব। লাল-সবুজের পতাকা মাথায় বেঁধে ফুল নিয়ে শহীদের বেদিতে সম্মান জানাব। পরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানে ঘুরতে যাব মা-বাবার সঙ্গে। আমি দেশকে খুব ভালোবাসি। বড় হয়ে দেশের জন্য ভালো কাজ করতে চাই।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের প্রকৃত চর্চাকারী রাষ্ট্রনায়ক : ড. মঈন খান

সেবার মুক্তিযোদ্ধা সেজেছিলাম

আপডেট টাইম : ০৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালে এই ডিসেম্বর মাসেই আমরা পেয়েছি লাল-সবুজের পতাকা। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি। তখন আমি জন্মগ্রহণ করিনি।

কিন্তু শহীদদের গল্প শুনেছি মা-বাবা ও স্কুলের স্যারদের কাছ থেকে। সে সময় দেশকে দখল করতে চেয়েছিল পাকিস্তানের খারাপ মানুষরা। এ দেশের অনেক সাহসী ও বীর মানুষ দেশের জন্য লড়াই করে তাদের হারিয়ে দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে। বিজয় দিবসে স্কুলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয়।
সেখানেও আমরা ইতিহাস জানতে পারি। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার পর থেকেই বিজয়ের এই দিনে লাল-সবুজের পতাকা ওড়াই, বিজয়ের আনন্দে মেতে উঠি। এবারও এই বিশেষ দিনে সব জায়গা সেজে উঠবে লাল-সবুজে। মা-বাবা আমাকে ছোটদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সহজে জানা ও বোঝার জন্য বই উপহার দেন।
বইয়ের পাতায় থাকে মুক্তিযুদ্ধের গল্প। প্রতিবছরের মতো লাল ও সবুজ রঙের পোশাক পরে নিজেকে রঙিন করব। বিজয় দিবসে স্কুলে গল্প, আঁকা ও ছড়া বলার প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়। সেখানে আমিও অংশগ্রহণ করি। দেশের পতাকা আঁকতে আমার ভালো লাগে।
আগেরবার মুক্তিযোদ্ধা সেজেছিলাম। পুরস্কার হিসেবে পেয়েছিলাম একটি মগ। ১৬ তারিখ সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠব। লাল-সবুজের পতাকা মাথায় বেঁধে ফুল নিয়ে শহীদের বেদিতে সম্মান জানাব। পরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানে ঘুরতে যাব মা-বাবার সঙ্গে। আমি দেশকে খুব ভালোবাসি। বড় হয়ে দেশের জন্য ভালো কাজ করতে চাই।