ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্যাস-তেল নেই, সরকারের দোষ—লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করে যা বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

সিটি করপোরেশন নির্বাচন গাজীপুরে আওয়ামী লীগের শক্তিশালী মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর

বাঙালী কন্ঠ নিউজঃ রাজধানী ঢাকার খুব কাছে ও দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সিটি করপোরেশন গাজীপুর। এর আয়তন ৩২৯ দশমিক ৫৩ বর্গ কিলোমিটার। এখানে প্রায় ২৫ লাখ লোকের বাস; কিন্তু শিল্প-কারখানায় কাজের প্রয়োজনে বিভিন্ন জেলা থেকে আরো প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ মানুষ প্রতিদিন এ জেলায় আসে। বিকাশমান শিল্প-কারখানাসমৃদ্ধ গাজীপুর মহানগর পূর্বের গাজীপুর ও টঙ্গী পৌরসভা এবং পূবাইল, বাসন, গাছা, কোনাবাড়ী, কাশিমপুর, কাউলতিয়া ইউনিয়নে ৫৭টি ওয়ার্ড নিয়ে যাত্রা শুরু করে ২০১৩ সালের ১৬ জানুয়ারি। ওই বছরের ৬ জুলাই অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নগরবাসী বহু প্রত্যাশা নিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করেন। মোট ভোটার ছিলো ১০ লাখ ২৬ হাজার ৯৩৯ জন।

কিন্তু মেয়র ও কাউন্সিলরগণ দায়িত্ব নিলেও জনসেবার জন্য যে গতিশীলতা প্রয়োজন তা একেবারেই দেখা যায় না। প্রয়োজনীয় জনবল নেই, রয়েছে অর্থ সংকট। সরকারের যে সকল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সিটি এলাকায় রয়েছে এগুলোর মধ্যে কোনোটিই এখনো করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সিটি গঠনের পর নাগরিকদের ট্যাক্স বাড়লেও সেবা আগের তুলনায় কমেছে। এর জন্য মেয়রের আসন নিয়ে টানাটানি ও সরকারের ভুল সিদ্ধান্তকেই দায়ী করছেন বিশিষ্টজনেরা।

দানবীর জাহাঙ্গীর আলমের কথা নিশ্চয়ই ভুলে যাননি গাজীপুরের মানুষ। গত নির্বাচনে একেবারে শেষলগ্ন পর্যন্ত ভোটের মাঠে ছিলেন। সবকিছু ছাড়িয়ে ‘বিদ্রোহী’ হয়েও জায়গা করে নিয়েছিলেন মানুষের মনে। শেষপর্যন্ত দলের সিদ্ধান্তে প্রার্থীতা থেকে অশ্রুসজল বিদায় হয়েছিলো জাহাঙ্গীরের। এবার সেই জাহাঙ্গীরেই ভরসা রাখতে চায় মানুষ।

‘দ্বিতীয় গোপালগঞ্জ’ হিসেবে পরিচিত গাজীপুরের প্রথম নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছিলো ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের। কার্যত প্রার্থী নির্বাচনে ভুল এবং দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের প্রভাবই পড়েছিলো ভোটের ফলে। এবার আর দ্বিতীয় ভুল করতে চায় না দল। তাই আগে থেকেই অতি সাবধানতা থাকছে প্রার্থী নির্বাচনে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসছে। আগামী বছরের শুরুর দিকেই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার জোর সম্ভাবনা। আর তা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রস্তুত রয়েছে সরকার ও নির্বাচন কমিশন। হাতে খুব বেশি সময় না থাকায় গাজীপুর সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী বাছাইয়ে এখন থেকেই মনযোগী দল। দলের টিকিট শেষপর্যন্ত কার হাতে ওঠে-সেটি এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, অভ্যন্তরীণ এই প্রতিযোগিতায় জাহাঙ্গীর আলম পেতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের টিকিট। আর তা নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে গাজীপুরের তৃণমূল আওয়ামী লীগসহ দলের শীর্ষমহলও। আর সে ভাবনা কাটবে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরই।

