ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্যাস-তেল নেই, সরকারের দোষ—লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করে যা বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

সিলেটে ত্রাণ পায়নি বলায় কান ধরে টানাহেঁচড়া

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ সিলেটে ত্রাণ না পাওয়ায় এক বন্যার্তকে কান ধরে টানাহেঁচড়ার ঘটনায় তোলপাড় চলছে। এমন ঘটনায় হতভম্ব হয়েছেন এলাকার মানুষও। তবে প্রশাসন বলছে- বন্যায় আক্রান্ত হওয়া লুৎফুর রহমান লকুস গত তিন মাস ধরে ভিজিএফ’র চাল ও নগদ টাকা পাচ্ছেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বলছেন- মিথ্যা বলার কারণে লকুসের মুরব্বি বাবুল মিয়া তাকে শাসন করেছেন। এর বেশি কিছু নয় বলে জানান তিনি। সিলেটের দক্ষিণ সুরমার দাউদপুর ইউনিয়নের ইনাত আলীপুর গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে লুৎফুর রহমান লকুসসহ কয়েকজন সম্প্রতি মিডিয়ার কাছে অভিযোগ করেছেন তারা বন্যায় আক্রান্ত হলেও ত্রাণ পাচ্ছে না। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এই সুধী সমাবেশে ডেকে আনা হয় যারা ত্রাণ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছে সেই সব অভিযুক্তদের। এর মধ্যে উপস্থিত হন লকুস মিয়া। তাকে ডেনে নিয়ে যাওয়া হয় মাইকে। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে লকুস মিয়া স্বীকার করেন তিনি ভিজিএফর চাল প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে পাচ্ছেন। একই সঙ্গে তাকে ৫০০ টাকা করেও মাসে দেয়া হয়েছে। তার এ কথায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন অনেকেই। এ সময় লকুসেরই এক আত্মীয় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল মিয়া বন্যার্ত লকুসের কান টেনে ধরেন। এবং মিথ্যা বলার জন্য তাকে শাসান। এ বিষয়টি চাউর হওয়া মাত্র এলাকায় তোলপাড় চলছে। গতকাল দক্ষিণ সুরমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহেদ মোস্তাফা জানিয়েছেন- ঘটনাটি তিনি পত্রিকারান্তে শুনেছেন। এরপর খবর নিয়ে জেনেছেন যে, লকুস মিয়া গত তিন মাস ধরে ভিজিএফ’র চাল ও টাকা পেয়েছেন। সুতরাং তিনি সরকারি সহায়তার বাইরে ছিলেন না বলে জানান। স্থানীয় দাউদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এএইচএম খলিল মানবজমিনকে জানিয়েছেন- সরকারি সিদ্ধান্ত রয়েছে যারা ভিজিএফ’র চাল পাবেন তাদের খয়রাতি ত্রাণ দেয়া হবে না। যারা ভিজিএফ’র বাইরে রয়েছে তাদের ত্রাণ দেয়া হবে। লকুস তো সহায়তা পাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে লকুস মিথ্যা বলার জন্য সবার কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন। আর লকুসকে ওই দিন শাসন করেছেন তার গ্রামের মুরব্বি বাবুল মিয়া। এর বেশি কিছু নয় বলে জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

গ্যাস-তেল নেই, সরকারের দোষ—লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না

সিলেটে ত্রাণ পায়নি বলায় কান ধরে টানাহেঁচড়া

আপডেট টাইম : ০৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুলাই ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ সিলেটে ত্রাণ না পাওয়ায় এক বন্যার্তকে কান ধরে টানাহেঁচড়ার ঘটনায় তোলপাড় চলছে। এমন ঘটনায় হতভম্ব হয়েছেন এলাকার মানুষও। তবে প্রশাসন বলছে- বন্যায় আক্রান্ত হওয়া লুৎফুর রহমান লকুস গত তিন মাস ধরে ভিজিএফ’র চাল ও নগদ টাকা পাচ্ছেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বলছেন- মিথ্যা বলার কারণে লকুসের মুরব্বি বাবুল মিয়া তাকে শাসন করেছেন। এর বেশি কিছু নয় বলে জানান তিনি। সিলেটের দক্ষিণ সুরমার দাউদপুর ইউনিয়নের ইনাত আলীপুর গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে লুৎফুর রহমান লকুসসহ কয়েকজন সম্প্রতি মিডিয়ার কাছে অভিযোগ করেছেন তারা বন্যায় আক্রান্ত হলেও ত্রাণ পাচ্ছে না। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এই সুধী সমাবেশে ডেকে আনা হয় যারা ত্রাণ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছে সেই সব অভিযুক্তদের। এর মধ্যে উপস্থিত হন লকুস মিয়া। তাকে ডেনে নিয়ে যাওয়া হয় মাইকে। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে লকুস মিয়া স্বীকার করেন তিনি ভিজিএফর চাল প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে পাচ্ছেন। একই সঙ্গে তাকে ৫০০ টাকা করেও মাসে দেয়া হয়েছে। তার এ কথায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন অনেকেই। এ সময় লকুসেরই এক আত্মীয় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল মিয়া বন্যার্ত লকুসের কান টেনে ধরেন। এবং মিথ্যা বলার জন্য তাকে শাসান। এ বিষয়টি চাউর হওয়া মাত্র এলাকায় তোলপাড় চলছে। গতকাল দক্ষিণ সুরমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহেদ মোস্তাফা জানিয়েছেন- ঘটনাটি তিনি পত্রিকারান্তে শুনেছেন। এরপর খবর নিয়ে জেনেছেন যে, লকুস মিয়া গত তিন মাস ধরে ভিজিএফ’র চাল ও টাকা পেয়েছেন। সুতরাং তিনি সরকারি সহায়তার বাইরে ছিলেন না বলে জানান। স্থানীয় দাউদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এএইচএম খলিল মানবজমিনকে জানিয়েছেন- সরকারি সিদ্ধান্ত রয়েছে যারা ভিজিএফ’র চাল পাবেন তাদের খয়রাতি ত্রাণ দেয়া হবে না। যারা ভিজিএফ’র বাইরে রয়েছে তাদের ত্রাণ দেয়া হবে। লকুস তো সহায়তা পাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে লকুস মিথ্যা বলার জন্য সবার কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন। আর লকুসকে ওই দিন শাসন করেছেন তার গ্রামের মুরব্বি বাবুল মিয়া। এর বেশি কিছু নয় বলে জানান তিনি।