ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তায়েফের বুকে যে মসজিদ মুসলিমদের জন্য এক টুকরো সান্ত্বনা পে স্কেলে বদলাচ্ছে ইনক্রিমেন্ট নীতি, কোন গ্রেডে কত শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগ অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে জোবায়েদকে হত্যা, তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বাংলাদেশি সমর্থকদের স্কালোনির ধন্যবাদ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান ‘মত পার্থক্য থাকতে পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়’ শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষিতে ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে আইফার্মারের সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

শরীরের ফাটা দাগ দূর করতে ৬টি কার্যকরী ঘরোয়া উপায়

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ হঠাৎ করে বেড়ে গিয়েছিল ওজন। অনেক চেষ্টার পর ওজন কমিয়ে আগের চেহারায় ফিরেছেন। কিন্তু এবার নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে সেটি হলো স্ট্রেস মার্ক বা ফাটা দাগ। শরীরের বিভিন্ন অংশে মেদ ঝরে যাওয়ার ফলে বা বেশি মোটা গেলে স্ট্রেস মার্ক বা ফাটা দাগ দেখা দেয়। ঘরোয়া কিছু কার্যকরী উপায়ে এটি দূর করা সম্ভব। চলুন তেমন ছয়টি উপায় সম্পর্কে জেনে নিই।

# প্রতিদিন নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে আমন্ড অয়েল মিশিয়ে নিন। এরপর সেই মিশ্রণ ফাটা দাগ উপর লাগিয়ে ফেলুন। কয়েক মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

# লেবুর রসের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এরপর ফাট দাগের উপর ব্যবহার করুন ওই মিশ্রণ। উষ্ণ পানি দিয়ে ধুয়ে মশ্চারাইজার লাগান।

# ফাটা দাগ দূর করতে লেবুর রসও ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন ফাটা দাগের উপর লেবুর রস মেখে নিন। এরপর ১০ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে মশ্চারাইজার লাগান।

# একটি বোতলে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ভরে নিন। এরপর প্রতিদিন ফাটা দাগের উপর সেটা স্প্রে করুন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যবহার করুন অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। এরপর সকালে তা ধুয়ে ফেলুন।

# ফাটা দাগ নির্মূল করতে হলুদও বেশ উপকারী। দই এর সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে যদি ফাটা দাগের উপর ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে উপকার পাবেন। প্রতিদিন ওই মিশ্রণ ফাটা দাগের উপর লাগাতে হবে এবং ধুয়ে ফেলতে হবে হালকা গরম পানি দিয়ে। এরপর সেখানে মশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।

# অ্যালোভেরা জেল দাগ তোলার জন্য ভীষণ উপকারী। অ্যালোভেরা জেল ফাটা জায়গায় কিছু সময় ম্যাসাজ করে শুকাতে দিন। এভাবে প্রতিদিন দু’বার ব্যবহার করলে দাগ উঠে যাবে।

তবে শরীরের ফাটা দাগ দূর করতে ম্যাসাজ করার পাশাপাশি যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। যেমন- মাছ, মাংস, ডিমের সাদা অংশ, দই, বাদাম ও সূর্যমুখী তেলের বীজ। খেয়াল রাখতে হবে শরীরে যাতে কোনোভাবেই পানি ও প্রোটিনের ঘাটতি না হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শরীরের ফাটা দাগ দূর করতে ৬টি কার্যকরী ঘরোয়া উপায়

আপডেট টাইম : ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২০

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ হঠাৎ করে বেড়ে গিয়েছিল ওজন। অনেক চেষ্টার পর ওজন কমিয়ে আগের চেহারায় ফিরেছেন। কিন্তু এবার নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে সেটি হলো স্ট্রেস মার্ক বা ফাটা দাগ। শরীরের বিভিন্ন অংশে মেদ ঝরে যাওয়ার ফলে বা বেশি মোটা গেলে স্ট্রেস মার্ক বা ফাটা দাগ দেখা দেয়। ঘরোয়া কিছু কার্যকরী উপায়ে এটি দূর করা সম্ভব। চলুন তেমন ছয়টি উপায় সম্পর্কে জেনে নিই।

# প্রতিদিন নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে আমন্ড অয়েল মিশিয়ে নিন। এরপর সেই মিশ্রণ ফাটা দাগ উপর লাগিয়ে ফেলুন। কয়েক মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

# লেবুর রসের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এরপর ফাট দাগের উপর ব্যবহার করুন ওই মিশ্রণ। উষ্ণ পানি দিয়ে ধুয়ে মশ্চারাইজার লাগান।

# ফাটা দাগ দূর করতে লেবুর রসও ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন ফাটা দাগের উপর লেবুর রস মেখে নিন। এরপর ১০ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে মশ্চারাইজার লাগান।

# একটি বোতলে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ভরে নিন। এরপর প্রতিদিন ফাটা দাগের উপর সেটা স্প্রে করুন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যবহার করুন অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। এরপর সকালে তা ধুয়ে ফেলুন।

# ফাটা দাগ নির্মূল করতে হলুদও বেশ উপকারী। দই এর সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে যদি ফাটা দাগের উপর ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে উপকার পাবেন। প্রতিদিন ওই মিশ্রণ ফাটা দাগের উপর লাগাতে হবে এবং ধুয়ে ফেলতে হবে হালকা গরম পানি দিয়ে। এরপর সেখানে মশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।

# অ্যালোভেরা জেল দাগ তোলার জন্য ভীষণ উপকারী। অ্যালোভেরা জেল ফাটা জায়গায় কিছু সময় ম্যাসাজ করে শুকাতে দিন। এভাবে প্রতিদিন দু’বার ব্যবহার করলে দাগ উঠে যাবে।

তবে শরীরের ফাটা দাগ দূর করতে ম্যাসাজ করার পাশাপাশি যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। যেমন- মাছ, মাংস, ডিমের সাদা অংশ, দই, বাদাম ও সূর্যমুখী তেলের বীজ। খেয়াল রাখতে হবে শরীরে যাতে কোনোভাবেই পানি ও প্রোটিনের ঘাটতি না হয়।