ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্যাস-তেল নেই, সরকারের দোষ—লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করে যা বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সুইস বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টিয়ান মার্টিন ফোট্স আজ বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে রাষ্ট্রদূত ঢাকায় তাঁর দায়িত্ব পালনকালে তাকে সহযোগিতা করার জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতি বলেন, বন্ধুপ্রতীম দু’দেশের মধ্যকার বিরাজমান দ্বিপক্ষীয় ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার এবং বর্তমানে এই সম্পর্ক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। হামিদ বলেন, ১৯৭২ সালে ১৪ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশ হিসাবে স্বীকৃতিদানকারি ইউরোপীয় দেশ সমূহের মধ্যে সুইজারল্যান্ড একটি। এ জন্য তিনি সুইস সরকার ও সেদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

আবদুল হামিদ দু’দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি হামিদ কাঙ্খিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জণ নিশ্চিত করতে ব্যাক্তিগত বেসরকারি এবং বেসরকারি-সরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে দেশে একশ’টি বিশেষ অর্থনৈতিক জোন স্থাপনে সরকারি পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে বলেন, সুইজারল্যান্ড এই সেক্টরে বিনিয়োগ করতে পারে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে ওষুধের পাশাপাশি পাট, পাটজাত পণ্য, সিরামিক, তৈরি পোশাক এবং জুতা ও হিমায়িত খাদ্যের মতো চামড়াজাত পণ্য আমদানি করার মধ্য দিয়ে দু’দেশের মধ্যকার বাণিজ্যের পরিমান বৃদ্ধি করা যেতে পারে।

সুইস রাষ্ট্রদূত ভবিষ্যতে বাংলাদেশের একজন শুভেচ্ছা দূত হিসাবে কাজ করবেন বলে হামিদ আশা প্রকাশ করেন।

বিদায়ি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বর্তমান আর্থসামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন এবং এখানে তার অবস্থানকালে সব ধরনের সহযোগিতা পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের জনগন খুবই অতিথিপরায়ন, তিনি সুযোগ পেলেই বাংলাদেশ সফরে আসবেন। বাংলাদেশ ভবিষ্যতে আরো উন্নতি করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বৈঠকে বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট সচিব ও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

গ্যাস-তেল নেই, সরকারের দোষ—লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সুইস বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আপডেট টাইম : ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টিয়ান মার্টিন ফোট্স আজ বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে রাষ্ট্রদূত ঢাকায় তাঁর দায়িত্ব পালনকালে তাকে সহযোগিতা করার জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতি বলেন, বন্ধুপ্রতীম দু’দেশের মধ্যকার বিরাজমান দ্বিপক্ষীয় ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার এবং বর্তমানে এই সম্পর্ক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। হামিদ বলেন, ১৯৭২ সালে ১৪ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশ হিসাবে স্বীকৃতিদানকারি ইউরোপীয় দেশ সমূহের মধ্যে সুইজারল্যান্ড একটি। এ জন্য তিনি সুইস সরকার ও সেদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

আবদুল হামিদ দু’দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি হামিদ কাঙ্খিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জণ নিশ্চিত করতে ব্যাক্তিগত বেসরকারি এবং বেসরকারি-সরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে দেশে একশ’টি বিশেষ অর্থনৈতিক জোন স্থাপনে সরকারি পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে বলেন, সুইজারল্যান্ড এই সেক্টরে বিনিয়োগ করতে পারে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে ওষুধের পাশাপাশি পাট, পাটজাত পণ্য, সিরামিক, তৈরি পোশাক এবং জুতা ও হিমায়িত খাদ্যের মতো চামড়াজাত পণ্য আমদানি করার মধ্য দিয়ে দু’দেশের মধ্যকার বাণিজ্যের পরিমান বৃদ্ধি করা যেতে পারে।

সুইস রাষ্ট্রদূত ভবিষ্যতে বাংলাদেশের একজন শুভেচ্ছা দূত হিসাবে কাজ করবেন বলে হামিদ আশা প্রকাশ করেন।

বিদায়ি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বর্তমান আর্থসামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন এবং এখানে তার অবস্থানকালে সব ধরনের সহযোগিতা পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের জনগন খুবই অতিথিপরায়ন, তিনি সুযোগ পেলেই বাংলাদেশ সফরে আসবেন। বাংলাদেশ ভবিষ্যতে আরো উন্নতি করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বৈঠকে বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট সচিব ও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।