বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ সিরাজগঞ্জ অংশে বেড়েছে যমুনা নদীর পানি। বর্তমানে যমুনার পানি দু’সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে প্লাবিত হচ্ছে এ জেলার আরো বেশ কয়েকটি নতুন গ্রাম। সেই সঙ্গে দেখা দিয়েছে তীব্র পাড় ভাঙন।
সোমবার সকালে শাহজাদপুর উপজেলার জারাদহ, পোতিজিয়া, গালা, রূপকাটি ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম, সিরাজগঞ্জ সদরের কাউয়্যাখোলা, মেছলা ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম, কাজীপুর উপজেলার নাটোয়াপাড়া, চরগিরি ইউনিয়নসহ চরাঞ্চলের
বিভিন্ন ইউনিয়ন নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে। এসব ইউনিয়নের কয়েকশ গ্রাম এরই মধ্যে পানিতে ডুবে গেছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম জানান, বৃষ্টি হওয়ায় বেড়েছে পানি। বর্তমানে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভাঙনরোধে বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বালির বস্তা ফেলা হচ্ছে।
এদিকে বন্যার পানিতে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে বানভাসিরা। ভাঙন কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাদ্য, বিশুদ্ধ খাওয়ার পানি ও গো-খাদ্যের তীব্র সংকট। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থাও। অনেকে বসতভিটা ছেড়ে বাঁধে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় থেকে বন্যা কবলিত মানুষের জন্য ২০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় ১১ মেট্রিক টন, কাজিপুরে ৪ মেট্রিক টন, চৌহালীতে ৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 























