ঢাকা , শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদক নিয়ন্ত্রণের কর্মকর্তারাই জড়াচ্ছেন মাদক কারবারে

দেশে মাদকের বিস্তার ঠেকানো যাঁদের দায়িত্ব, তাঁদেরই কেউ কেউ জড়িয়ে পড়ছেন মাদক কারবারে। মাদকসহ এই ব্যক্তিরা যখন গ্রেপ্তার হচ্ছেন, তখন মাদকবিরোধী অভিযানের নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাদকসংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কয়েকটি গ্রেপ্তারের ঘটনা সেই প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে। সম্প্রতি সাতক্ষীরায় মাদক কারবারিদের ধরতে গিয়ে দুই পুলিশ সদস্য মাদকসহ গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। কক্সবাজারের রামুতে ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) এক সদস্য। এর আগে চট্টগ্রামে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয় খুলনা জেলা পুলিশের এক কনস্টেবলকে।
তিনটি ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য।অপরাধ ও সমাজ বিশ্লেষকরা বলছেন—মাদকবিরোধী অভিযানে নিয়োজিত ব্যক্তিদের একটি অংশ মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়ছে কি না, তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাঁরা বলছেন, শুধু মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার নয়, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইন প্রয়োগের দায়িত্বে থাকা সদস্যদের বিরুদ্ধেও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক তদন্ত নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ, মাদক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের একাংশ যদি মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে পুরো মাদকবিরোধী অভিযানই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র বলছে, মাদক সেবনের পাশাপাশি বিভিন্ন সময় চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত সন্দেহভাজন কিছু পুলিশ সদস্যকে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। কারণ পুলিশের মাদক সেবন কিংবা কারবারে জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি কড়া নজরদারিতে রয়েছে। কোনোভাবে কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। ডোপ টেস্টে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা সদস্য শনাক্ত হলে তার বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুতিসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ঘটনার মধ্যে সাতক্ষীরায় মাদক কারবারিদের ধরতে অভিযান চালাতে গিয়ে মাদকসহ দুই পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে।

গত ৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে সদর উপজেলার বকচরা বাইপাসসংলগ্ন এলাকায় তাঁদের গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তার দুই পুলিশ সদস্য হলেন—মো. মোস্তাইন বিল্লাহ (৩০) ও নাজমুল (২৮)। মোস্তাইন বিল্লাহ জেলা পুলিশের স্টাফ ফোর্স (এসএফ) শাখায় কর্মরত। নাজমুল জেলা পুলিশের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।সংশ্লিষ্ট থানার ওসি মাহমুদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ডিবির একজন কর্মকর্তা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। তিনিই মামলাটির তদন্ত করছেন। উদ্ধার করা আলামত পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে দুই পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই দিন কক্সবাজারের রামুতে এপিবিএন সদস্য মোহাম্মদ আলী মুন্না শিকদারকে (২৭) ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে বিজিবি। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়—তাঁর কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল, দুটি আইফোন ও নগদ ৫০ হাজার ৯৯০ টাকা জব্দ করা হয়। পরে তাঁর বিরুদ্ধে রামু থানায় মামলা করা হয়। এর আগে গত ৫ মে চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানার নতুন ব্রিজ এলাকায় ৫০ হাজার ইয়াবাসহ আশিকুল ইসলাম (৩০) নামের এক পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। আশিকুল খুলনা জেলা পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের বরাতে বলা হয়, কক্সবাজার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান সংগ্রহ করে তিনি খুলনায় নিয়ে যাচ্ছিলেন।

অপরাধ ও সমাজ বিশ্লেষকরা বলছেন—এসব ঘটনার সময়, স্থান ও প্রেক্ষাপট আলাদা হলেও একটি বিষয় অভিন্ন, মাদকের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের দায়িত্বে থাকা বাহিনীর সদস্যদের মাদক বহন, সংরক্ষণ, সংশ্লিষ্টতা ও আইন লংঘনের অভিযোগ উঠেছে।  ফলে মাদক কারবারিদের মধ্যে মাদকসংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সীমাবদ্ধ থাকছে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ সামনে আসছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাখাওয়াত হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কোনো সদস্য মাদকসহ গ্রেপ্তার হলে শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করাই যথেষ্ট কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তিনি কিভাবে মাদক সংগ্রহ করলেন, কার কাছ থেকে পেলেন, কোথায় নিয়ে যাচ্ছিলেন, তাঁর সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং দায়িত্ব পালনের সুযোগ ব্যবহার করে তিনি কোনো সুবিধা নিয়েছিলেন কি না—এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। শুধু মামলা দিয়ে, বরখাস্ত করে এ প্রবণতা দূর করা যাবে না। কারণ  বিপুল পরিমাণ মাদকসহ কোনো বাহিনীর সদস্য গ্রেপ্তার হলে সরবরাহকারী থেকে শুরু করে পরিবহন, অর্থ লেনদেন এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের বিষয়ে তদন্তের গুরুত্ব আরো বেড়ে যায়।’

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, ‘কোনো পুলিশ সদস্য মাদকসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত—তদন্তে এমন তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া গেলে বিষয়টিতে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান অনুযায়ী তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

