ঢাকা , রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুস্তাফিজদের বড় ব্যবধানে হারিয়ে শীর্ষে নাহিদ-শরীফুলরা

পারভেজ হোসেন ইমন থাকলে এই ম্যাচ হতে পারত দুই বাংলাদেশির সঙ্গে দুই বাংলাদেশির লড়াই! কিন্তু কাঁধের চোটে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) থেকে ছিটকে পড়েছেন ইমন।

তাই লাহোর কালান্দার্সের একাদশে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হয়ে থাকলেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। প্রতিপক্ষ পেশাওয়ার জালমির একাদশে আরো দুই বাংলাদেশি পেসার নাহিদ রানা ও শরীফুল ইসলাম।

এমন ম্যাচে নাহিদ-শরীফুলের পেশাওয়ারের কাছে পাত্তাই পেল না মুস্তাফিজের লাহোর।

পিএসএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা হেরে গেল ৭৬ রানের বড় ব্যবধানে। এ হারে পয়েন্ট তালিকার ছয়ে নেমে গেল শাহীন আফ্রিদির দল। আর বাবর আজমের পেশাওয়ার উঠে এলো শীর্ষে।করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে আজ টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ১৭৩ রান করেছিল পেশাওয়ার।

শ্রীলঙ্কান ওপেনার কুশল মেন্ডিস করেন ৭৪ রান। মুস্তাফিজ নেন ২ উইকেট।ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিপক্ষে আগের ম্যাচে টেনেটুনে ১০০ করলেও আজ সেটাও পারেনি লাহোর। পেশাওয়ারের দুই স্পিনার সুফিয়ান মুকিম ও মাইকেল ব্রেসওয়েলের ঘূর্ণি আর নাহিদ রানা, শরীফুলদের তোপে মাত্র ৯৭ রানে অলআউট হয় মুস্তাফিজের দল।

রান তাড়ায় বড় কোনো জুটি গড়তে পারেনি লাহোর। শুরুতেই মোহাম্মদ নাঈমকে ফিরিয়ে দলটিকে বড় ধাক্কা দেন শরীফুল। আজও গতির ঝড় তোলা নাহিদ নেন ২ উইকেট।

মুকিম ও ব্রেসওয়েলের ঘূর্ণিতে দিশাহারা লাহোর ব্যাটাররা মাঝের ওভারগুলোয় আসা-যাওয়ায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

দুই স্পিনারই নেন ৩টি করে উইকেট। তবে পেশাওয়ারকে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহের ভিত গড়ে দিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন মেন্ডিস।সংক্ষিপ্ত স্কোর

পেশাওয়ার জালমি: ২০ ওভারে ১৭৩/৭ (মেন্ডিস ৭৪, বাবর ৪৩, ব্রেসওয়েল ২১; আফ্রিদি ৩/২২, মুস্তাফিজ ২/৩০, উবাইদ ১/২৯)।
লাহোর কালান্দার্স: ১৭ ওভারে ৯৭ অলআউট (শফিক ২১, ফখর ২১, ভেল্লালাগে ২০; মুকিম ৩/১৮, ব্রেসওয়েল ৩/২১, নাহিদ ২/১৫, জামাল ১/১০, শরীফুল ১/১৭)।
ফল: পেশাওয়ার জালমি ৭৬ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: কুশল মেন্ডিস (পেশাওয়ার জালমি)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

মুস্তাফিজদের বড় ব্যবধানে হারিয়ে শীর্ষে নাহিদ-শরীফুলরা

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
পারভেজ হোসেন ইমন থাকলে এই ম্যাচ হতে পারত দুই বাংলাদেশির সঙ্গে দুই বাংলাদেশির লড়াই! কিন্তু কাঁধের চোটে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) থেকে ছিটকে পড়েছেন ইমন।

তাই লাহোর কালান্দার্সের একাদশে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হয়ে থাকলেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। প্রতিপক্ষ পেশাওয়ার জালমির একাদশে আরো দুই বাংলাদেশি পেসার নাহিদ রানা ও শরীফুল ইসলাম।

এমন ম্যাচে নাহিদ-শরীফুলের পেশাওয়ারের কাছে পাত্তাই পেল না মুস্তাফিজের লাহোর।

পিএসএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা হেরে গেল ৭৬ রানের বড় ব্যবধানে। এ হারে পয়েন্ট তালিকার ছয়ে নেমে গেল শাহীন আফ্রিদির দল। আর বাবর আজমের পেশাওয়ার উঠে এলো শীর্ষে।করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে আজ টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ১৭৩ রান করেছিল পেশাওয়ার।

শ্রীলঙ্কান ওপেনার কুশল মেন্ডিস করেন ৭৪ রান। মুস্তাফিজ নেন ২ উইকেট।ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিপক্ষে আগের ম্যাচে টেনেটুনে ১০০ করলেও আজ সেটাও পারেনি লাহোর। পেশাওয়ারের দুই স্পিনার সুফিয়ান মুকিম ও মাইকেল ব্রেসওয়েলের ঘূর্ণি আর নাহিদ রানা, শরীফুলদের তোপে মাত্র ৯৭ রানে অলআউট হয় মুস্তাফিজের দল।

রান তাড়ায় বড় কোনো জুটি গড়তে পারেনি লাহোর। শুরুতেই মোহাম্মদ নাঈমকে ফিরিয়ে দলটিকে বড় ধাক্কা দেন শরীফুল। আজও গতির ঝড় তোলা নাহিদ নেন ২ উইকেট।

মুকিম ও ব্রেসওয়েলের ঘূর্ণিতে দিশাহারা লাহোর ব্যাটাররা মাঝের ওভারগুলোয় আসা-যাওয়ায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

দুই স্পিনারই নেন ৩টি করে উইকেট। তবে পেশাওয়ারকে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহের ভিত গড়ে দিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন মেন্ডিস।সংক্ষিপ্ত স্কোর

পেশাওয়ার জালমি: ২০ ওভারে ১৭৩/৭ (মেন্ডিস ৭৪, বাবর ৪৩, ব্রেসওয়েল ২১; আফ্রিদি ৩/২২, মুস্তাফিজ ২/৩০, উবাইদ ১/২৯)।
লাহোর কালান্দার্স: ১৭ ওভারে ৯৭ অলআউট (শফিক ২১, ফখর ২১, ভেল্লালাগে ২০; মুকিম ৩/১৮, ব্রেসওয়েল ৩/২১, নাহিদ ২/১৫, জামাল ১/১০, শরীফুল ১/১৭)।
ফল: পেশাওয়ার জালমি ৭৬ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: কুশল মেন্ডিস (পেশাওয়ার জালমি)।