ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গু ঠেকাতে ফুলহাতা শার্ট, লম্বা করে লুঙ্গি পরতে বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিরো আলমকে হত্যার হুমকি পানি নামলেও কাটেনি দুর্ভোগ, ঘরহারা মানুষের সামনে টিকে থাকার নতুন লড়াই জুলাই শহীদদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান টিউশনির টাকা চাওয়ায় শিক্ষিকার মাথায় ছাত্রীর মায়ের ১০ কোপ শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন ফারজানা রহমান অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ৫ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন সেমির আগে ইংল্যান্ডকে ‘দখলদার-জলদস্যু’ বললেন আর্জেন্টিনার ভাইস প্রেসিডেন্ট পবিত্র সফর মাসের চাঁদ দেখা গেছে, আখেরী চাহার ১২ আগস্ট

যেভাবে ১০৫ থেকে ওজন কমিয়ে ৮৩ কেজিতে এসেছি

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ ওজন কমানোর যুদ্ধ সহজ নয়। এই কাজে লোকে অনেক কথা বলবে যেগুলো আপনাকে দুর্বল করে দিবে। যখন আপনি নিজে অনুভব করতে পারবেন যে ওজন কমানো একটা বিশেষ কিছু তখনই এটি সম্ভব হতে পারে। ভারতের ২৫ বছর বয়সি দিক্ষা সিঙ্ঘিরও একই গল্প রয়েছে। তিনি তার ওজন কমানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বিস্তারিত জানিয়েছেন। ঢাকা টাইমস পাঠকদের জন্য দিক্ষার ওজন কমানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে তুলে ধরা হলো-

২৫ বছর বয়সী দিক্ষার ওজন বেড়ে হয়েছিল ১০৫ কেজি। তারপর দেড় বছরের চেষ্টায় তার ওজন এখন ৮৩ কেজি। দিক্ষার মুখেই শুনি তার ওজন কমানোর গল্প-

টার্নিং পয়েন্ট: আমাকে সব সময়ই অন্যদের থেকে শুনতে হতো যে আমি মোটা এবং দেখতে সুন্দর নই। এই কারণে আমি সবসময় ওজন কমানোর শর্টকার্ট রাস্তা খুঁজতাম যাতে অন্যদের সামনে নিজেকে আবেদনময়ী হিসেবে উপস্থাপন করতে পারি।

আমি ছোটবেলা থেকেই মোটা। এজন্য ক্লাস থ্রি বা ফোরে থাকতেই জিমে যেতাম। এছাড়া হারবাল পানীয়, ফ্যাড ডায়েট এবং ওজন কমানোর শর্টকার্ট অনেককিছুই আমি চেষ্টা করেছি। তবে এগুলো আমাকে কোনো কাজে দেয়নি। যদিও কিছুটা কাজ করতো তবে তা ছিল সাময়িক।

আমার যখন ২৩ বছর বয়স তখন আমি বন্ধুদের সঙ্গে প্যারাগ্লাইডিংয়ে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমি জানতে পারি এর জন্য আমাকে ৯০ কেজির কম ওজনের হতে হবে। অথচ আমি তার চেয়ে ১৫ কেজি ওজন বেশি ছিলাম। এই ঘটনায় আমার মন ভেঙে গিয়েছিল। তারপর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম আমার পরিবর্তন জরুরি। দীর্ঘ চেষ্টার পর আমি অনেকটা সফল হয়েছি।

খাবার:

সকালের নাস্তা: হালকা খাবার যেমন- পোহা, ওটস, ছোলা।

দুপুরের খাবার: চাপাতি রুটির সঙ্গে সবুজ শাকসবজি।

রাতের খাবার: রাতে সাধারণত প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেয়েছি।

এছাড়া চিনিজাতীয় খাবার ও আইসক্রিম এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছি।

ব্যায়াম: আমি সপ্তাহে ৫-৬ দিন ব্যায়াম করেছি। দৈনিক ৪৫ মিনিট করে ব্যায়াম করেছি। ওয়েট ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি অল্প পরিমাণে এইচআইআইটি ব্যায়াম করেছি। এছাড়া যতক্ষণ পারি ততক্ষণ হেঁটেছি।

