ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মোজাফফর হোসেনের বিচার হবে সেনা আইনে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম চেক ডিজঅনার মামলায় কারাগারে পাঠানো হলো রিজেন্ট সাহেদকে তিন নদীতে বাড়ছে পানি, ৫ জেলায় বন্যার শঙ্কা ঢাকা সিটি কলেজের ১৯৮ শিক্ষকের ১০৫ জনের নিয়োগই অবৈধ লামিন ইয়ামালের দাদি ফাতিমার সংগ্রামের গল্প কাঁদাবে আপনাকেও ‘২৪ জুলাই দেখা হবে’, ভিডিও বার্তায় ঢাকার ভক্তদের আতিফ ‘আ. লীগের পুনর্বাসনের চেষ্টা হলে উত্তরা থেকে প্রতিরোধ শুরু হবে’ কেন আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বদিউর রহমান বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা জিয়াউলের জলসিঁড়ির বাড়িতে দুদকের অভিযান

ভাতা বেড়েছে চার ক্যাটাগরি মুক্তিযোদ্ধাদের

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সম্মানি ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধার নতুন হার নির্ধারণ করেছে সরকার।

গত বুধবার (১৫ জুলাই) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পঙ্গুত্বের মাত্রা অনুযায়ী ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’— চার শ্রেণিতে ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা মাসে ৩০ হাজার এবং বীর বিক্রম ও বীর প্রতীকরা ২৫ হাজার টাকা করে মূল সম্মানী ভাতা পাবেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নতুন এ হার গত ১ জুলাই থেকে ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। ৯৬ থেকে ১০০ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘এ’ শ্রেণির যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসে ৩০ হাজার টাকা মূল ভাতা পাবেন। এর সঙ্গে ২ হাজার টাকা চিকিৎসা এবং ৫ হাজার টাকা খাদ্য ভাতা মিলিয়ে মাসিক নিয়মিত সুবিধা হবে ৩৭ হাজার টাকা।

জীবিত ‘এ’ শ্রেণির যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে অতিরিক্ত সহায়ক ভাতা হিসেবে মাসে আরো ৮ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ফলে জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি মাসে মোট ৪৫ হাজার টাকা পাবেন। তবে তার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীরা অতিরিক্ত ৮ হাজার টাকার সহায়ক ভাতা পাবেন না।

৬১ থেকে ৯৫ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘বি’ শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা মাসে ২৮ হাজার টাকা মূল ভাতা পাবেন। চিকিৎসা ও খাদ্য ভাতাসহ তার মোট মাসিক সুবিধা হবে ৩৫ হাজার টাকা।

২০ থেকে ৬০ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘সি’ শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার মূল ভাতা হবে ২৩ হাজার টাকা। চিকিৎসা ও খাদ্য ভাতাসহ তিনি মাসে মোট ৩০ হাজার টাকা পাবেন।

১ থেকে ১৯ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘ডি’ শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার মূল ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা। ২ হাজার টাকা চিকিৎসা ও ৫ হাজার টাকা খাদ্য ভাতাসহ তার মাসিক মোট ভাতা হবে ২৭ হাজার টাকা।

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে বছরে দুটি উৎসব ভাতার প্রতিটির পরিমাণ হবে তাদের নিজ নিজ মূল ভাতার সমান। জীবিত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা মহান বিজয় দিবসে ৫ হাজার এবং বাংলা নববর্ষে ২ হাজার টাকা করে পাবেন।

মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮ সালের ধারা ৩ এর উপধারা (১)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত হারে ও শর্তে সম্মানি ভাতা ও অন্যান্য উৎসব ভাতাদি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

মোজাফফর হোসেনের বিচার হবে সেনা আইনে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভাতা বেড়েছে চার ক্যাটাগরি মুক্তিযোদ্ধাদের

আপডেট টাইম : ০৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সম্মানি ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধার নতুন হার নির্ধারণ করেছে সরকার।

গত বুধবার (১৫ জুলাই) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পঙ্গুত্বের মাত্রা অনুযায়ী ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’— চার শ্রেণিতে ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা মাসে ৩০ হাজার এবং বীর বিক্রম ও বীর প্রতীকরা ২৫ হাজার টাকা করে মূল সম্মানী ভাতা পাবেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নতুন এ হার গত ১ জুলাই থেকে ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। ৯৬ থেকে ১০০ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘এ’ শ্রেণির যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসে ৩০ হাজার টাকা মূল ভাতা পাবেন। এর সঙ্গে ২ হাজার টাকা চিকিৎসা এবং ৫ হাজার টাকা খাদ্য ভাতা মিলিয়ে মাসিক নিয়মিত সুবিধা হবে ৩৭ হাজার টাকা।

জীবিত ‘এ’ শ্রেণির যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে অতিরিক্ত সহায়ক ভাতা হিসেবে মাসে আরো ৮ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ফলে জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি মাসে মোট ৪৫ হাজার টাকা পাবেন। তবে তার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীরা অতিরিক্ত ৮ হাজার টাকার সহায়ক ভাতা পাবেন না।

৬১ থেকে ৯৫ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘বি’ শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা মাসে ২৮ হাজার টাকা মূল ভাতা পাবেন। চিকিৎসা ও খাদ্য ভাতাসহ তার মোট মাসিক সুবিধা হবে ৩৫ হাজার টাকা।

২০ থেকে ৬০ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘সি’ শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার মূল ভাতা হবে ২৩ হাজার টাকা। চিকিৎসা ও খাদ্য ভাতাসহ তিনি মাসে মোট ৩০ হাজার টাকা পাবেন।

১ থেকে ১৯ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘ডি’ শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার মূল ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা। ২ হাজার টাকা চিকিৎসা ও ৫ হাজার টাকা খাদ্য ভাতাসহ তার মাসিক মোট ভাতা হবে ২৭ হাজার টাকা।

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে বছরে দুটি উৎসব ভাতার প্রতিটির পরিমাণ হবে তাদের নিজ নিজ মূল ভাতার সমান। জীবিত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা মহান বিজয় দিবসে ৫ হাজার এবং বাংলা নববর্ষে ২ হাজার টাকা করে পাবেন।

মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮ সালের ধারা ৩ এর উপধারা (১)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত হারে ও শর্তে সম্মানি ভাতা ও অন্যান্য উৎসব ভাতাদি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।