নতুন নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আসছে দেশের ছয়টি সিটি নির্বাচন। রংপুর, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, সিলেটের সঙ্গে আছে দেশের সবচেয়ে বড় সিটি করপোরেশন গাজীপুরও।

বর্তমান সময়ে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের নামটি বেশ আলোচিত। তার কারন ২০০৯ সালে জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার সুবাদে টঙ্গী এবং জয়দেবপুর থানার পুরো এলাকাবাসীর সঙ্গে সামাজিক-সাংস্কৃতিক-পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সুখে-দুঃখে তিনি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এলাকার অধিকাংশ কল-কারখনার ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে থাকায় তার কাঁচা পয়সা ছিল প্রচুর। এসব ক্ষেত্রে তিনি এলাকার বেকার যুবকদেরও অর্থ তথা কর্মসংস্থান করে দিয়েছেন। সরকারি অর্থ বরাদ্দ দিতে না পারলেও তিনি নিজের অর্থ দান করেছেন মসজিদ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে। কেউ তার কাছ থেকে খালি হাতে ফেরেননি। ফলে অল্প সময়ে তিনি এলাকাবাসীর মন জয় করতে সমর্থ হয়েছেন। তাই এখনো অনেকেই তাকে মেয়র হিসেবে দেখতে চান।

গাজীপুরের সর্বত্র যখন হাইব্রিড, কাউয়া, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, বা পাতিনেতারা নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত তখন জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকার পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় পডুয়া ২৫ হাজার ছাত্রছাত্রীকে তার ফাউন্ডেশন থেকে প্রায় ৫ কোটি টাকার বৃত্তি প্রদান করেছেন। কারো কারো পুরো শিক্ষাব্যয় বহন করেছেন। সবাইকে সর্বনিম্ন ২০ হাজার থেকে লক্ষাধিক টাকা বৃত্তি প্রদান করেছেন। যেটা নজিরবিহীন।

একসময়ের মাঠ কাঁপানো ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম ভাইস চেয়ারম্যান থাকাকালীন মানুষের মনে নিজের জায়গাটি পোক্ত করে ফেলেন। নির্বাচিত হয়ে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্ম থেকে ছাত্রলীগকে মুক্ত রাখতে গ্রহণ করেছিলেন নানা উদ্যোগ। সফলতাও পান। হয়ে ওঠেন মানুষের আস্থার প্রতীক।

এ ছাড়াও নিজেকে ঘুষ-দুর্নীতির বাইরে রেখেও ব্যক্তিগত তহবিল থেকে রাস্তাঘাট মেরামত, মসজিদ মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুদান, সেবা ও আপদ-বিপদে পাশে দাঁড়িয়ে দ্রুত হয়ে ওঠেন সব বয়সী মানুষের নয়নের মনি, প্রিয় থেকেও প্রিয়তর নেতা কিংবা স্বপ্নের মেয়র।

জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা জাহাঙ্গীর আলমের ইতিকথা
ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে পথ হাঁটা জাহাঙ্গীর আলমের গাজীপুরের কানাইয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবনের হাতেখড়ি। পরবর্তীতে চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৪ সালে মানবিক শাখায় এসএসসি ও ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী কলেজ থেকে এইচএসসি, অনার্স, মার্স্টাসসহ এলএলবি পাস করেন। বাবা মায়ের তিন সন্তানের মধ্যে জাহাঙ্গীরের অবস্থান দ্বিতীয়।

২০১৩ সালে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচনে সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে মেয়র পদে দলীয় সমর্থন চেয়েছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম। যিনি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে প্রায় সাড়ে তিন লাখ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে নজিরবিহীন ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন। সেই জাহাঙ্গীর ভাইস চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে নির্বাচনের মাঠে নামলে দল তাকে সমর্থন দেয়নি।

