ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

২০০৭-এর পুনরাবৃত্তি চায় বাংলাদেশ

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ ওয়ানডে বিশ্বকাপ মঞ্চে ভারতের বিপক্ষে দারুণ এক অর্জন আছে বাংলাদেশের। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে ভারতকে ৫ উইকেটে বিধ্বস্ত করে দুর্দান্ত এক জয়ের নজির গড়ে বাংলাদেশ।

কিন্তু এর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতকে আর হারাতে পারেনি বাংলাদেশ। ২০১১, ২০১৫ ও ২০১৯ তিন আসরের দেখায় সবগুলোতেই হেরেছেন টাইগাররা।

বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বারের মতো ভারতকে হারানোর স্বপ্নে বিভোর বাংলাদেশ। আজ পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (এমসিএ) স্টেডিয়ামে চলমান ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে ২০০৭-এর  পুনরাবৃত্তি ঘটানোই লক্ষ্য টাইগারদের।

এখন পর্যন্ত ওয়ানডেতে ৪০ বার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। এর মধ্যে ভারতের জয় ৩১টিতে এবং বাংলাদেশ জিতেছে ৮টিতে। ১টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বদলে গেছে পুরো দৃশ্য। বিয়েবাড়ি সাজানোর মতো স্টেডিয়ামের চারপাশ ডেকোরেট করে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে আইসিসি। শহর থেকে অনেক দূর, উন্নয়ন কাজের ধুলাবালি মাড়িয়ে স্টেডিয়ামে যাওয়ার পথে কিছুটা বিরক্ত লাগতেই পারে। তবে মাঠে পা রাখলে ক্লান্তি দূর হবে নিশ্চিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা স্টেডিয়ামের পুরো কাজ শেষ না হলেও আকর্ষণ করবেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

২০০৭-এর পুনরাবৃত্তি চায় বাংলাদেশ

আপডেট টাইম : ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ ওয়ানডে বিশ্বকাপ মঞ্চে ভারতের বিপক্ষে দারুণ এক অর্জন আছে বাংলাদেশের। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে ভারতকে ৫ উইকেটে বিধ্বস্ত করে দুর্দান্ত এক জয়ের নজির গড়ে বাংলাদেশ।

কিন্তু এর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতকে আর হারাতে পারেনি বাংলাদেশ। ২০১১, ২০১৫ ও ২০১৯ তিন আসরের দেখায় সবগুলোতেই হেরেছেন টাইগাররা।

বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বারের মতো ভারতকে হারানোর স্বপ্নে বিভোর বাংলাদেশ। আজ পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (এমসিএ) স্টেডিয়ামে চলমান ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে ২০০৭-এর  পুনরাবৃত্তি ঘটানোই লক্ষ্য টাইগারদের।

এখন পর্যন্ত ওয়ানডেতে ৪০ বার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। এর মধ্যে ভারতের জয় ৩১টিতে এবং বাংলাদেশ জিতেছে ৮টিতে। ১টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বদলে গেছে পুরো দৃশ্য। বিয়েবাড়ি সাজানোর মতো স্টেডিয়ামের চারপাশ ডেকোরেট করে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে আইসিসি। শহর থেকে অনেক দূর, উন্নয়ন কাজের ধুলাবালি মাড়িয়ে স্টেডিয়ামে যাওয়ার পথে কিছুটা বিরক্ত লাগতেই পারে। তবে মাঠে পা রাখলে ক্লান্তি দূর হবে নিশ্চিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা স্টেডিয়ামের পুরো কাজ শেষ না হলেও আকর্ষণ করবেই।