ঢাকা , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী ভারি বর্ষণ নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ১৩৩ বই পরিমার্জন, আসছে চার নতুন বই গ্রামাঞ্চলেও সমান গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রামে পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখ মানুষ, তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে ইয়ামাল বললেন, ফ্রান্স যদি কাউকে ভয় পায় সেটা স্পেন নিজেই গাড়ি চালিয়ে স্ত্রীর ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ইমাম-খতিবদের উদ্দেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সতর্কবার্তা অনেকে নিরুৎসাহিত করলেও হাল ছাড়েননি হামিদুল্লাহ, বিক্রি প্রায় ২ লাখ বিয়ের অনুমতি নিতেই মোটা টাকা খরচ টেইলর সুইফটের

১৫ বছরে দেশে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : শেখ হাসিনা

ধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী ১৫ বছরের মধ্যে দেশে প্রায় ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তিনি বলেন, ‘আগামী ১৫ বছরের মধ্যে দেশে ১শ’টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এতে প্রায় ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।’
প্রধানমন্ত্রী আজ সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজীর এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বিভিন্ন শিল্প ও সেবা খাতে বিনিয়োগের লক্ষ্যে ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অ্যাক্ট ২০১০ প্রণয়ন এবং বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অর্থনৈতিক অঞ্চল (বেজা) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। দেশি-বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বিনিয়োগবান্ধব নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ১০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৭৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। সরকার ও ব্যক্তি খাতের সম্মিলনে অবকাঠামো খাতসহ অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ করার জন্য পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) অথরিটি করা হয়েছে। এ সকল খাতে বিনিয়োগ করার জন্য পিপিপি গাইডলাইন প্রণয়ন করা হয়েছে। ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হবে এবং দেশি-বিদেশী বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে উৎসাহিত হবেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশেষ বিশেষ শিল্প খাতের জন্য ৫ থেকে ১০ বছর কর দেয়ার সুবিধা, শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্পে শূন্য শুল্ক হারে যন্ত্রপাতি আমদানি ও বন্ড সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির সুবিধা, দ্বৈত কর দেয়ার সুবিধা (বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যান্য দেশের সম্পাদিত দ্বি-পাক্ষিক কর প্রত্যাহার চুক্তির আলোকে), ত্বরান্বিত অবচয় সুবিধা প্রদান, রয়্যালিটি, কারিগরি সহায়তা, ইউরোপসহ অধিকাংশ উন্নত দেশে ডিউটি ও কোটা ফ্রি প্রবেশ সুবিধা, শতভাগ বিদেশি মালিকানার সুবিধা প্রদান, শতভাগ মূলধন ও মুনাফা প্রত্যাবাসন সুবিধা প্রদান, বিদেশ কর্মীদের কর্মানুমতি প্রদান, ইউডি, আইআরসি এবং বন্ড নবায়ন সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

১৫ বছরে দেশে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : শেখ হাসিনা

আপডেট টাইম : ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ জুলাই ২০১৬
ধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী ১৫ বছরের মধ্যে দেশে প্রায় ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তিনি বলেন, ‘আগামী ১৫ বছরের মধ্যে দেশে ১শ’টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এতে প্রায় ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।’
প্রধানমন্ত্রী আজ সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজীর এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বিভিন্ন শিল্প ও সেবা খাতে বিনিয়োগের লক্ষ্যে ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অ্যাক্ট ২০১০ প্রণয়ন এবং বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অর্থনৈতিক অঞ্চল (বেজা) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। দেশি-বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বিনিয়োগবান্ধব নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ১০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৭৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। সরকার ও ব্যক্তি খাতের সম্মিলনে অবকাঠামো খাতসহ অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ করার জন্য পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) অথরিটি করা হয়েছে। এ সকল খাতে বিনিয়োগ করার জন্য পিপিপি গাইডলাইন প্রণয়ন করা হয়েছে। ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হবে এবং দেশি-বিদেশী বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে উৎসাহিত হবেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশেষ বিশেষ শিল্প খাতের জন্য ৫ থেকে ১০ বছর কর দেয়ার সুবিধা, শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্পে শূন্য শুল্ক হারে যন্ত্রপাতি আমদানি ও বন্ড সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির সুবিধা, দ্বৈত কর দেয়ার সুবিধা (বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যান্য দেশের সম্পাদিত দ্বি-পাক্ষিক কর প্রত্যাহার চুক্তির আলোকে), ত্বরান্বিত অবচয় সুবিধা প্রদান, রয়্যালিটি, কারিগরি সহায়তা, ইউরোপসহ অধিকাংশ উন্নত দেশে ডিউটি ও কোটা ফ্রি প্রবেশ সুবিধা, শতভাগ বিদেশি মালিকানার সুবিধা প্রদান, শতভাগ মূলধন ও মুনাফা প্রত্যাবাসন সুবিধা প্রদান, বিদেশ কর্মীদের কর্মানুমতি প্রদান, ইউডি, আইআরসি এবং বন্ড নবায়ন সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।