টঙ্গীর সাবেক পৌর মেয়র আজমত উল্লাহ খান দলের সমর্থন পেলেও অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে আদালতের নির্দেশে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে টিকে ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। অতঃপর প্রার্থী সমস্যা নিরসনের জন্য সে বছরের ১৮ জুন নাটকীয়ভাবে জাহাঙ্গীরকে ঢাকায় তুলে নিয়ে যান ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা। এরপর প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পর ২৩ জুন জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুরে এসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। দলীয় উচ্চপর্যায়, স্থানীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ ভোটারদের মনে আজো গেঁথে রয়েছে সেইদিনের স্মৃতি।

সেইদিনের মহানুভবতার উপহার হিসেবে সিটি নির্বাচনের বছরখানেক পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্বটি দেন জাহাঙ্গীর আলমকে। এমনকি সেই সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে আগামী নির্বাচনের জন্য মাঠ গোছানোর জন্যেও নির্দেশেনা দেন। মাত্র ৩৪ বছর বয়সে মহানগরের সাধারণ সম্পাদকের মত গুরুদায়িত্ব পেয়ে নানা উদ্যোগ ও কর্মসূচি দিয়ে ঝিমিয়ে পড়া আওয়ামী লীগকে প্রাণের সঞ্চার করে চলেছেন তিনি। তাই দলীয় মনোনয়নে মেয়র প্রার্থী হিসেবে তাকেই চায় গাজীপুরবাসী।

স্থানীয়রা জানান, গত নির্বাচনে পরাজয়ের পর দলের ভেতরে অনেকটা কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন আজমত উল্লাহ খান। মূলত ওই নির্বাচনের পর থেকেই জাহাঙ্গীর আলমের জন্যে হা-হুতাশ শুরু করে মানুষ। আফসোস করতে থাকেন, কেন জাহাঙ্গীরকেই বেছে নিলো না দল। পরবর্তী নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে জাহাঙ্গীরকেই ভেবে আসছে তৃণমূলের মানুষ। গাজীপুর জুড়ে মানুষের মাঝে আগামি সিটি নির্বাচনের ইস্যু নিয়ে এখনই চায়ের দোকানে, দলবদ্ধ আড্ডায় জমে উঠেছে নানা বিতর্ক।

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্র জানায়, আসন্ন গাজীপুর সিটি নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের অগ্নিকন্যা আইভীর মতই দুরন্ত একজন ষ্ট্রাইকার প্রার্থীকেই ভেবে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। আর সেই ষ্ট্রাইকারটি হচ্ছেন গাজীপুরের জনপ্রিয় নেতা জাহাঙ্গীর আলম। এমনটাই মনে করছেন জেলা ও মহনগর আওয়ামী লীগসহ কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা।

দলীয় কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, মেয়র নির্বাচনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দলের ভিতরে বাইরে ব্যাপক কর্মকা-, জনসংযোগ ও সাংগঠনিক তৎপরতায় নিজেকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসাবে দলের বাইরে ও সকল মহলের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছেন জাহাঙ্গীর আলম।

নেতাকর্মীরা জানান, আগামী সিটি নির্বাচনে জাহাঙ্গীর আলমই মেয়র প্রার্থী। দলের নেত্রী সেভাবেই নির্দেশনা দিয়েছেন জাহাঙ্গীরকে। তাই প্রতিটি ওয়ার্ডের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে ভোটারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং সুখে-দুঃখে নেতাকর্মীদের পাশে থাকছেন। ঝিমিয়ে পড়া আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জাহাঙ্গীরকে পেয়ে যেন চাঙা হয়ে উঠেছে।

মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে জয়লাভের আশা ব্যক্ত করে  জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দলীয় মনোনয়ন পেলে জিতব ইনশাআল্লাহ। নৌকার লোক বাঁড়াতে কাজ চলছে। জাহাঙ্গীর আলম শিক্ষা ফাউন্ডেশন নিয়ে তিনি বলেন, মোট তিনস্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা এই ফাউন্ডেশনে যোগ হয়েছে। নতুন করে প্রাথমিক, মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব নিয়েছি। যা আগে শুধু বিশ্ববিদ্যালয় পডুয়াদের জন্য প্রযোজ্য ছিল। এসব শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া শেষ হলে জাহাঙ্গীর আলম শিক্ষা ফাউন্ডেশন প্রত্যেককে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিবে। এর পরিসর আরো বৃদ্ধি পাবে এবং তার প্রচেষ্টায় গাজীপুরে নিরক্ষর কোন লোক থাকবেনা বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, নৌকার পক্ষে কাজ করতে আমি সর্বদা প্রস্তুত রয়েছি। সিটির নাগরিকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। নগরীতে ব্যাপক জনসংযোগ করছি। নাগরিকদের সমস্যা সমাধানে সব ধরনের প্রদক্ষেপ হাতে নিয়েছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও দলীয় সিদ্ধান্তের পরই আওয়ামী লীগ মনোনিত মেয়র প্রার্থীকে দেখতে পাবে নগরবাসী। আর যদি দলীয় সভানেত্রী আমাকে বাদ দিয়ে অন্য কারো ওপর নির্ভর করেন, তাতেও আমার কোনো দ্বিমত নেই।

বিশেষ কাজ শেষে আগামী ২৩ জুলাই জাহাঙ্গীর আলম দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

গাজীপুরে আওয়ামী লীগের একটা বড় ভোটব্যাঙ্ক থাকায় বিগত স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। বর্তমানে ৫ জন সংসদ সদস্যও আওয়ামী লীগের। তবে বর্তমান সরকারের সফলতা-ব্যর্থতা এসব হিসেবও কষছেন আগামী নির্বাচনের ভোটাররা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

গ্যাস-তেল নেই, সরকারের দোষ—লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না

সিটি করপোরেশন নির্বাচন গাজীপুরে আওয়ামী লীগের শক্তিশালী মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর

আপডেট টাইম : ০২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০১৭

বাঙালী কন্ঠ নিউজঃ রাজধানী ঢাকার খুব কাছে ও দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সিটি করপোরেশন গাজীপুর। এর আয়তন ৩২৯ দশমিক ৫৩ বর্গ কিলোমিটার। এখানে প্রায় ২৫ লাখ লোকের বাস; কিন্তু শিল্প-কারখানায় কাজের প্রয়োজনে বিভিন্ন জেলা থেকে আরো প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ মানুষ প্রতিদিন এ জেলায় আসে। বিকাশমান শিল্প-কারখানাসমৃদ্ধ গাজীপুর মহানগর পূর্বের গাজীপুর ও টঙ্গী পৌরসভা এবং পূবাইল, বাসন, গাছা, কোনাবাড়ী, কাশিমপুর, কাউলতিয়া ইউনিয়নে ৫৭টি ওয়ার্ড নিয়ে যাত্রা শুরু করে ২০১৩ সালের ১৬ জানুয়ারি। ওই বছরের ৬ জুলাই অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নগরবাসী বহু প্রত্যাশা নিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করেন। মোট ভোটার ছিলো ১০ লাখ ২৬ হাজার ৯৩৯ জন।

কিন্তু মেয়র ও কাউন্সিলরগণ দায়িত্ব নিলেও জনসেবার জন্য যে গতিশীলতা প্রয়োজন তা একেবারেই দেখা যায় না। প্রয়োজনীয় জনবল নেই, রয়েছে অর্থ সংকট। সরকারের যে সকল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সিটি এলাকায় রয়েছে এগুলোর মধ্যে কোনোটিই এখনো করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সিটি গঠনের পর নাগরিকদের ট্যাক্স বাড়লেও সেবা আগের তুলনায় কমেছে। এর জন্য মেয়রের আসন নিয়ে টানাটানি ও সরকারের ভুল সিদ্ধান্তকেই দায়ী করছেন বিশিষ্টজনেরা।