মাদক নিয়ন্ত্রণের কর্মকর্তারাই জড়াচ্ছেন মাদক কারবারে

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
দেশে মাদকের বিস্তার ঠেকানো যাঁদের দায়িত্ব, তাঁদেরই কেউ কেউ জড়িয়ে পড়ছেন মাদক কারবারে। মাদকসহ এই ব্যক্তিরা যখন গ্রেপ্তার হচ্ছেন, তখন মাদকবিরোধী অভিযানের নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাদকসংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কয়েকটি গ্রেপ্তারের ঘটনা সেই প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে। সম্প্রতি সাতক্ষীরায় মাদক কারবারিদের ধরতে গিয়ে দুই পুলিশ সদস্য মাদকসহ গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। কক্সবাজারের রামুতে ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) এক সদস্য। এর আগে চট্টগ্রামে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয় খুলনা জেলা পুলিশের এক কনস্টেবলকে।
তিনটি ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য।অপরাধ ও সমাজ বিশ্লেষকরা বলছেন—মাদকবিরোধী অভিযানে নিয়োজিত ব্যক্তিদের একটি অংশ মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়ছে কি না, তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাঁরা বলছেন, শুধু মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার নয়, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইন প্রয়োগের দায়িত্বে থাকা সদস্যদের বিরুদ্ধেও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক তদন্ত নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ, মাদক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের একাংশ যদি মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে পুরো মাদকবিরোধী অভিযানই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র বলছে, মাদক সেবনের পাশাপাশি বিভিন্ন সময় চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত সন্দেহভাজন কিছু পুলিশ সদস্যকে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। কারণ পুলিশের মাদক সেবন কিংবা কারবারে জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি কড়া নজরদারিতে রয়েছে। কোনোভাবে কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। ডোপ টেস্টে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা সদস্য শনাক্ত হলে তার বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুতিসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ঘটনার মধ্যে সাতক্ষীরায় মাদক কারবারিদের ধরতে অভিযান চালাতে গিয়ে মাদকসহ দুই পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে।

গত ৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে সদর উপজেলার বকচরা বাইপাসসংলগ্ন এলাকায় তাঁদের গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তার দুই পুলিশ সদস্য হলেন—মো. মোস্তাইন বিল্লাহ (৩০) ও নাজমুল (২৮)। মোস্তাইন বিল্লাহ জেলা পুলিশের স্টাফ ফোর্স (এসএফ) শাখায় কর্মরত। নাজমুল জেলা পুলিশের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।সংশ্লিষ্ট থানার ওসি মাহমুদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ডিবির একজন কর্মকর্তা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। তিনিই মামলাটির তদন্ত করছেন। উদ্ধার করা আলামত পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে দুই পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই দিন কক্সবাজারের রামুতে এপিবিএন সদস্য মোহাম্মদ আলী মুন্না শিকদারকে (২৭) ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে বিজিবি। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়—তাঁর কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল, দুটি আইফোন ও নগদ ৫০ হাজার ৯৯০ টাকা জব্দ করা হয়। পরে তাঁর বিরুদ্ধে রামু থানায় মামলা করা হয়। এর আগে গত ৫ মে চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানার নতুন ব্রিজ এলাকায় ৫০ হাজার ইয়াবাসহ আশিকুল ইসলাম (৩০) নামের এক পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। আশিকুল খুলনা জেলা পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের বরাতে বলা হয়, কক্সবাজার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান সংগ্রহ করে তিনি খুলনায় নিয়ে যাচ্ছিলেন।

অপরাধ ও সমাজ বিশ্লেষকরা বলছেন—এসব ঘটনার সময়, স্থান ও প্রেক্ষাপট আলাদা হলেও একটি বিষয় অভিন্ন, মাদকের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের দায়িত্বে থাকা বাহিনীর সদস্যদের মাদক বহন, সংরক্ষণ, সংশ্লিষ্টতা ও আইন লংঘনের অভিযোগ উঠেছে।  ফলে মাদক কারবারিদের মধ্যে মাদকসংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সীমাবদ্ধ থাকছে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ সামনে আসছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাখাওয়াত হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কোনো সদস্য মাদকসহ গ্রেপ্তার হলে শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করাই যথেষ্ট কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তিনি কিভাবে মাদক সংগ্রহ করলেন, কার কাছ থেকে পেলেন, কোথায় নিয়ে যাচ্ছিলেন, তাঁর সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং দায়িত্ব পালনের সুযোগ ব্যবহার করে তিনি কোনো সুবিধা নিয়েছিলেন কি না—এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। শুধু মামলা দিয়ে, বরখাস্ত করে এ প্রবণতা দূর করা যাবে না। কারণ  বিপুল পরিমাণ মাদকসহ কোনো বাহিনীর সদস্য গ্রেপ্তার হলে সরবরাহকারী থেকে শুরু করে পরিবহন, অর্থ লেনদেন এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের বিষয়ে তদন্তের গুরুত্ব আরো বেড়ে যায়।’

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, ‘কোনো পুলিশ সদস্য মাদকসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত—তদন্তে এমন তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া গেলে বিষয়টিতে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান অনুযায়ী তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’