বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ বলেছেন, দেশে যা ঘটছে তাতে মানুষের মনে শান্তি নেই। সবার সমবেত প্রচেষ্টায় শান্তি ফিরিয়ে আনা যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
এসব বন্ধ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকেই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। আমরা সর্বাত্মক ও সার্বিক সহযোগিতা করবো। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি তাহলে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে না। বুধবার জাতীয় সংসদে সমাপনী ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
রওশন এরশাদ বলেন, এসব হামলায় উচ্চশিক্ষিত ও বিত্তবান পরিবারের ছেলেরা জড়িত। আমি আশা করবো অভিভাবেকরা সন্তানদের প্রতি সচেতন হবেন। তারা কার সাথে মিশছে, কোথায় যাচ্ছে, কী করছে সেদিকে খেয়াল রাখলে আশা করি এ ধরনের সমস্যা কমে আসবে। এছাড়া জঙ্গি হামলা বন্ধে সরকার পদক্ষেপ নেবে। হামলা বন্ধে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, দেশে ভালো পরিবেশ না থাকলে কেউ বিনিয়োগে এগিয়ে আসবে না। দেশি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে অবকাঠামোগত সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করতে হবে। রাস্তা-ঘাট, বিদ্যুৎ ইত্যাদি সুযোগ সুবিধা পেলেই দেশি-বিদেশী বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
নিম্নমানের সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে অভিযোগ করে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, এখানে (সংসদে) আমাদের কমিউনিকেশন মিনিস্টার (সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের) আছেন। প্রতিদিন দেখা যায় উনি রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছেন। কিন্তু রাস্তার কাজগুলো নিম্নমানের হচ্ছে। টেকসই সড়ক নির্মাণ হচ্ছে না। বৃষ্টিতে রাস্তা ধুইয়ে যাচ্ছে।
ফ্লাইওভার নির্মাণে ব্যয় বেশি জানিয়ে রওশন এরশাদ বলেন, কলকাতায় এক কিলোমিটার ফ্লাইওভার নির্মাণে ব্যয় ৮০ কোটি টাকা, জাপানে ৮০-৮৫ কোটি টাকা, মালয়েশিয়া ৮৮-৯০ টাকা ব্যয় হচ্ছে। আর আমাদের দেশে এক কিলোমিটার ফ্লাইওভার নির্মাণে ৩১৬ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। এক কিলোমিটার নির্মাণে এত বেশি টাকা ব্যয় হলে ফ্লাইওভার নির্মাণে কত বেশি টাকা ব্যয় হচ্ছে। এর চেয়ে মেট্রোরেল নির্মাণ করলে ভালো হতো।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 
