দানবীর জাহাঙ্গীর আলমের কথা নিশ্চয়ই ভুলে যাননি গাজীপুরের মানুষ। গত নির্বাচনে একেবারে শেষলগ্ন পর্যন্ত ভোটের মাঠে ছিলেন। সবকিছু ছাড়িয়ে ‘বিদ্রোহী’ হয়েও জায়গা করে নিয়েছিলেন মানুষের মনে। শেষপর্যন্ত দলের সিদ্ধান্তে প্রার্থীতা থেকে অশ্রুসজল বিদায় হয়েছিলো জাহাঙ্গীরের। এবার সেই জাহাঙ্গীরেই ভরসা রাখতে চায় মানুষ।

‘দ্বিতীয় গোপালগঞ্জ’ হিসেবে পরিচিত গাজীপুরের প্রথম নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছিলো ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের। কার্যত প্রার্থী নির্বাচনে ভুল এবং দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের প্রভাবই পড়েছিলো ভোটের ফলে। এবার আর দ্বিতীয় ভুল করতে চায় না দল। তাই আগে থেকেই অতি সাবধানতা থাকছে প্রার্থী নির্বাচনে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসছে। আগামী বছরের শুরুর দিকেই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার জোর সম্ভাবনা। আর তা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রস্তুত রয়েছে সরকার ও নির্বাচন কমিশন। হাতে খুব বেশি সময় না থাকায় গাজীপুর সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী বাছাইয়ে এখন থেকেই মনযোগী দল। দলের টিকিট শেষপর্যন্ত কার হাতে ওঠে-সেটি এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, অভ্যন্তরীণ এই প্রতিযোগিতায় জাহাঙ্গীর আলম পেতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের টিকিট। আর তা নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে গাজীপুরের তৃণমূল আওয়ামী লীগসহ দলের শীর্ষমহলও। আর সে ভাবনা কাটবে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরই।

নতুন নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আসছে দেশের ছয়টি সিটি নির্বাচন। রংপুর, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, সিলেটের সঙ্গে আছে দেশের সবচেয়ে বড় সিটি করপোরেশন গাজীপুরও।

বর্তমান সময়ে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের নামটি বেশ আলোচিত। তার কারন ২০০৯ সালে জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার সুবাদে টঙ্গী এবং জয়দেবপুর থানার পুরো এলাকাবাসীর সঙ্গে সামাজিক-সাংস্কৃতিক-পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সুখে-দুঃখে তিনি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এলাকার অধিকাংশ কল-কারখনার ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে থাকায় তার কাঁচা পয়সা ছিল প্রচুর। এসব ক্ষেত্রে তিনি এলাকার বেকার যুবকদেরও অর্থ তথা কর্মসংস্থান করে দিয়েছেন। সরকারি অর্থ বরাদ্দ দিতে না পারলেও তিনি নিজের অর্থ দান করেছেন মসজিদ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে। কেউ তার কাছ থেকে খালি হাতে ফেরেননি। ফলে অল্প সময়ে তিনি এলাকাবাসীর মন জয় করতে সমর্থ হয়েছেন। তাই এখনো অনেকেই তাকে মেয়র হিসেবে দেখতে চান।

গাজীপুরের সর্বত্র যখন হাইব্রিড, কাউয়া, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, বা পাতিনেতারা নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত তখন জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকার পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় পডুয়া ২৫ হাজার ছাত্রছাত্রীকে তার ফাউন্ডেশন থেকে প্রায় ৫ কোটি টাকার বৃত্তি প্রদান করেছেন। কারো কারো পুরো শিক্ষাব্যয় বহন করেছেন। সবাইকে সর্বনিম্ন ২০ হাজার থেকে লক্ষাধিক টাকা বৃত্তি প্রদান করেছেন। যেটা নজিরবিহীন।