ওজন কমানো সহজ কাজ নয় তবে আপনি যদি দীর্ঘস্থায়ীভাবে আপনার জীবনযাপনে পরিবর্তন আনতে পারেন তবে এটি কঠিন কিছু নয়।

 

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু ঠেকাতে ফুলহাতা শার্ট, লম্বা করে লুঙ্গি পরতে বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

যেভাবে ১০৫ থেকে ওজন কমিয়ে ৮৩ কেজিতে এসেছি

আপডেট টাইম : ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২০

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ ওজন কমানোর যুদ্ধ সহজ নয়। এই কাজে লোকে অনেক কথা বলবে যেগুলো আপনাকে দুর্বল করে দিবে। যখন আপনি নিজে অনুভব করতে পারবেন যে ওজন কমানো একটা বিশেষ কিছু তখনই এটি সম্ভব হতে পারে। ভারতের ২৫ বছর বয়সি দিক্ষা সিঙ্ঘিরও একই গল্প রয়েছে। তিনি তার ওজন কমানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বিস্তারিত জানিয়েছেন। ঢাকা টাইমস পাঠকদের জন্য দিক্ষার ওজন কমানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে তুলে ধরা হলো-

২৫ বছর বয়সী দিক্ষার ওজন বেড়ে হয়েছিল ১০৫ কেজি। তারপর দেড় বছরের চেষ্টায় তার ওজন এখন ৮৩ কেজি। দিক্ষার মুখেই শুনি তার ওজন কমানোর গল্প-

টার্নিং পয়েন্ট: আমাকে সব সময়ই অন্যদের থেকে শুনতে হতো যে আমি মোটা এবং দেখতে সুন্দর নই। এই কারণে আমি সবসময় ওজন কমানোর শর্টকার্ট রাস্তা খুঁজতাম যাতে অন্যদের সামনে নিজেকে আবেদনময়ী হিসেবে উপস্থাপন করতে পারি।

আমি ছোটবেলা থেকেই মোটা। এজন্য ক্লাস থ্রি বা ফোরে থাকতেই জিমে যেতাম। এছাড়া হারবাল পানীয়, ফ্যাড ডায়েট এবং ওজন কমানোর শর্টকার্ট অনেককিছুই আমি চেষ্টা করেছি। তবে এগুলো আমাকে কোনো কাজে দেয়নি। যদিও কিছুটা কাজ করতো তবে তা ছিল সাময়িক।

আমার যখন ২৩ বছর বয়স তখন আমি বন্ধুদের সঙ্গে প্যারাগ্লাইডিংয়ে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমি জানতে পারি এর জন্য আমাকে ৯০ কেজির কম ওজনের হতে হবে। অথচ আমি তার চেয়ে ১৫ কেজি ওজন বেশি ছিলাম। এই ঘটনায় আমার মন ভেঙে গিয়েছিল। তারপর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম আমার পরিবর্তন জরুরি। দীর্ঘ চেষ্টার পর আমি অনেকটা সফল হয়েছি।

খাবার:

সকালের নাস্তা: হালকা খাবার যেমন- পোহা, ওটস, ছোলা।

দুপুরের খাবার: চাপাতি রুটির সঙ্গে সবুজ শাকসবজি।

রাতের খাবার: রাতে সাধারণত প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেয়েছি।

এছাড়া চিনিজাতীয় খাবার ও আইসক্রিম এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছি।

ব্যায়াম: আমি সপ্তাহে ৫-৬ দিন ব্যায়াম করেছি। দৈনিক ৪৫ মিনিট করে ব্যায়াম করেছি। ওয়েট ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি অল্প পরিমাণে এইচআইআইটি ব্যায়াম করেছি। এছাড়া যতক্ষণ পারি ততক্ষণ হেঁটেছি।

ওজন কমানো সহজ কাজ নয় তবে আপনি যদি দীর্ঘস্থায়ীভাবে আপনার জীবনযাপনে পরিবর্তন আনতে পারেন তবে এটি কঠিন কিছু নয়।