ঢাকা , শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জিডিপিতে পাটের অবদান ১.৪ শতাংশ

মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) পাটের অবদান ১ দশমিক ৪ শতাংশ। কৃষিতে তা ২৬ শতাংশ। আর দেশের মোট জিডিপিতে পাটের অবদান আট বিলিয়নের মতো। আবার আট বিলিয়নের মধ্যে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন আমরা রপ্তানি করি। পাটের রপ্তানি টু জিডিপি অনুপাত অন্য যে কোনো সেক্টরের চেয়ে বেশি। এসব তথ্য জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পিপিসি অনুবিভাগ) রুহুল আমিন তালুকদার। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিজেআরআই) এক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন। অতিরিক্ত সচিব বলেন, স্ব-স্ব ইনস্টিটিউটকে তাদের পণ্যের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে। পাটের উৎপাদনশীলতা বাড়লে মিলগুলোর ইউনিট প্রতি খরচ কমবে, তখন লভ্যাংশের অনুপাত বাড়বে, ফলে দরিদ্র কমবে। ওই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিজেআরআই মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল আউয়াল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোসাম্মাৎ জোহরা খাতুন। বিজেআরআই মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশ সরকার সফলতার সঙ্গে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এমডিজি) সম্পন্ন করেছে। এসডিজিতেও সফলতার আশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এসডিজি বাস্তবায়ন সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, সবাইকে এক যোগে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে পাট চাষে বড় সমস্যা হলো বীজের সমস্যা। পাটের জমিতে যদি পাট বীজ উৎপাদন করা হতো তবে এই সমস্যা দূর করা সম্ভব। আমরা কেনাফ বীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি, বিজেআরআই’র সহায়তায় কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার কিরাটন ইউনিয়নে কেনাফ বীজ উৎপাদন সমিতি গড়ে তোলা হয়েছে। এতে মোট বীজ উৎপাদনকারী কৃষকের সংখ্যা প্রায় ৬১২ জন। তিনি আরও বলেন, আমরা বিজেআরআই কর্তৃক বেশকিছু টেকনোলজি উদ্ভাবন করেছি। যেখানে এককভাবে পাট বীজ উৎপাদনের প্রয়োজন নেই। মরিচের জমিতে, মুলার সঙ্গে ও অন্যান্য রবি শস্যের সঙ্গে আন্তঃফসল হিসেবে পাট বীজ করা যায় এবং এটা লাভজনক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জিডিপিতে পাটের অবদান ১.৪ শতাংশ

আপডেট টাইম : ০৫:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ মে ২০২৩

মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) পাটের অবদান ১ দশমিক ৪ শতাংশ। কৃষিতে তা ২৬ শতাংশ। আর দেশের মোট জিডিপিতে পাটের অবদান আট বিলিয়নের মতো। আবার আট বিলিয়নের মধ্যে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন আমরা রপ্তানি করি। পাটের রপ্তানি টু জিডিপি অনুপাত অন্য যে কোনো সেক্টরের চেয়ে বেশি। এসব তথ্য জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পিপিসি অনুবিভাগ) রুহুল আমিন তালুকদার। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিজেআরআই) এক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন। অতিরিক্ত সচিব বলেন, স্ব-স্ব ইনস্টিটিউটকে তাদের পণ্যের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে। পাটের উৎপাদনশীলতা বাড়লে মিলগুলোর ইউনিট প্রতি খরচ কমবে, তখন লভ্যাংশের অনুপাত বাড়বে, ফলে দরিদ্র কমবে। ওই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিজেআরআই মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল আউয়াল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোসাম্মাৎ জোহরা খাতুন। বিজেআরআই মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশ সরকার সফলতার সঙ্গে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এমডিজি) সম্পন্ন করেছে। এসডিজিতেও সফলতার আশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এসডিজি বাস্তবায়ন সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, সবাইকে এক যোগে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে পাট চাষে বড় সমস্যা হলো বীজের সমস্যা। পাটের জমিতে যদি পাট বীজ উৎপাদন করা হতো তবে এই সমস্যা দূর করা সম্ভব। আমরা কেনাফ বীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি, বিজেআরআই’র সহায়তায় কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার কিরাটন ইউনিয়নে কেনাফ বীজ উৎপাদন সমিতি গড়ে তোলা হয়েছে। এতে মোট বীজ উৎপাদনকারী কৃষকের সংখ্যা প্রায় ৬১২ জন। তিনি আরও বলেন, আমরা বিজেআরআই কর্তৃক বেশকিছু টেকনোলজি উদ্ভাবন করেছি। যেখানে এককভাবে পাট বীজ উৎপাদনের প্রয়োজন নেই। মরিচের জমিতে, মুলার সঙ্গে ও অন্যান্য রবি শস্যের সঙ্গে আন্তঃফসল হিসেবে পাট বীজ করা যায় এবং এটা লাভজনক।