একসময়ের মাঠ কাঁপানো ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম ভাইস চেয়ারম্যান থাকাকালীন মানুষের মনে নিজের জায়গাটি পোক্ত করে ফেলেন। নির্বাচিত হয়ে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্ম থেকে ছাত্রলীগকে মুক্ত রাখতে গ্রহণ করেছিলেন নানা উদ্যোগ। সফলতাও পান। হয়ে ওঠেন মানুষের আস্থার প্রতীক।

এ ছাড়াও নিজেকে ঘুষ-দুর্নীতির বাইরে রেখেও ব্যক্তিগত তহবিল থেকে রাস্তাঘাট মেরামত, মসজিদ মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুদান, সেবা ও আপদ-বিপদে পাশে দাঁড়িয়ে দ্রুত হয়ে ওঠেন সব বয়সী মানুষের নয়নের মনি, প্রিয় থেকেও প্রিয়তর নেতা কিংবা স্বপ্নের মেয়র।

জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা জাহাঙ্গীর আলমের ইতিকথা
ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে পথ হাঁটা জাহাঙ্গীর আলমের গাজীপুরের কানাইয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবনের হাতেখড়ি। পরবর্তীতে চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৪ সালে মানবিক শাখায় এসএসসি ও ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী কলেজ থেকে এইচএসসি, অনার্স, মার্স্টাসসহ এলএলবি পাস করেন। বাবা মায়ের তিন সন্তানের মধ্যে জাহাঙ্গীরের অবস্থান দ্বিতীয়।

২০১৩ সালে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচনে সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে মেয়র পদে দলীয় সমর্থন চেয়েছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম। যিনি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে প্রায় সাড়ে তিন লাখ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে নজিরবিহীন ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন। সেই জাহাঙ্গীর ভাইস চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে নির্বাচনের মাঠে নামলে দল তাকে সমর্থন দেয়নি।

টঙ্গীর সাবেক পৌর মেয়র আজমত উল্লাহ খান দলের সমর্থন পেলেও অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে আদালতের নির্দেশে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে টিকে ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। অতঃপর প্রার্থী সমস্যা নিরসনের জন্য সে বছরের ১৮ জুন নাটকীয়ভাবে জাহাঙ্গীরকে ঢাকায় তুলে নিয়ে যান ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা। এরপর প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পর ২৩ জুন জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুরে এসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। দলীয় উচ্চপর্যায়, স্থানীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ ভোটারদের মনে আজো গেঁথে রয়েছে সেইদিনের স্মৃতি।

সেইদিনের মহানুভবতার উপহার হিসেবে সিটি নির্বাচনের বছরখানেক পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্বটি দেন জাহাঙ্গীর আলমকে। এমনকি সেই সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে আগামী নির্বাচনের জন্য মাঠ গোছানোর জন্যেও নির্দেশেনা দেন। মাত্র ৩৪ বছর বয়সে মহানগরের সাধারণ সম্পাদকের মত গুরুদায়িত্ব পেয়ে নানা উদ্যোগ ও কর্মসূচি দিয়ে ঝিমিয়ে পড়া আওয়ামী লীগকে প্রাণের সঞ্চার করে চলেছেন তিনি। তাই দলীয় মনোনয়নে মেয়র প্রার্থী হিসেবে তাকেই চায় গাজীপুরবাসী।

স্থানীয়রা জানান, গত নির্বাচনে পরাজয়ের পর দলের ভেতরে অনেকটা কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন আজমত উল্লাহ খান। মূলত ওই নির্বাচনের পর থেকেই জাহাঙ্গীর আলমের জন্যে হা-হুতাশ শুরু করে মানুষ। আফসোস করতে থাকেন, কেন জাহাঙ্গীরকেই বেছে নিলো না দল। পরবর্তী নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে জাহাঙ্গীরকেই ভেবে আসছে তৃণমূলের মানুষ। গাজীপুর জুড়ে মানুষের মাঝে আগামি সিটি নির্বাচনের ইস্যু নিয়ে এখনই চায়ের দোকানে, দলবদ্ধ আড্ডায় জমে উঠেছে নানা বিতর্ক।

