ঢাকা , শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঘূর্ণিঝড় মোখা চট্টগ্রামের বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ ওঠানামা বন্ধ ঘোষণা

ঘূর্ণিঝড় মোখা উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ মে) সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রামের এ বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ ওঠানামা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার তাসনীম হাসান।

তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড়ের পরবর্তী গতিপথ পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যেহেতু আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে ৮ নম্বর সংকেত জারি করা হয়েছে। সাগর বেষ্টিত জেলা চট্টগ্রামেও এ ঝড়ের প্রভাব রয়েছে। ফলে এই সময়ে কোনোভাবে বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট ওঠানামা করা সম্ভব নয়।

ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে অপারেশনাল কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়া হচ্ছে। জেটিতে থাকা জাহাজগুলোকে বহির্নোঙ্গরে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে আট নম্বর মহা বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আর মোংলা বন্দরকে দেখাতে বলা হয়েছে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত।

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার গতির বাতাসের শক্তি নিয়ে বাংলাদেশ উপকূলের সাড়ে আটশ কিলোমিটারের মধ্যে হাজির হওয়ায় জারি করা হয়েছে মহা বিপদ সংকেত।

বর্তমান গতিপথ ঠিক থাকলে রোববার (১৪ মে) দুপুর নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের কক্সবাজার এবং মিয়ানমারের কিয়াউকপিউয়ের মধ্যবর্তী এলাকা দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়ে ৮ থেকে ১২ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

ঘূর্ণিঝড় মোখা চট্টগ্রামের বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ ওঠানামা বন্ধ ঘোষণা

আপডেট টাইম : ০৭:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩

ঘূর্ণিঝড় মোখা উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ মে) সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রামের এ বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ ওঠানামা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার তাসনীম হাসান।

তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড়ের পরবর্তী গতিপথ পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যেহেতু আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে ৮ নম্বর সংকেত জারি করা হয়েছে। সাগর বেষ্টিত জেলা চট্টগ্রামেও এ ঝড়ের প্রভাব রয়েছে। ফলে এই সময়ে কোনোভাবে বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট ওঠানামা করা সম্ভব নয়।

ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে অপারেশনাল কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়া হচ্ছে। জেটিতে থাকা জাহাজগুলোকে বহির্নোঙ্গরে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে আট নম্বর মহা বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আর মোংলা বন্দরকে দেখাতে বলা হয়েছে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত।

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার গতির বাতাসের শক্তি নিয়ে বাংলাদেশ উপকূলের সাড়ে আটশ কিলোমিটারের মধ্যে হাজির হওয়ায় জারি করা হয়েছে মহা বিপদ সংকেত।

বর্তমান গতিপথ ঠিক থাকলে রোববার (১৪ মে) দুপুর নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের কক্সবাজার এবং মিয়ানমারের কিয়াউকপিউয়ের মধ্যবর্তী এলাকা দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়ে ৮ থেকে ১২ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।