ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্যাস-তেল নেই, সরকারের দোষ—লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করে যা বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে নিয়ম আনছে রাজউক

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  রাজধানী ঢাকায় টানা বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগ থেকে রেহাই পেতে এবার বাড়ির নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকা বাধ্যতামূলক করতে মত দিয়েছেন পরিবেশবিদ ও পানিসম্পদ প্রকৌশলীরা। যাতে বৃষ্টির কারণে সড়কে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ অনেকাংশেই, প্রায় ৭০ শতাংশ কমে যাবে বলে মনে করছেন তারা।

সেইসাথে সংরক্ষণ করে রাখা বৃষ্টির পানি দিয়েই ঢাকায় পানির চাহিদার অন্তত ১৫ শতাংশ মেটানো যাবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

এজন্য রাজউকের ২০০৮ সালের ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা সংশোধন করে ‘ঢাকা মহানগর ইমারত (নির্মাণ, উন্নয়ন, পরিবর্তন, সংরক্ষণ, অপসারণ) বিধিমালা-২০১৬’ নামে নতুন বিধিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন সংস্থার পরিকল্পনা সদস্যসচিব জিয়াউল হাসান।

তিনি বলেছেন, সংশোধিত বিধিমালায় বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও ভূগর্ভস্থ পানি রিচার্জ করার জন্য বিধান রাখা হয়েছে। বিধিতে বলা হয়েছে, নির্মীয়মান ইমারতের ছাদে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ এবং তা ব্যবহারের জন্য এই ব্যবস্থা ইমারত কনস্ট্রাকশনের অংশ হিসেবে গণ্য হবে। ভবন নির্মাণের জন্য যখন আমরা অনুমোদন দেব, তখন আবশ্যিকভাবে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ এবং ব্যবহারে উদ্দেশে রিচার্জ সামগ্রী থাকবে এমন শর্ত থাকতে হবে।

ভবনের গ্রাউন্ডে যে এলাকা থাকবে তার পরিমাণ ৫০০ বর্গমিটার বা তার বেশি হলে এ বিধানের বাধ্যবাধকতা থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, গেজেট আকারে বিধিমালা প্রকাশের পর ছাদে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা তৈরি হবে।

পানি সংকট মেটাতে প্রতিবেশি ভারতসহ বিশ্বের অনেকও দেশে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে মানুষের পানির চাহিদা মেটাতে প্রধানত নির্ভর করে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর। ফলে প্রতি বছরই ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কয়েক মিটার করে নিচে নেমে যাচ্ছো।

তবে বাংলাদেশের অনেক গ্রামাঞ্চলেও যুগ যুগ ধরে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের পর ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ অন্যান্য বড় শহরে এর খুব বেশি চল নেই।

কিন্তু সম্প্রতি জলবায়ুর পরিবর্তন, পানির চাহিদা বৃদ্ধি, সুপেয় পানির উৎস্য হ্রাস এবং টানা বৃষ্টিতে রাজধানীতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ব্যাপক জনদুর্ভোগ বৃষ্টির পানি নিয়ে নতুন করে ভাবনার প্রেক্ষাপট তৈরি করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজধানীর প্রতিটি ভবনের ছাদে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে রাজউক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

গ্যাস-তেল নেই, সরকারের দোষ—লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না

বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে নিয়ম আনছে রাজউক

আপডেট টাইম : ০১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  রাজধানী ঢাকায় টানা বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগ থেকে রেহাই পেতে এবার বাড়ির নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকা বাধ্যতামূলক করতে মত দিয়েছেন পরিবেশবিদ ও পানিসম্পদ প্রকৌশলীরা। যাতে বৃষ্টির কারণে সড়কে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ অনেকাংশেই, প্রায় ৭০ শতাংশ কমে যাবে বলে মনে করছেন তারা।

সেইসাথে সংরক্ষণ করে রাখা বৃষ্টির পানি দিয়েই ঢাকায় পানির চাহিদার অন্তত ১৫ শতাংশ মেটানো যাবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

এজন্য রাজউকের ২০০৮ সালের ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা সংশোধন করে ‘ঢাকা মহানগর ইমারত (নির্মাণ, উন্নয়ন, পরিবর্তন, সংরক্ষণ, অপসারণ) বিধিমালা-২০১৬’ নামে নতুন বিধিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন সংস্থার পরিকল্পনা সদস্যসচিব জিয়াউল হাসান।

তিনি বলেছেন, সংশোধিত বিধিমালায় বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও ভূগর্ভস্থ পানি রিচার্জ করার জন্য বিধান রাখা হয়েছে। বিধিতে বলা হয়েছে, নির্মীয়মান ইমারতের ছাদে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ এবং তা ব্যবহারের জন্য এই ব্যবস্থা ইমারত কনস্ট্রাকশনের অংশ হিসেবে গণ্য হবে। ভবন নির্মাণের জন্য যখন আমরা অনুমোদন দেব, তখন আবশ্যিকভাবে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ এবং ব্যবহারে উদ্দেশে রিচার্জ সামগ্রী থাকবে এমন শর্ত থাকতে হবে।

ভবনের গ্রাউন্ডে যে এলাকা থাকবে তার পরিমাণ ৫০০ বর্গমিটার বা তার বেশি হলে এ বিধানের বাধ্যবাধকতা থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, গেজেট আকারে বিধিমালা প্রকাশের পর ছাদে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা তৈরি হবে।

পানি সংকট মেটাতে প্রতিবেশি ভারতসহ বিশ্বের অনেকও দেশে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে মানুষের পানির চাহিদা মেটাতে প্রধানত নির্ভর করে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর। ফলে প্রতি বছরই ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কয়েক মিটার করে নিচে নেমে যাচ্ছো।

তবে বাংলাদেশের অনেক গ্রামাঞ্চলেও যুগ যুগ ধরে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের পর ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ অন্যান্য বড় শহরে এর খুব বেশি চল নেই।

কিন্তু সম্প্রতি জলবায়ুর পরিবর্তন, পানির চাহিদা বৃদ্ধি, সুপেয় পানির উৎস্য হ্রাস এবং টানা বৃষ্টিতে রাজধানীতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ব্যাপক জনদুর্ভোগ বৃষ্টির পানি নিয়ে নতুন করে ভাবনার প্রেক্ষাপট তৈরি করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজধানীর প্রতিটি ভবনের ছাদে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে রাজউক।