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্র জানায়, আসন্ন গাজীপুর সিটি নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের অগ্নিকন্যা আইভীর মতই দুরন্ত একজন ষ্ট্রাইকার প্রার্থীকেই ভেবে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। আর সেই ষ্ট্রাইকারটি হচ্ছেন গাজীপুরের জনপ্রিয় নেতা জাহাঙ্গীর আলম। এমনটাই মনে করছেন জেলা ও মহনগর আওয়ামী লীগসহ কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা।

দলীয় কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, মেয়র নির্বাচনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দলের ভিতরে বাইরে ব্যাপক কর্মকা-, জনসংযোগ ও সাংগঠনিক তৎপরতায় নিজেকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসাবে দলের বাইরে ও সকল মহলের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছেন জাহাঙ্গীর আলম।

নেতাকর্মীরা জানান, আগামী সিটি নির্বাচনে জাহাঙ্গীর আলমই মেয়র প্রার্থী। দলের নেত্রী সেভাবেই নির্দেশনা দিয়েছেন জাহাঙ্গীরকে। তাই প্রতিটি ওয়ার্ডের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে ভোটারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং সুখে-দুঃখে নেতাকর্মীদের পাশে থাকছেন। ঝিমিয়ে পড়া আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জাহাঙ্গীরকে পেয়ে যেন চাঙা হয়ে উঠেছে।

মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে জয়লাভের আশা ব্যক্ত করে  জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দলীয় মনোনয়ন পেলে জিতব ইনশাআল্লাহ। নৌকার লোক বাঁড়াতে কাজ চলছে। জাহাঙ্গীর আলম শিক্ষা ফাউন্ডেশন নিয়ে তিনি বলেন, মোট তিনস্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা এই ফাউন্ডেশনে যোগ হয়েছে। নতুন করে প্রাথমিক, মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব নিয়েছি। যা আগে শুধু বিশ্ববিদ্যালয় পডুয়াদের জন্য প্রযোজ্য ছিল। এসব শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া শেষ হলে জাহাঙ্গীর আলম শিক্ষা ফাউন্ডেশন প্রত্যেককে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিবে। এর পরিসর আরো বৃদ্ধি পাবে এবং তার প্রচেষ্টায় গাজীপুরে নিরক্ষর কোন লোক থাকবেনা বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, নৌকার পক্ষে কাজ করতে আমি সর্বদা প্রস্তুত রয়েছি। সিটির নাগরিকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। নগরীতে ব্যাপক জনসংযোগ করছি। নাগরিকদের সমস্যা সমাধানে সব ধরনের প্রদক্ষেপ হাতে নিয়েছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও দলীয় সিদ্ধান্তের পরই আওয়ামী লীগ মনোনিত মেয়র প্রার্থীকে দেখতে পাবে নগরবাসী। আর যদি দলীয় সভানেত্রী আমাকে বাদ দিয়ে অন্য কারো ওপর নির্ভর করেন, তাতেও আমার কোনো দ্বিমত নেই।

বিশেষ কাজ শেষে আগামী ২৩ জুলাই জাহাঙ্গীর আলম দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

গাজীপুরে আওয়ামী লীগের একটা বড় ভোটব্যাঙ্ক থাকায় বিগত স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। বর্তমানে ৫ জন সংসদ সদস্যও আওয়ামী লীগের। তবে বর্তমান সরকারের সফলতা-ব্যর্থতা এসব হিসেবও কষছেন আগামী নির্বাচনের ভোটাররা।